ব্লগ

25 Jun 2019

প্রথমেই বলে নেই আমি কোন পেশাদার ট্রাভেলার নই কিংবা কোন ভ্রমন কাহিনী লেখকও নই। ভাল লাগে নতুন নতুন জায়গা ঘুরতে। ভাল লাগে প্রকৃতির ছবি তুলতে। ভাল লাগে পাহাড় পর্বত, সবুজ। সত্যি বলতে আমার কাছে পাহাড় একটা নেশা। টানতেই থাকে আমায়। আর সেইই টানটা যখন অতিমাত্রায় বেড়ে যায়, ছুটির দিনগুলোতে ঘর ছাড়তে বাধ্য হই। ছুটে বেড়াই কোন না কোন পাহাড়ে, বনে জঙ্গলে। তারই সূত্র ধরে কিছুদিন আগে সলো ট্রিপ দিয়ে আসলাম প্রকৃতির লীলাভূমি মেঘালয়। অনেকেই প্রশ্ন করে সলোট্রিপ আবার কেমন? একা ঘুরতে বোরিং লাগেনা? ভাই, একবার ট্রাই করে দেখন। এমন বন্ধনহীন টেনশেন ছাড়া ঘোরার ভেতর একটা ভিন্নমাত্রা আছে। অনেকটা যেখানেই রাত সেখানেই কাত টাইপ। তবে ঘোরার মানসিকতা থাকতে হবে। নইলে সলো ট্রিপটা সময় আর অর্থের অপচয়ই হবে শুধু। আর একবার সাহস করে নেশা জাগাতে পারলে তো কথাই নেই। যখন ছুটি তখনই ছুট। দুচোখ যেদিকে যায়…স্বাধীনতা। শুধু সাথে রাখবেন একটা প্ল্যান। আই মিন সলো ট্যুরে যাবার আগে কোথায় যাবেন এটা খুব ভাল করে ভেবে চিন্তে ঠিক করবেন। কারন এমন অনেক জায়গা আছে যেখানে একা যাওয়াটা মোটেই ঠিক না। ওগুলো এভয়েড করবেন। সবার আগে সেফটি। জায়গা চয়েজ করার টাইম নিজের সামর্থটাও জানতে হবে। সামর্থ্য বলতে শারীরিক সামর্থ্যের কথা বলছি। ট্র্যাকিং করতে গেলে এটা আবশ্যিক। মাথায় রাখতেই হবে আপনি একা যাচ্ছেন। পাহাড়ের কতটা নীচে নামবেন তার চাইতে জানা জরুরী ঠিক ততটাই উঠতে হবে আপনাকে। সো নিজের ফিজিক্যাল ফিটনেস সম্বন্ধে পুরোটা জানাটা জরুরী। অন্যথায় বিপদ হতে পারে। আর কখন কোথায় যাচ্ছেন এটা যাওয়ার আগে প্রিয়জনকে অবশ্যই জানিয়ে যাবেন। আবার ক্ষমা চেয়ে নিলাম। কেন? এই উপদেশ দেওয়ার জন্য। আমি যেহেতু কোন প্রফেশনাল ট্র্যাকার নই তাই উপদেশ দেওয়া আমার সাজে না। কিন্তু আমার মতো সৌখিন ভ্রমন পিপাসুদের এগুলো জানা জরুরী। তাই শেয়ার করলাম।

এবার আসি আমার মেঘালয় ভ্রমন অভিজ্ঞতায়। অফিসে কাজ করতে করতে একদিন হঠাৎ ঈদের দীর্ঘ ছুটিটা চোখে পড়ে। মাঝে একটা দিন ছুটি ম্যানেজ করে নয় দিনের ছুটি পেয়ে গেলাম। আর আমায় পায় কে!! ভিসা লাগানই ছিল আগরতলা বর্ডার দিয়ে। সবার প্রথমেইই আগরতলা – গুয়াহাটি – আগরতলা টিকেট কনফার্ম করে নিলাম। তারপর ৩১/০৫/২০১৯ এর ভোরবেলা বর্ডার ক্রস করে আগরতলা পৌছলাম। সকালটা আগরতলার বটতলার সুস্বাদু খাওয়া খেয়ে দূপুরে পৌছলাম এয়ারপোর্ট। ফ্লাইট ছিল ২:৩৫ এ। ঠিক ৩:৩০ মিনিটেইই ইন্ডিগো ফ্লাইটটি আমায় গুয়াহাটি নামিয়ে দিল।

কোন নুতন জায়গায় একা গেলে প্রথম যে অনিশ্চয়তা কাজ করে তা হল- এবার আমি কি করব!! বেশ কিছু সলো ট্রিপ দেওয়ার কারনে আমি এই ভয়টা একটু হলেও কাটিয়ে উঠেছি। আর এখনতো এসবব ট্রাভেল গ্রুপে বা ইউটিউবে মোটামুটি সব জায়গাই কিভাবে ভ্রমন করতে হয় তা বিষদ জানাই যায়। যাইহোক ঠিক করেছিলাম রাতের ভেতর যেভাবেই হোক শিলং পৌছাবই। আবার শিলং এ রাত ৯ টার ভেতর সব বন্ধ হয়ে যায় এটাও সমস্যা। আবার পিক সিজন থাকায় হোটেল পাওয়াটাও একটা বিষয়। যাইহোক আগেই ঠিক করে রেখেছিলাম এয়ারপোর্ট থেকে ML লেখা নাম্বারপ্লেটের গাড়ী নিব। ML মেনে মেঘালয়া। যেহেতু ওগুলো শিলং এর গাড়ী, তাই গুয়াহাটি থেকে শিলং যেতে ওরা ভাড়াও কম নিবে আর ড্রাইভারকে দিয়ে অন্য কিছু কাজও করানো যাবে। অন্য কাজ কি? গাড়ীতে উঠেই ড্রাইভারের সাথে এতটু গল্প জমালাম। তবে একটা কথা, ইন্ডিয়া সহ যত দেশের টুরিস্ট প্লেসেই গেছি সবাইকেই অনেন কোয়াপরেটিভ পেয়েছি। কিজানি কপালও বলতে পারেন।

যাইহোক ড্রইভারকে এককাপ চা খইয়ে বন্ধু বানিয়ে ফেললাম। সে বলেই বসল বাংলাদেশীরা অনেক ভাল। গর্ব হল। এবার আসল কথায় আসলাম। শিলংএ আমার তিন রাত আর চেরাপুন্জিতে দুই রাতের জন্য হোটেল চাই আমার। সাথে আমার লিস্ট করা প্লেসগুলো ঘোরার জন্য গাড়ী। তাকে বাজেট টাও বললাম। আমার লিস্ট দেখে প্রথমে তার মাথায় হাত। পরে বাজেট শুনে বলেই বসল – “অসম্ভব”। কিন্তু তার তো আইডিয়া নেই অামি অনন্ত জলিলের দেশের লোক। অসম্ভবকে সম্ভব করাই…এনিওয়েজ দুপক্ষের কিছু ছাড়ের মাধ্যমেই সব ওই গাড়ীতে বসেই কনফার্ম করে একটা স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললাম। রাত ৯ টার আগেই শিলং পৌছলাম।

আসলে এভাবে লিখলে লেখা শেষ হবেনা। শুধুই এতটুকু বলব, পাহাড়, বৃষ্টি, মেঘ, খাওয়াদাওয়া, সবুজ পরিবেশ, এডভেঞ্চার সব মিলিয়ে এই ৬ রাত ৭ দিনের একটা রোমাঞ্চকর সলো ট্রিপ ছিল। এককথায় AMAZING. আমি এখন আপনাদের জন্য দিন তারিখ সহ একটা লিস্ট দিব কোথায় কোথায় আমি গেছি। আর সাথে কিছু ছবি দিব। সাথে রেটিংও দিব আামার কোন জায়গা কেমন লাগল। যদি কারও কিছু (খরচা বা অন্যান্য) জানার থাকে, কমেন্টে জানাবেন। যতটুকু পারি হেল্প করব। শুধু এতটুকু বলে দেই…যান ঘুরে আসেন।

Source: Kuldeep Dutta <Travelers of Bangladesh (ToB)

24 Jun 2019

চট্রগ্রামের মিরসরাইয়ে অবস্থিত বাংলাদেশের অন্যতম কৃত্রিম হৃদ।
মিরসরাইয়ের দুর্গাপুর ইউনিয়নের ঠাকুরদিঘী বাজার থেকে মাত্র দুই কিলোমিটার দূরে পাহাড়ের কোলে ১১ বর্গ কিলোমিটার জায়গাজুড়ে মহামায়া লেক গড়ে উঠেছে।
লেকের টলটলে পানি আর পাহাড়ের মিতালী ছাড়াও এখানে পাহাড়ি গুহা, রাবার ড্যাম ও অনিন্দ্য সুন্দর ঝর্ণা রয়েছে।

বোটে চড়ে লেকে ঘুরার পাশাপাশি চাইলে পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা ঝর্ণার শীতল পানিতে ভিজে শরীর ও মনকে অপার্থিব প্রশান্তি দিতে পারেন।
মহামায়া লেকে আছে কায়াকিং করার সুবিধা এবং চাইলে তাবুতে রাতে ক্যাম্পিং করে থাকতেও পারবেন। বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিয়ন্ত্রণে থাকা মহামায়া লেকটির পানির কিছু অংশ পার্শ্ববর্তী এলাকায় সেঁচের কাজে ব্যবহৃত হয়।

Source: Robel KhanBangladesh<Travel Group (BTG)

24 Jun 2019

বাংলাদেশের একমাত্র পাহাড়ি দ্বীপ মহেশখালী কক্সবাজার থেকে মাত্র ১২ কিলোমিটার দূরত্বে অবস্থিত। জনশ্রুতি আছে,১৫৫৯ সালের প্রচন্ড ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসের ফলে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে এই দ্বীপের সৃষ্টি হয়।পান,মাছ,শুটকি,চিংড়ি,লবণ ও মুক্তা উৎপাদনে এই উপজেলার সুনাম রয়েছে। মহেশখালী উপজেলায় সোনাদিয়া,ধলঘাটা ও মাতারবাড়ি নামে তিনটি ছোট দ্বীপ রয়েছে।

সোনাদিয়া এদের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দর। এই দ্বীপটির আয়তন প্রায় ৯ বর্গ কিমি। তিন দিকে সমুদ্র সৈকত, সাগর লতায় ঢাকা বালিয়াড়ি, কেয়া- নিশিন্দার ঝোপ, ছোট-বড় খাল বিশিষ্ট প্যারাবন এবং বিচিত্র প্রজাতির জলাচর পাখি দ্বীপটিকে করেছে অনন্য বৈশিষ্ট্যমন্ডিত।দ্বীপের মূল আকর্ষণ সম্ভবত স্বচ্ছ নীল পানি আর সমগ্র সৈকত জূড়ে ছোটাছুটি করা অসংখ্য লাল কাকড়া। সোনাদিয়া দ্বীপের মানব বসতির ইতিহাস মাত্র ১০০-১২৫ বছরের।দ্বীপটি ২টি পাড়ায় বিভক্ত। পূর্ব ও পশ্চিম পাড়া। দ্বীপের মোট জনবসতি প্রায় ২০০০ জন। এই দ্বীপে ২টি মসজিদ, ১টি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ১টি সাইক্লোন সেন্টার, আনুমানিক ১২টি গভীর নলকূপ রয়েছে। পূর্ব পাড়ায় তুলনামূলকভাবে জনবসতি বেশী।

ক্যাম্পিং করার জন্য আদর্শ একটা জায়গা এই সোনাদিয়া, বন্ধুরা মিলে তাবু নিয়ে দুইদিনের জন্য ছুটে যেতে পারেন নির্জন এই দুটি দ্বীপে। বিশেষ করে চাঁদনী রাতে সোনাদিয়ার সৈকতে একটা রাত ক্যাম্পিং আর বার বি কিউ পার্টি করে দেখতে পারেন, দেখুন দুনিয়াটা কত সুন্দর।গত বছর ১৯ জনের দল নিয়ে আমারো সুযোগ হয়েছিলো এই অপার্থিব সৌন্দর্য উপভোগ করার। সেই সুবাদে এই ভ্রমণ বৃত্তান্ত রচনা!

টিওবির নিয়মানুযায়ী এখানে ৫টার বেশি ছবি দেয়া সম্ভব হলো না।তবে এই স্থানের প্রকৃত সৌন্দর্য বোঝার জন্য আপনার নিচের এলবামটা দেখা উচিতঃ

কীভাবে যাবেন?
মহেশখালী-সোনাদিয়া যাওয়ার জন্য আপনাকে আগে চট্টগ্রাম আসতে হবে। চট্টগ্রাম থেকে আপনি দুই ভাবে যেতে পারেন।নৌপথে আর সড়ক পথে।

নৌপথঃ
চট্টগ্রাম থেকে আপনাকে সরাসরি যেতে হবে কক্সবাজার।দামপারা আর নতুন ব্রিজ থেকে অনেক বাস আছে।ভাড়া ২৫০ টাকা জনপ্রতি।আনুমানিক ৪ ঘণ্টায় আপনি পৌঁছে যাবেন।কক্সবাজারের ডলফিন মোড়ে নেমে রিকশা/সিএনজি/টমটম নিয়ে আপনাকে যেতে হবে ৬ নং ঘাট।এক্ষেত্রে টমটম/সিএঞ্জি ১০০ টাকা আর রিকশা ৫০ টাকা ভাড়া নিবে।সেখানে মহেশখালী যাওয়ার জন্যে স্পীড বোট পাবেন। ভাড়া প্রতিজন ৭৫ টাকা। মহেশখালী ঘাটে পৌঁছতে সময় লাগবে ১২-১৫ মিনিট। স্পীড বোটে চড়তে ভয় লাগলে গাছের বোটে চড়ে আসতে পারেন। ভাড়া ৩০ টাকা। সময় লাগবে ৪৫-৫০ মিনিট। মহেশখালী ঘাটে নেমে রিক্সা নিয়ে চলে আসবেন গোরকঘাটা বাজার। ভাড়া ২০ টাকা। এরপর আপনাকে যেতে হবে ঘটিভাঙ্গায়।মহেশখালীর গোরকঘাটা থেকে ঘটিভাঙার দূরত্ব ২৪ কিলোমিটার। ৩-৪ জন হলে একটা সিএনজি নিয়ে যেতে পারেন ঘটিভাঙ্গা। ভাড়া ১৫০-১৭০ টাকা।ঘটিভাঙা নেমে খেয়া নৌকায় সোনাদিয়া চ্যানেল পার হলেই সোনাদিয়া। ভাটার সময় খালে খুব বেশি পানি থাকেনা। সোনাদিয়া যাওয়ার দুটো উপায় আছে। হেঁটে যাওয়া অথবা জোয়ার এলে নৌকা। প্রতিদিন জোয়ারের সময় পশ্চিম সোনাদিয়া থেকে ঘটিভাঙা পর্যন্ত মাত্র একবার একটি ট্রলার ছেড়ে আসে। এই ট্রলারটিই কিছুক্ষণের মধ্যে যাত্রীদের তুলে নিয়ে আবার ফিরতি যাত্রা করে। ভাড়া প্রতিজন ২৫ টাকা।

সড়কপথঃ
চট্টগ্রামের নতুন ব্রিজ থেকে চকরিয়া বা কক্সবাজারগামী যেকোনো বাসে উঠে যেতে হবে।নামতে হবে চকরিয়া বাস টার্মিনালে।সময় লাগবে প্রায় ৩ ঘন্টা। জনপ্রতি ভাড়া ১৭০ টাকা।সেখান থেকে চাঁদের গাড়ী বা জিপ নিয়ে আপনাকে যেতে হবে বদরখালী।এখানে জনপ্রতি ভাড়া ৫০ টাকা করে আর পুরো গাড়ী রিজার্ভ করলে ৭০০ টাকা।গাড়িতে ১৩/১৪ জন বসা যায়।চকরিয়া-বদরখালী রাস্তাটা খুবই সুন্দর।বদরখালী পৌঁছাতে প্রায় ৪০ মিনিট লাগবে।সেখান থেকে আবার সিএনজি করে আপনাকে যেতে হবে মহেশখালীর ঘটিভাঙ্গা।এটা প্রায় ১.৫ ঘন্টা সময় নিবে।পুরো সিএঞ্জি ভাড়া নিবে প্রায় ৪০০ টাকা করে।এরপর আগের পদ্ধতিতে আপনি সোনাদিয়া যেতে পারেন।

আমার পথঃ
এবার আসি আমি কোন পথ অবলম্বন করেছি সে কথায়।যাওয়ার সময় আমি নৌপথে গিয়েছি।তবে এক্ষেত্রে আমি কক্সবাজারের ৬ নং ঘাট থেকে ২ দিনের জন্য একটা ট্রলার রিজার্ভ করে নেই এবং মহেশখালী না গিয়ে সরাসরি সোনাদিয়া চলে যাই। এক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে,আমরা নিজেদের ইচ্ছা মতন নৌকা নিয়ে আসে পাশের আরো অনেক চড় ঘুরে দেখার সুযোগ পেয়েছি।পরদিন একই নৌকা আমাদেরকে মহেশখালী নামিয়ে দেয়। ফেরার সময় আমরা সড়ক পথে ফিরে যাই।এতে করে সড়ক ও নৌপথ,২টার মজাই পাওয়া যাবে।আমাদের কাছে ২ দিনের ট্রলার ভাড়া নিয়েছিলো ৪০০০ টাকা।এতে প্রায় ২৫ জন বসা যাবে।

কোথায় ঘুরবেন?

মহেশখালীঃ মহেশখালীতে ঘুরার জন্য টমটম সবচেয়ে ভালো।আমরা সারাদিন ঘুরার জন্য টমটম রিজার্ভ করে নেই।একটা টমট্মে ৮ জন বসতে পারে।আমাদের কাছে পুরো দিনের জন্য ভাড়া নিয়েছে ৮০০ টাকা।মহেশখালীর নিচের স্থানগুলো ঘুরা আবশ্যক।
১।আদিনাথ মন্দির
২।বৌদ্ধ মন্দির
৩।স্বর্ণ মন্দির
৪।মহেশখালী ঘাট
৫।পানের বরজ
৬।রাখাইন পাড়া
৭।সমুদ্র সৈকত
৮।শুটকি বাজার

সোনাদিয়াঃ সোনাদিয়া মূলত ২টি পাড়ায় বিভক্ত।পূর্ব পাড়া আর পশ্চিম পাড়া।মূল বসতি ও ক্যাম্পসাইট হলো পশ্চিম পাড়ায়। পূর্ব পাড়াটা নৌকা দিয়ে যাওয়ার সময়ই ঘুরে ফেলতে হবে।নৌকা আধা ঘণ্টার জন্য ভিড়ীয়ে ঘুরে ফেলে আবার পশ্চিম পাড়া চলে গেলে ভালো হয়। কারণ পায়ে হেটে পূর্ব পাড়া হতে পশ্চিম পাড়া যাওয়াটা বেশ কষ্টসাধ্য।
পশ্চিম পাড়া সৈকতেই মূলত আপনাকে টেন্ট সেট করতে হবে।যদিও এখানে টেন্ট ভাড়া পাওয়া যায়,তবে আমরা সাথে করে নিয়ে গিয়েছিলাম।পশ্চিম পাড়ায় আছে কাছিম প্রজনন কেন্দ্র।সিজনে আসলে আপনি এখানে কাছিম দেখতে পাবেন।এছাড়াও আছে শুটকিপল্লী যা দেশের সর্ববৃহৎ শুটকি উৎপাদন কেন্দ্র।এখানে আপনি সরাসরি মাঠে রোদ থেকে নিজের পছন্দ মত শুটকি বাছাই করে কিনে নিতে পারবেন।আবার এর পেছনের দিকে সামান্য সোয়াম্প ফরেস্টও আছে।

কোথায় খাবেন?
মহেশখালিতে তো আপনি অনেক হোটেল পাবেন খাওয়ার জন্য,কিন্তু সোনাদিয়া তে হোটেল তো দূরে থাক,কোন টং দোকানও পাবেন না।তাই এক্ষেত্রে আপনাকে স্থানীয় কোন বাড়িতে খাবারের ব্যাবস্থা করতে হবে।আমরা সৈকতের কাছেই সাইফুল ভাই এর বাড়িতে খাবারের আয়োজন করেছি।খাবারের পাশাপাশি তাদের বাথরুম ব্যবহার করেছি আমরা।এছাড়া ওই বাড়ির দুইজন সিকিউরিটি গার্ড হিসেবে সারা রাত আমাদের তাঁবু পাহাড়ায় ছিলো।এগুলোর সাথে আমাদের ১৯ জনের ৩ বেলা খাবার বাবদ তাকে মোট ৮০০০ টাকা দিতে হয়েছে।খাবারের মেনু ছিলো কোড়াল মাছ,শুটকি ভর্তা,আলু ভর্তা,ডাল।কারো লাগলে সাইফুল ভাই এর সাথে যোগাযোগ করতে পারেন- ০১৮৫০৩৯৩৪৬৩। তিনিই আমাদেরকে ট্রলার ঠিক করে দিয়েছিলেন।

সতর্কতাঃ
১।কক্সবাজারের মত মহেশখালী/সোনাদিয়ার সৈকতে ডেইঞ্জার পয়েন্ট চিহ্নিত করা নেই।নেই কোন রেসকিউ টিম।তাই সাগরে নামার সময় সাবধানে থাকুন।
২।সোনাদিয়ার পুরো দ্বীপে কোন দোকানপাট বা বাজার পাবেন না।তাই প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র আগে থেকেই নিয়ে আসুন।
৩।সোনাদিয়ায় বিদ্যুত নাই।তাই পাওয়ার ব্যাংক আবশ্যক।
৪।স্থানীয় মানুষজন খুবই অতিথিপরায়ণ।তবু এদের সাথে কোন তর্কাতর্কিতে না যাওয়াই ভালো।
৫।চট্টগ্রামের আঞ্চলিক ভাষায় দক্ষতা না থাকলে যোগাযোগে আপনার বেশ ঝামেলা পোহাতে হতে পারে।
৬।জোয়ার-ভাটার ব্যাপারে বিশেষ জ্ঞান রাখা লাগবে।
Source:  Saadman Ishraque‎ <Travelers of Bangladesh (ToB)

24 Jun 2019

সেকশন বি আনসেন্সরড গ্রুপটা ট্যুরে যাইনা অনেক দিন। ভাবলাম, ভার্সিটি জীবন শেষ বলে কি আমরা আর ট্যুর দিবনা! একসাথে গান, আড্ডা, ঘুরাঘুরি, রাতযাপন হয়না অনেকদিন। তাই আমরা কয়েকটা পাগল মিলে ঠিক করলাম সব যে দিকে যায় যাক, ট্যুরে আমরা যাবই। খুঁজে পেতে আমরা সাতজন হলাম। প্ল্যানিং করতে করতে ঠিক করলাম কক্সবাজার যাব😁(একাধিকবার এখানে যাওয়া হয়েছে, তবুও)। গত ২০জুন দিবাগত রাত ১১টায় সায়দাবাদ থেকে বাসের টিকেট কেটে রওনা দিয়ে দিলাম কক্সবাজারের উদ্দেশ্যে। কিন্তু আপনার টিম যখন একটু পাগলা কিছিমের হবে এবং ট্যুরের আগে ৭/৮টা জায়গার প্ল্যান করে করে আবার যাওয়া জায়গায়ই ট্যুর দেওয়ার চিন্তা করবে, তাদের দ্বারা যেকোন কিছুই হতে পারে😀।

আমরা যখন চকোরিয়ার কাছাকাছি, তখনই হুট করে ম্যানেজার বন্ধু সিদ্ধান্ত নিল যে চকোরিয়া নেমে যাবে। সেখান থেকে কুতুবদিয়া যাবে। যেই ভাবা সেই কাজ, গেলাম নেমে। চকোরিয়াতে দুইটা স্ট্যান্ড আছে যেখান থেকে সিএনজি আর লেগুনা যায় মগনামা ঘাটে৷ বলে রাখা ভাল, কুতুবদিয়া যেতে হলে প্রথমে চকোরিয়া নেমে মগনামা ঘাটে যেতে হবে। প্রথম স্ট্যান্ড থেকে লেগুনা যায় জনপ্রতি ৪০ টাকা করে। তবে আমরা চকোরিয়া বাস স্ট্যান্ড থেকে সিএনজি রিজার্ভ করে যাই, প্রতি সিএনজি ৩০০ টাকা করে দুইটা সিএনজি নিই। মগনামা ঘাটে পৌঁছে আপনাকে ঘাট ভাড়া দিতে হবে জনপ্রতি ৩ টাকা করে। তারপর কুতুবদিয়া যেতে হলে আপনাকে কুতুবদিয়া নদী পার হতে হবে। ট্রলারে গেলে ৪০মিনিটের মত লাগবে, যেখানে জনপ্রতি ভাড়া ২০ টাকা করে, আর যদি স্পিডবোটে যান তবে জনপ্রতি ভাড়া ৭০টাকা করে।

আপনি চাইলে স্পিডবোট রিজার্ভ করে নিতে পারবেন, সেক্ষেত্রে আপনাকে ৭০০ টাকা দিতে হবে, আর লোক উঠতে পারবেন সর্বোচ্চ ১০ জন। আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে মগনামা ঘাট থেকে কুতুবদিয়ার বড়ঘোপঘাটে যাওয়ার জন্য শুধু একটা স্পিডবোটই আছে (কুতুবদিয়ার আরেকটা ঘাট আছে যেখানে লাইঠাউজ আছে একটা, সেই ঘাটের নাম জানা নেই, সেখানের জন্যও বোট আছে)। যাই হউক, বোটে করে রওনা হয়ে ১০/১২ মিনিটের মধ্যেই পৌঁছে গেলাম বড়ঘোপঘাট। ঐ ঘাটে পৌঁছে আবার জনপ্রতি ৩টাকা করে ঘাট ভাড়া দিতে হবে। সেখান থেকে থেকে ব্যাটারিচালিত অটো করে গেলাম বড়ঘোপঘাট বাজারে। সেখানে সমুদ্রবিলাশ নামে একটা বোর্ডিং আছে, যেটা মূলত প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

আমরা সেটাতেই উঠলাম। একটু বলে কয়ে ৭জন একটা রুমেই উঠলাম। এক দিনের ভাড়া ১৫০০। দুপুরে খাবার সমুদ্রবিলাস হোটেলেই সারলাম। হোটেল থেকে ভিউ এক কথায় মাইন্ড ব্লোয়িং এবং ওদের খাবারের মানও যথেষ্ট ভাল। গরুর মাংসটা সবচে ভাল ছিল। খাওয়াদাওয়া শেষ করে দ্বীপ ঘুরতে বের হলাম। হোটেল থেকে দক্ষিণ দিকে হাঁটা ধরলাম। হাঁটতে হাঁটতে কতক্ষণ যে হাঁটলাম ঠিক খেয়াল নেই। তা প্রায় ২ঘন্টার কাছাকাছি হবে। হাঁটতে হাঁটতে পেয়ে গেলাম বায়ু বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। তবে এই দ্বীপের বিদ্যুতের প্রধান উৎস হচ্ছে সৌরবিদ্যুৎ। নির্দিষ্ট সময় সময় কারেন্ট অফ-অন থাকে। সন্ধ্যায় রুমে ফিরলাম লেগুনা নিয়ে। এই দ্বীপটা মনুষ্যবসতির দ্বীপ, এখানের মানুষের জীবিকার প্রধান উৎস হচ্ছে মাছ ধরা।

স্কুল, কলেজ, থানা সবকিছুই আছে। রয়েছে কুতুবপীরের মাজার, যার নামে নামকরণ হয়েছে এই দ্বীপের। দ্বীপটা পর্যটন এলাকা হয়ে উঠেনি এখনও, যারা একটু অপ্রচলিত ট্যুর দিতে চান তাদের জন্য এটা সেরার মধ্যে একটা অপশন। সমস্যা হচ্ছে স্থানীয়রা সৈকত নোংরা করে রাখে সবধরনের ময়লা ফেলে। আর আপনি সৈকতের আশে পাশে যেখানে সেখানে মনুষ্য বর্জ্য দেখতে পাবেন। এগুলো থেকে সাবধান। মূলত এটা তাদের বসতি এলাকা বলেই এমনটা হয়ে থাকে, পরিষ্কার রাখার বালাই নেই তেমন। তবে এই দ্বীপের যা প্রাকৃতিক দৃশ্য পাবেন আপনি, মনে হবে স্বর্গ। স্থানীয়রা প্রতি শুক্রবার সৈকতের পাশে পশুর হাট বসায়। দ্বীপের আয়তন ২২৫ বর্গকিলোমিটার যেটা সেন্টমার্টিনের তুলনায় প্রায় ২৮গুন বড়।

যাই হউক, পরের দিন রওনা দেয়ার পালা। চকোরিয়া থেকে যেভাবে গিয়েছি, ঠিক সেভাবেই আবার চকোরিয়া পর্যন্ত ব্যাক করলাম। তবে আমাদের এক বন্ধুর অফিস থাকার কারণে সে সেখান থেকে ঢাকায় ব্যাক করে, আর আমরা চলে যাই কক্সবাজার। চকোরিয়া থেকে কক্সবাজারের ভাড়া ৫০টাকা করে। আপনাকে চলতি কোন গাড়িতে উঠে যেতে হবে। কক্সবাজার গিয়ে আমরা ৬ জনে একটা রুম নেই ৮০০ টাকা দিয়ে, দুই দিনের জন্য। তারপর সেখানে ঘুরাঘুরি করে ২৩ তারিখ দিবাগত রাতে ঢাকার বাসে উঠে যাই(কক্সবাজার খুব পরিচিত জায়গা সবার, তাই এখানের ঘুরাঘুরির বর্ণনা আর দিলামনা)। প্রতিটা ট্যুর থেকে ফেরার সময়ই নস্টালজিক হয়ে যাই। ট্যুর শেষ করতে মন চায়না, তবুও করতে হয়। যাই হউক, সবমিলিয়ে আমাদের জনপ্রতি খরচ হয়েছে সাড়ে তিন হাজার টাকা ( ঢাকা থেকে যাওয়া আসার ভাড়া+তিন রাতের হোটেল খরচ+ঘুরাঘুরি+খাওয়া)।

বিঃদ্রঃ কুতুবদিয়া হতে পারে আমাদের পর্যটন শিল্প ও অর্থনীতির বিশাল আধার। আর আমরা যেখানেই যাইনা কেন, ভ্রমণের জায়গা পরিষ্কার রাখব, যেখানে সেখানে ময়লা ফেলবনা। দেশটা আমাদের, পরিষ্কার রাখার দায়িত্বও আমাদের। হ্যাপি ট্রাভেলিং।

Source: Mohammad Jahangir Alam‎ <Travelers of Bangladesh (ToB)

24 Jun 2019

ঢাকা কমলাপুর থেকে রাত ১১টায় পদ্মা এক্সপ্রেসে করে আমরা ৩ জন রাজশাহীর উদ্দেশ্যে রওনা দেই..একজন ব্রাক্ষ্মবাড়িয়া থেকে আর একজন নড়াইল থেকে যোগ দেয় আর আমি ঢাকা থেকেই…যাই হোক ঈদের পরেরদিন রাতে গিয়ে ট্রেনের সিটবিহীন টিকিট কাটলাম ৩৪৫ টাকা দিয়ে প্রত্যেকে..ট্রেনের গেইটের সামনে আড্ডা দিতে দিতে সকাল ৫:৩০ এ রাজশাহী পৌঁছালাম..আর ট্রেনেই এক ভাইয়ের সাথে পরিচয় হলো উনার বাড়িও চাঁপাইনবাবগঞ্জ.. রাজশাহী নেমে আমরা ঐ ভাইয়ের সাথেই চাঁপাইনবাবগঞ্জ যাওয়ার টিকিট কাটলাম…টিকিটের টাকা ঐ ভাই দিল..বললো এত দূর থেকে ঘুরতে আসছেন আর এইটুকু করতে পারবো না..বাসে উঠে চলে গেলাম চাঁপাইনবাবগঞ্জ বিশ্বরোড মোড়ে…সেখানে গিয়ে চা খেলাম তারপর ঐ ভাই আমাদের শিবগঞ্জ যাওয়ার একটা সিএনজি ভাড়া করে দিল…ঐ ভাইকে বিদায় করে চলে গেলাম শিবগঞ্জ..শিবগঞ্জ গিয়ে নাস্তা সেরে নিলাম তারপর আদি চমচম খেলাম…তারপর শিবগঞ্জ থেকে অটোতে করে চলে গেলাম কানসাট বাজারে..সেখানে গিয়ে কানসাট বড় আমের বাজার ঘুরলাম তারপর ভ্যানে করে চলে গেলাম কানসাট জমিদারবাড়ি.. বাড়িটি দূর থেকেই দেখতে হলো কারণ বাড়িটি ঝুঁকিপূর্ণ ছিল তাই…তারপর সেখান থেকে একটা অটো ভ্যান ভাড়া করলাম রিজার্ভ উনি আমাদের ছোট সোনা মসজিদ নিয়ে গেল…খুব সুন্দর মসজিদের কারুকার্য.. সেখান থেকে নিয়ে গেল তাহখানা আর পাশেই ছিল তিনগম্বুজ মসজিদ..এইসব কিছু ঘুরে চলে গেলাম সোনা মসজিদ জিরো পয়েন্ট সেখান থেকে ইন্ডিয়া শুরু ও শেষ আর বাংলাদেশ শুরু ও শেষ..যাক সেখান থেকে ঘুরে চলে গেলাম আরেকটি প্রত্নতত্ত্ব মসজিদ খনিয়াদীঘি মসজিদ..স্থানীয়রা চামচিকা মসজিদ নামে চিনে…সেখান থেকে ঘুরে ঐ ভ্যানওয়ালাকে বিদাই দেই..তারপর অটো রিজার্ভ করে চলে যাই ভোলাহাট উপজেলায়…সেখানে আমার এক ফ্রেন্ড থাকে আমরা মূলত ওরর বাসায় থাকবো রাতে…ঐখানে গিয়ে দুপুরের খাবার খাই..তারপর ওদের গ্রাম ঘুরে আমাদের নিয়ে যায় মহানন্দা নদীর ধারে..খুব ভালো লাগল বিকাপ বেলাটা ঐখানে কাটাতে…ঐ নদীর পাড় থেকে ইন্ডিয়ার মালদা দেখা যায় খুবই কাছে…নদীতে নৌকায় কিছুক্ষণ ঘুরে বাসায় ফিরে আসি…তারপর আবার বের হয়ে ঐখানকার আমের আড়ত ঘুরাঘুরি করি…এইখান থেকে ট্রাকে ট্রাকে আম বিভিন্ন জেলায় যায়..তারপর ঘুরা শেষ করে বাসায় এসে খাওয়া দাওয়া করে ঘুম দেওয়ার প্রস্তুতি নেই…আমি ঘুমেছিলাম মাটির ঘরে.. আহ কি শান্তির ঘুম…সকালে উঠতে হবে যেতে হবে দ্বিতীয় গন্তব্যে রাজশাহী জেলা…
১ম দিনের খরচ(৭.৬.২০১৯):
সব মিলিয়ে আমাদের ৩ জনের খরচ হয়েছিল ২৬৪০÷৩=৮৮০

Source:  Robiiul Islam Noor < Travelers of Bangladesh (ToB)

23 Jun 2019

এই পথ যদি শেষ না হয়, তবে কেমন হতো তুমি বলোতো? এখানে গেলে ঠিক এ গানটিই আপনি মনের অজান্তে গুনগুনিয়ে গেয়ে উঠবেন।প্রায় ১ কিমি আঁকাবাঁকা রাস্তার দুধার জুড়ে শুধুই দেখা মিলবে সারি সারি তালগাছ। মনে হবে আপনি যেনো তালগাছের কোন এক সাম্রাজ্যে চলে এসেছেন।আর এ সাম্রাজ্যের অধিপতি গহের আলী। মহানুভব এ ব্যক্তি টি নওগাঁ জেলায় প্রায় ১২০০০ তালগাছ লাগিয়েছিলেন। পেশায় তিনি ছিলেন একজন ভিক্ষুক।উচ্চমূল্যের চারাগাছ কেনা তার পক্ষে সম্ভবপর ছিলোনা। তাই মানুষের বাড়ি গিয়ে তালগাছের আঁটি ভিক্ষা চাইতেন। আর পরে সেই আঁটি রাস্তার দুধারে বপন করতেন। আর এ কাজের স্বীকৃতস্বরুপ ২০১০ সালে তিনি পান পরিবেশ পদক পান।

আপনি যদি সাইকেল, মোটরবাইক বা কার প্রেমিক হোন তাহলে এ রাস্তায় একবার আপনার বাহন সহ ভ্রমন করার সুযোগ মিস করা উচিত হবেনা।মনের মানুষ কে সাথে নিয়ে কিছুক্ষন এ স্বপ্নের সাজানো রাস্তায় হাতে হাত ধরে অজানার উদ্দেশ্য পাড়ি জমাতে পারেন।এর ফলে পাবেন কিছু আনন্দ ময় অভিজ্ঞতা। জীবনে আর কয়দিনই বা বাচবেন বলুন।তাই প্রিয়জন বা বন্ধুর সাথে সুখ ময় সৃতি ও অভিজ্ঞতা রোমন্থন করার জন্যও তো যেতে পারেন এ মনোরম জায়গায়।আপনার বাকেট লিস্টে যোগ করতে পারেন এ জায়গাটি।মনোরম এ রাস্তার দেখা পেতে আপনার যেতে হবে নওগাঁ জেলার নিয়ামতপুর উপজেলার ঘুঘুডাংগা গ্রামে। মাত্র ১ মিনিটের একটি ভিডিও সংযোগ করা আছে।যা দেখে আপনি হয়তো কিছুটা আন্দাজ করতে পারবেন এ জায়গার সৌন্দর্য।

বন্ধু রুবেল হক ও ছোটো ভাই সোহাগকে ধন্যবাদ জানাতে চাই ভিডিও ও ছবি তোলায় সহযোগিতা করার জন্য।
যেভাবে যাবেনঃ ঢাকা থেকে নওগাঁ গামী বাসে এসে নামবেন।নওগাঁ থেকে মান্দাগামী বাসে উঠে মান্দায় নামবেন।সেখান থেকে নিয়ামতপুর উপজেলা আবার বাসে। এর পর সেখান থেকে অটোযোগে ঘুগুডাংগা গ্রাম।

Source: Siddarth Limon‎ <Travelers of Bangladesh (ToB)

23 Jun 2019

ফুলেল পথ পেরিয়ে যখন মাইশুর প্যালেসের গেটের সামনে গিয়ে পৌছালাম, তখন সেখানে বেজায় ভীড়। স্কুল-কলেজ থেকে শুরু করে কিশোর, তরুন, যুবক, মধ্যবয়সী এমনকি বুড়োদের জমজমাট আয়োজন। সবাই যে কেন মাইশুর প্যালেস আসতে চায় সেটা কিছুটা বোঝা যাচ্ছিল। নিশ্চই এমন কিছু যা সবাইকে এখানে আসতে বাধ্য করে। ঠিক মনে নেই, খুব সম্ভবত ২০ বা ৫০ রুপি টিকেট কেটে ঢুকতে হয়েছিল। যাক তবে একটা লখ্য তো পুরন হবে অবশেষে। ঘুরে ঘুরে দেখতে পারবো ইতিহাসের সেই টিপু সলতানের স্মৃতি বিজড়িত কতকিছু।

মুল যে প্রবেশ পথ সেখানে ঢোকার আগে সবাইকে জুতা খুলে, ১০ রুপির বিনিময়ে জুতা রেখে যেতে হয়। আমি আলাদা করে আবার এই ১০ রুপি খরচের মধ্যে নেই, যে কারনে জুতা খুলে পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে নিজের ব্যাকপ্যাকের মধ্যেই ঢুকিয়ে দিলাম। তারপর পিঠে নিয়েই ঢুকে গেলাম প্যালেসের ভিতরে। কিন্তু প্রথমে ভিতরে ঢুকেই আমি চুড়ান্ত রকমের হতাশ হয়ে গেলাম। কারন আমার ধারনায় ছিল যেহেতু রেড ফোরটে ঢুকতেই সম্রাটের সিংহাসন দেখা যায়, দেখা যায় সম্রাটের আরো নানা রকম কিছু, এখানেও তেমনই হবে ধরে নিয়েছিলাম।

কিন্তু হায়, এ আমি কোথায় চলে এলাম? এটা তো টিপু সুলতানের সাথে সম্পর্কিত কোন প্রাসাদ বা স্থাপনা নয়, তাহলে এ আমি কোথায় এলাম? আমি কি তবে ভুল যায়গায় চলে এলাম হেটে হেটে? এমনিতেই তিন ঘণ্টার ট্রেন লেট, তার উপর যদি ভুল জায়গায় চলে এসে থাকি তাহলে তো পুরোটাই ভেস্তে গেল বোধয়! কিন্তু সেই মুহূর্তে আর কিছুই করার নেই, যে পথ দিয়ে প্রবেশ করেছি সেদিকে ফিরে যাওয়ার কোন উপায় নেই দেখে সামনের দিকেই এগোতে লাগলাম সবার সাথে।

নানা রকম অস্রে সজ্জিত আঙিনা, কামান, হোলা বারুদ, প্রাচিন কালের যুদ্ধের নানা রকম কিছু দেখে প্রাসাদের আঙিনা পেরিয়ে মুল ভবনে ঢুকতেই একটু আগের সকল আফসোস দুর হয়ে গেল, দেখে এক অপূর্ব সোনালি, রুপালি বিশাল প্রাসাদের অতিথিশালা ও রংগমঞ্চ। মেঝে থেকে যার ছাদ পাঁচ থেকে ছয় তলা ভবনের সমান উচু। চারপাশে বিশাল বিশাল পিলারের নান্দনিক সাজে সেজে দাড়িয়ে থাকা। যেখানে দুনিয়ার সব রঙ যেন তার বর্ণীলতা বিলিয়ে যাচ্ছে অবিরত।

পুরো প্রাসাদেই সোনালি রঙে রেঙে ঝিলিক দিয়ে যাচ্ছে দিনের আলোর রোশনাইয়ে। আর সেই সোনালী-হলুদের মাঝেই রয়েছে আরো যে কত রকমের রঙের মিশেল বোঝানো মুশকিল। নীল, সবুজ, লাল, গোলাপী, কমলা, মেরুন, ধূসরসহ সব রকমের রঙ আর সব রঙের মিশেল। সেই সাথে ছিল দিনের ঝলমলে আলোর অবিরত বিকিরণ। প্রাসাদের উপরের কাঁচের ছাদ থেকে ভিতরে দিনের আলো পরে সকল কিছু যেন তার রুপের বিচ্ছুরণ আরো বাড়িয়ে দিচ্ছিল।

এই জায়গার যেখানেই তাকাই, সেখানেই যেন চোখ আটকে যায়, আর অন্য কোনদিকে চোখ সরাতে ইচ্ছা হয়না। প্রতিটি কোন, দেয়াল, বাঁক, মেঝে, পিলার, ছাদ, বারান্দা, ঝাড়বাতি, আলোর ঝলকানী, সবকিছুতেই কেমন যেন একটা মাদকতা ছিল। একদিকে তাকালে সেদিকেই তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছা হয়। অন্যদিকে তাকালে তখন সেদিকেই। প্রতিটা যায়গা, প্রতিটা কোণ, প্রতিটা ইঞ্চিতেই কি যেন মায়া, কিসের যেন টান, কি একটা মাদকতায় যেন আটকে ছিলাম অনেক অনেক সময়।

আমি থমকে দাড়িয়েই ছিলাম ঠায়। হুট করে আসা একদল ব্যাস্ত মানুষের ঢল আমাকে সরিয়ে নিয়ে গেল সেখান থেকে। অথচ ইচ্ছা ছিল অনেক অনেকটা সময় সেখানে দাড়িয়ে, দাড়িয়েই থাকি। ভাবছিলাম সেই অত অত বছর আগে এমন অপরুপ কিছু কেউ কিভাবে ভাবলেন, কেন তৈরি করেছিলেন, কি মানসিকতা ছিল তাদের। কতটা বিলাসী আর সৌন্দর্য সচেতন ছিলেন তারা। আমার এইসব ভাবনায় ছেদ ঘটালো একঢল মানুষের চলে আসা।

সেখান থেকে মানুষের স্রোতের সাথে বেরিয়ে উপরের দিকে উঠে গেলাম। বেজায় ভীড় ছিল সেই উপরের তলায়ও। পুরনো নানা রকম কিছু কাঁচের বেড়াজালের ভিতরে। সবাই সেসবের ছবি তোলায় ভীষণ ব্যাস্ত। সেখানে দাড়ানোর ও কোন উপায় না দেখে সিড়ি দিয়ে পেরিয়ে গেলাম সেই সিড়ি আর বেলকোনি।

এবার গিয়ে পৌছালাম আগের পরিয়ে আসা বিশাল প্রাসাদের একদম অন্দরের মধ্যে। এখানে প্রাসাদ যেন পুরো সোনালী সেজে আছে। চারদিকে শুধু সোনালি আলোর ঝলকানি, যেন সোনায় মোড়ানো সবকিছু। আমি আবারো থমকে দাড়িয়ে গেলাম, বলা যায় বাধ্যই হলাম। দেখে অন্দরের এক অপরুপ রুপ। যেন নতুন কোন বাসর সাজিয়ে রেখেছে কেউ, কোন মহারাজের জন্য। এবার আমি ছবি তুলতে লাগলাম ইচ্ছামত। মনের সাধ মিটিয়ে। এর আগে আমি কোন অন্দরের এমন সাজ, এমন আলো, এমন সোনালি সবকিছু দেখিনি। এমন যে কোনকিছু হতে পারে সেটাই কোনদিন ভাবিনি। আমি মুগ্ধ হয়ে শুধু তাকিয়েই ছিলাম অনন্ত সময়।

অন্দরের প্রতিটি জানালা, প্রতিটি পাথর, দেয়াল, আলো বিকিরণের পথ, বেলকোনি, ঝুলে থাকা ঝাড়বাতি, লাল-নীল-হলুদ-সবুজ আর বেগুনি আলোর রোশনায়ের দিকে তাকিয়ে থেকে চোখ ধাঁধিয়ে যায়। যাবে যে কারো। তবুও তাকিয়ে থাকি, ছবি তুলি, অবাক হই, ফিরে যাওয়াক কালে ফিরে ফিরে তাকাই। প্রাচিন কাঠের সিড়ি বেয়ে বেয়ে নিচে নেমে গেলাম মাইশুর প্যালেসের। অবাক করা মুগ্ধ কিছু সময় কেটে গেল খুব অল্প অনায়াসেই।

বাইরে বের হতেই আমাকে একটা না পাওয়া, একটা সুক্ষ আক্ষেপ যেন ঘিরে ধরলো প্রবলভাবে। আরে আমি তো টিপু সুলতানের প্রাসাদ দেখতে চেয়েছিলাম। এটা যদি সেটা না হয়, তবে সেটা কোথায়? মন আমার অস্থির হল, প্রাণ আমার চঞ্চল হল খুঁজে পেতে টিপু সুলতান, তার প্রাসাদ, তার ইতিহাস আর তাকে।
যদি ইতিহাস জানতে চান, তবে আমার গল্প আপনার জন্য নয়। আমি ইতিহাস লিখতে পছন্দ করিনা, কারন ইতিহাস জানতে চাইলে গুগল আছে, উইকি আছে। আমি শুধু কোন যায়গা আমার কেমন লাগলো, কি অনুভূতি হল, সেইসব লিখতেই পছন্দ করি। এছাড়াও ইতিহাস জানার আরও অনেক উপায় আছে। তাই আমার কোন লেখায় ইতিহাস খুজলে হতাশ হতে হবে।
বিশ্বাস করুন আর নাই করুন, আমি যখন কোথাও যাই, সেই যায়গা আর তার চারপাশটাকে নিজের একান্ত আপন বলেই মনে করি। তাই নিজের কোন কিছু কি নোংরা করে ধংস করতে পারি? পারিনা। তাই কখনো কোথাও আমি কোন রকম ময়লা ফেলিনা। সেগুলো ব্যাগের পকেটে রেখে দিয়ে উপযুক্ত যায়গা ফেলে সেখানেই ফেলি। আশা করছি আপনিও এমনটা করবেন। ধন্যবাদ।

Source: Sajol Zahid <Travelers of Bangladesh (ToB)

23 Jun 2019

ঈসা খাঁর রাজধানী সহ নারায়নগঞ্জের প্রত্যেকটি উপজেলায় রয়েছে অসংখ্য ঐতিহাসিক নিদর্শনসহ জানা অজানা অনেক সৌন্দর্যময় স্থান।
নিজের বাড়ি নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জে হওয়ার সুবাদে ২২২ টি গ্রাম ঘুরা না হলেও এর ১৫০+ গ্রাম কখনো না কখনো ঘুরা হয়েছে। সময় পেলে এখনো কোথায় না কোথায় ঘুরে আসি।

রূপগঞ্জ নামকরণের সঠিক ইতিহাস এখনো কারো কাছ থেকে জানতে পারিনি তবে কঠিত আছে রুপবানু নামে একজন প্রভাবশালী জমিদার ছিলেন যার নামানুসারে রূপগঞ্জ নামকরণ।
রূপগঞ্জ নামটা যেমন সুন্দর এর প্রতিটি গ্রাম ও কোন অংশে কম সুন্দর না।
এই উপজেলার প্রধান ও মধ্যবর্তী স্থান দিয়ে প্রবাহিত শীতলক্ষ্যা নদী এছাড়া দক্ষিণ পশ্চিমাংশে বালুনদী ও দক্ষিণ পূর্বাংশে ব্রহ্মপুত্র নদ রূপগঞ্জ উপজেলাকে বিভাজিত করেছে।

রূপগঞ্জ উপজেলার ঐতিহাসিক নিদর্শন ও সৌন্দর্যময় স্থান সমূহ:-

#সরকারি_মুড়াপাড়া_কলেজ #জমিদার_বাড়ি:-

মুড়াপাড়া রাজবাড়িটি ৬২ বিঘা জমির ওপর অবস্থিত। এই জমিদার বাড়িটি তৈরি করেন বাবু রাম রতন ব্যানার্জী যিনি এ অঞ্চলে মুড়াপাড়া জমিদারি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এরপর তার কয়েকজন বংশধর কর্তৃক প্রাসাদটি সংস্কার ও সম্প্রসারণ করা হয়। ১৮৮৯ খ্রিস্টাব্দে জমিদার প্রতাপচন্দ্র ব্যানার্জী এই ভবনের পিছনের অংশ সম্প্রসারণ করেন ও পরিবার নিয়ে এখানেই বসাবাস শুরু করেন।

তার পুত্র বিজয় চন্দ্র ব্যানার্জী ১৮৯৯ খ্রিস্টাব্দে প্রাসাদের সামনের অংশে একটি ভবন নির্মাণ ও ২টি পুকুর খনন করেন। ১৯০৯ খ্রিস্টাব্দে তার দুই পুত্র জগদীশ চন্দ্র ব্যানার্জী ও আশুতোষ চন্দ্র ব্যানার্জী কর্তৃক প্রাসাদের দোতলার কাজ সম্পন্ন হয়।

১৯৪৭ খ্রিস্টাব্দে ভারত উপমহাদেশ বিভক্ত হওয়ার পর জগদীশ চন্দ্র তার পরিবার নিয়ে কলকাতা গমন করেন। এরপর থেকে বাড়িটি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল। ১৯৪৮ খ্রিস্টাব্দে তৎকালীন পাকিস্তান সরকার বাড়িটি দখল নেয় এবং এখানে হাসপাতাল ও কিশোরী সংশোধন কেন্দ্রের কার্যক্রম শুরু করে। ১৯৬৬ খ্রিস্টাব্দে এখানে স্কুল ও কলেজের কার্যক্রম পরিচালনা করা হত। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৮৬ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তর বাড়িটির দায়িত্ব গ্রহণ করে সেটিকে প্রত্নতাত্ত্বিক স্থাপনা হিসেবে তালিকাভুক্ত করে। বর্তমানে এটি সরকারি মুড়াপাড়া কলেজ নামে পরিচিত।

#জামদানি_শাড়ি:-

জামদানি কার্পাস তুলা দিয়ে প্রস্তুত একধরনের পরিধেয় বস্ত্র যার বয়ন পদ্ধতি অনন্য। জামদানী বুননকালে তৃতীয় একটি সূতা দিয়ে নকশা ফুটিয়ে তোলা হয়। মসলিন বয়নে যেমন ন্যূনপক্ষে ৩০০ কাউন্টের সূতা ব্যবহার করা হয়, জামদানি বয়নে সাধারণত ৭০-৮০ কাউন্টের সূতা ব্যবহৃত হয়। হালে জামদানী নানা স্থানে তৈরী করা হয় বটে কিন্তু ঢাকাকেই জামদানির আদি জন্মস্থান বলে গণ্য করা হয়। জামদানী বয়নের অতুলনীয় পদ্ধতি ইউনেস্কো কর্তৃক একটি অনন্যসাধারণ ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেইজ হিসেবে স্বীকৃত হয়েছে।

প্রাচীনকালের মিহি মসলিন কাপড়ের উত্তরাধিকারী হিসেবে জামদানি শাড়ি বাঙ্গালী নারীদের অতি পরিচিত। মসলিনের উপর নকশা করে জামদানি কাপড় তৈরি করা হয়। জামদানি বলতে সাধারণত‍ঃ শাড়িকেই বোঝান হয়। তবে জামদানি দিয়ে নকশী ওড়না, কুর্তা, পাগড়ি, রুমাল, পর্দা প্রভৃতিও তৈরি করা হত। ১৭০০ শতাব্দীতে জামদানি দিয়ে নকশাওয়ালা শেরওয়ানির প্রচলন ছিল। এছাড়া, মুঘল নেপালের আঞ্চলিক পোশাক রাঙ্গার জন্যও জামদানি কাপড় ব্যবহৃত হত।
রূপগঞ্জের অধিকাংশ গ্রামে বিশেষ করে তারাব পৌরসভায় জামদানি তৈরি হয়। এছাড়াও জামদানি তৈরির জন্য বিসিক শিল্প নগরী গড়ে উঠেছে এই পৌরসভার নোয়াপাড়া এলাকায়

#৪০০_বছরের_পুরনো_বটগাছ

কালীগঞ্জের মল্লিকপুরের এশিয়ার বৃহত্তম প্রাচীন বটগাছের পর হয়তো দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে রূপগঞ্জের হিরনালের এই বটগাছ। বটগাছটি এক একর জমি জুড়ে বিদ্যমান। গাছটির বয়স কারও মতে ৪০০ বছর, কারও কারও মতে ৫০০ বছরের উপড়ে। কুলাদি মৌজায় অবস্থিত এ গাছটি হিরনাল বাগবাড়ি বটগাছ নামে বিশেষভাবে পরিচিত।

স্থানীয়দের মতে, গাছটি ৪০০ বছরের পুরনো। রাস্তার ধারে ডাল-পাতায় পরিপূর্ণ গাছটি জনবিরল স্থানে পথিকের বিশ্রামের আশ্রয়স্থল। বটগাছটি একের পর এক ঝুরি নামিয়ে বিরাট আকার ধারণ করেছে। এ স্থানটির মালিক ৩৬০ আউলিয়াদের একজন আল-হাদী (র.)। তিনি ছিলেন মিরপুরের শাহ আলী (র.) বড় ভাই। জনশ্রুতি রয়েছে, প্রায় ৫০০ বছর আগে আল-হাদী (র.) এ এলাকায় বসবাস করেছিলেন। তিনি মারা যাওয়ার পর এটা খাস হয়ে যায়। পূর্বে তিথি অনুযায়ী এখানে পাঁঠাবলি হতো। এ গাছের নিচে একটি স্থায়ী কালীপূজার আসন স্থাপিত হয়েছে। এখনও মানুষ এখানে মানত করে। তবে এখনও পর্যন্ত কারও নজরে আসেনি। কথিত আছে, তৎকালীন জমিদার রামরতন ব্যানার্জি হাতির শূর দিয়ে বটগাছটি টেনে নেয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু পারেনি। বটগাছটির নিয়ে কথা হয় জসিম সরকারের সঙ্গে। তিনি বলেন, ‘বাপ-দাদাগো মুখে হুনতাম এই বটগাছের কথা’। তার মতে, গাছটির বয়স ৫০০ বছরের ওপরে। তবে গায়ের সবচেয়ে বয়োবৃদ্ধ পঁচানব্বই বছর বয়সের নাসির ফকিরের মতে, গাছটির বয়স সাড়ে ৩০০ বছরের ওপরে। তিনি বলেন, ‘আমার বাবা মজিবুর রহমান ওরফে ঠান্ডু ফকিরই বেঁচে গেছেন ১০০ বছর। আমার বাবায় কই তো দাদাও এই গাছটা এমন দেখছে। হিরনাল বাগবাড়ি এলাকার পঞ্চাশোর্ধ রাবিয়া বেগম বলেন, ‘বাজান আমরা ছোটবেলা থেইক্যা এই বটগাছটা দেইহ্যা আইতাছি। অনেক মানুষ এহানে আয়ে। মানত করে। একবার গাছটার মধ্যে আগুন লাগছিল। অনেকখানি পুইড়াও যায়। পরে গ্রামের লোহে আগুন নিভায়।’

তবে বটগাছটির কোন সচেতন পরিচর্যা হয় না। এই বিস্তৃত বটগাছের দৃষ্টিনন্দন প্রাকৃতিক সৌন্দর্য, পাখির কল-কাকলি মুখরিত শীতল পরিবেশ বিমুগ্ধ চিত্তকে বিস্ময় ও আনন্দে অভিভূত করে।

বটগাছটি দেখতে হলে কুড়িল বিশ্বরোড থেকে বাসে কাঞ্চন ব্রিজ যেতে হবে। সেখান থেকে বাসে কিংবা সিএনজি যোগে জিন্দা পার্কের আগে কালনি রোড দিয়ে হিরনালের নয়নাভিরাম এই বটগাছ দেখা যাবে।

#জিন্দা_পার্ক:-

জিন্দা পার্ক বাংলাদেশের একটি বিখ্যাত বিনোদন ও অবকাশ যাপন কেন্দ্র। সাধারণ মানুষের উদ্যোগে এই পার্কটি তৈরী করা হয়েছে। প্রতিদিন প্রচুর পর্যটক এখানে ভ্রমণ করতে আসেন।
প্রায় ৫০০০ সদস্যবিশিষ্ট “অগ্রপথিক পল্লী সমিতি” ১৯৮০ সালে যাত্রা শুরু করে। মূলত এই সংগঠনের অকৃত্রিম প্রচেষ্টার ফলে পার্কটি প্রতিষ্ঠিত হয়।

জিন্দা পার্ক প্রায় ১৫০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তত। এখানে রয়েছে প্রায় ২৫০ প্রজাতির ১০,০০০ এর বেশী গাছ। সুদৃশ্য ভবনগুলো জিন্দা পার্কের সৌন্দর্য্য বৃদ্ধি করেছে। এতে রয়েছে ৫টি বিশালাকার জলাধার। যেখানে পর্যটকরা নৌকায় ঘুরতে পারেন। প্রায় ৪০০০ লোকের আয়ের উৎস এই পার্ক। অপস ক্যাবিনেট, অপস সংসদ এবং অপস কমিশন নামে পার্কটিতে ৩টি পরিচালনা পর্ষদ রয়েছে। তবে রাজউক কর্তৃপক্ষ পার্কের উন্নয়নে সহায়তা প্রদান করার ঘোষণা দিয়েছিলো। পার্কটি প্রতিদিন সকাল ৯টার সময় পর্যটকদের জন্য খুলে দেওয়া হয়।

#আন্তর্জাতিক_বানিজ্য_মেলার_প্যাভিলিয়ন:-
বর্তমানে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা রাজধানীর আগারগাঁওয়ে হলেও জায়গা সংকট ও যানযটের কারণে তা ছড়িয়ে রূপগঞ্জ পূর্বাচলে করার ঘোষণা দেওয়া হয়। ২০১৯ সালে বানিজ্য মেলা পূর্বাচলে হওয়ার ঘোষণা দেওয়া হলেও কাজ অসমাপ্ত ও বিদ্যুৎ না পৌছানোর কারণে তা পিছিয়ে ২০২২ সালে করার সম্ভাব সাল নির্ধারিত হয়।

#পদ্ম_ও_লাল_শাপলার_বিল:-

রূপগঞ্জের অধিকাংশ গ্রামে বর্ষা ও এর পরবর্তী সময়ে বিভিন্ন পুকুর ও বিলে শাপলা দেখা গেলেও একমাত্র দাউদপুরের গ্রামগুলোতে (জিন্দা পার্ক সংলগ্ন) পদ্ম ও লাল শাপলা দেখা যায়। বিস্তৃত বিলজুড়ে পদ্ম ও শাপলা দেখা গেলেও আস্তে আস্তে তা বালির নিচে চাপা পড়ে যাচ্ছে। এলাকার অধিকাংশ মানুষ শাপলা সবজি হিসেবে খায়।

#শীতের_সরিষাক্ষেত:-
প্রাচীন কাল থেকেই এই এলাকার অধিকাংশ মানুষ সরিষা চাষ করে আসছে। বর্তমানে সরষা চাষ লাভজনক না হওয়ায় কৃষকরা ধীরে ধীরে সরিষা চাষ থেকে সরে আসছে

#সংরক্ষিত_বনাঞ্চল:-

বর্তমানে পূর্বাচলের অধিকাংশ এলাকাই একসময় ছিল ছোট ছোট টিলা ও গহিন অরণ্য। এছাড়া বানর, বাঘডাস, শিয়াল সহ অসংখ্য প্রাণীর বাস। পূর্বাচলের আদলে গাছপালা কেটে টিলা সমতল করে এবং বিলে বালি ভরাট করে গড়ে তোলা হচ্ছে আধুনিক শহর পূর্বাচল। বর্তমানে ৩০০ একর বনভূমির জন্য সংরক্ষিত রাখা হলেও অধিকাংশই ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে।

#খেজুরের_রস:-
যেহেতু রূপগঞ্জ উপজেলা প্রত্যেকটি গ্রামেই অনেক গাছপালা রয়েছে সেই তুলনায় খেজুর গাছের পরিমাণ অতি নগন্য হলেও শীতকালে অনেক মানুষের সমাগম দেখা যায় শুধুমাত্র খেজুরের রস খাওয়ার জন্য

#শরতের_কাশফুল:-
রূপগঞ্জ থানার পশ্চিমাংশ থেকে প্রায় পূর্বাচল ৩০০ ফিট বিস্তৃত এলাকা জুড়ে অবস্থিত জলসিড়ি আবাসন প্রকল্প। শরত কালে এই আবাসনের পুরোটাই কাশফুলে ভরে উঠে। যতদূর চোখ যাবে শুধু কাশফুলই দেখা যাবে।

ইচ্ছে হলে সারাদিন ঘুরে শীতলক্ষা নদীতে ঝাঁপাঝাঁপি করে একটু প্রশান্তি নিয়ে যেতে পারেন।

এছাড়াও সড়ক পথে যানযট নিরসনের জন্য উপজেলার ভূলতায় নির্মিত হয়েছে ফ্লাইওভার ও শীতলক্ষা সেতুর উপর নির্মিত উদ্ধোধনের অপেক্ষায় নতুন সেতু।

ঢাকার পার্শ্ববর্তী হলেও সমগ্র রূপগঞ্জ উপজেলা ২/১ দিনে ঘুরা সম্ভব না। থাকার জন্য তেমন কোন ব্যবস্থা না থাকায় আপনাকে ঢাকা থেকেই ভোরে রওনা হয়েছি সারাদিন ঘুরে আবার রাতের মধ্যে বাসায় ফিরতে হবে।

যেভাবে যাবেন:- রাজধানী ঢাকা থেকে সড়কপথে দুইভাবে যাওয়া যায়।
১. কুড়িল থেকে বি আর টি সি বাসে
২. কলাবাগান/গুলিস্তান থেকে মেঘলা/গ্লোরি পরিবহনে
এছাড়া নৌপথে ও যেতে হলে খিলগাঁওয়ের ত্রিমোহনী থেকে ট্রলারে করে কায়েতপাড়া ।
ঢাকা থেকে পুরো রূপগঞ্জ উপজেলা ঘুরতে হলে ২/৩ দিনে সর্বোচ্চ ১৫০০-২০০০ টাকার মতো খরচ হবে।

Source: Shohel Pervez‎ <Travelers of Bangladesh (ToB)

22 Jun 2019

#সুইস গেট
#শহীদ মিনার
#জুমগাঁও
#ছাতক সিমেন্ট কারখানা।
সাথে ভারতের পাহাড়গুলো।

অামাদের ৬ বন্ধুর যাত্রা শুরু হয় সকালবেলা।
সিলেটের কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডে ৪০০ টাকায় সিএনজি রিজার্ভ করে ছাতক বাজারে যাই ( অাপনার চাইলে সিলেট থেকে ট্রেনে অাসতে পারবেন সিলেট স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়ে সকাল ৭ টায় এবং ৮.৩০ টায় ছাতক বাজারে পৌঁছে)।
সেখান থেকে নৌকা করে ছাতকবাজার যাই জনপ্রতি ৫ টাকা। সেখানে সকালবেলার নাস্তা করি জনপ্রতি ৩৫ টাকা করে।
সেখান থেকে অাবার সিএনজি রিজার্ভ করি ১০০০ টাকায় (অাসা+যাওয়া) এবং অামাদের ইচ্ছমতে যেখানে যেমন টাইম ব্যয় করব। ১ম এ যাই অামরা শহীদ মিনারে এবং শহীদ মিনারটা অনেক সুন্দর।(অাকৃতি+ পিছনে পাহাড়গুলো থাকার কারণে।এরপর এখানে এক ঘন্টার মত টাইম বের করে জুমগাঁও যাই।সেখান সবাই অাবার হালকা নাস্তা করে নেই (জনপ্রতি ২০ টাকা)।জুমগাঁও এর বিভিন্ন কিছু দেখে সুইচগেটে যাই।সেখানে গিয়ে পানিতে নেমে পড়ি।অাহ শান্তুি।এখানে ২ ঘন্টা টাইম নেই।গোসল শেষে সিএনজি করে বিকেল ৫ টায় ছাতকবাজারে ফিরি। অাবার নৌকা করে ছাতক বাজারে জনপ্রতি ৫ টাকা।ছাতক বাজার থেকে সিলেট গামী ট্রেন অাছে। সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে ছাড়ে (জনপ্রতি ১০ টাকা)। অামরা ট্রেনে সিলেট ফিরি।অাপনার চাইলে বাস অথবা সিএনজিতে সিলেটের কুমারগাঁও বাসস্ট্যান্ডে অাসতে পারবেন।(জনপ্রতি নিবে বাসে -৪৫ এবং সিএনজি তে ৬৫ এর মত)
সিলেট স্টেশনে ট্রেন থেকে নেমে সিএনজি রিজার্ভ করি পাঁচ ভাই রেস্টুরেন্ট। সেখানে এসে রাতের খাবার খেয়ে নেই (জনপ্রতি ১৩০ টাকা)।

মোট খরচ জনপ্রতি রাতের খাবার সহ-৪৫০

Source: Bappy Mbb <Travelers of Bangladesh (ToB)

22 Jun 2019

কো হং আইল্যান্ড (Koh Hong Island) ন্যাশনাল মেরিন পার্কের অংশ।এইখানে কো হং (Koh Hong) সহ লাও লাহডিং (Lao Lahding), কো পাকবিয়া (Koh Pakbia) এবং কো রাই (Koh Rai) নামে আরো তিনটা আইল্যান্ড আছে।আ নাং (Ao Nang) থেকে স্পিডবোট অথবা লংট্রেইল বোটে করে চারটা আইল্যান্ডে পৌঁছানো যায়।স্পিডবোটে ৩০ মিনিট এবং লংট্রেইল বোটে ৫০ মিনিটের মতো লাগে।কো হং আইল্যান্ডে ফেরী অথবা শীপে করে যেতে পারবেন না।কো হং আইল্যান্ডে শুধু স্পিডবোট আর লংট্রেইল বোট যায়।লাও লাহডিং (Lao Lahding), কো পাকবিয়া (Koh Pakbia) এবং কো রাই (Koh Rai) কো হং আইল্যান্ড (Koh Hong Island) থেকে ২ কিমি দূরে অবস্হিত।

কো হং আইল্যান্ড (Koh Hong Island) এ আপনি স্নোরকেলিং এবং কায়াকিং করতে পারবেন।
কো হং আইল্যান্ড (Koh Hong Island) ক্রাবির সবচেয়ে সুন্দর আইল্যান্ড।

ঢাকা থেকে ০৪.০৬.২০১৯ থাই এয়ারের রাত ২টার ফ্লাইটে উঠে সকাল ৫.২৫ ব্যাংকক পৌঁছাই।ঐ দিনই সকাল ৯.২৫ এর ফ্লাইটে উঠে ব্যাংকক থেকে ক্রাবি পৌঁছাই।ক্রাবি রিসোর্টে ছিলাম।ক্রাবি রিসোর্ট আ নাং (Ao Nang) বিচে।ক্রাবি রিসোর্টে ১২.৩০ এর মধ্যে পৌঁছে যাই। সারা দিন ক্রাবি এবং আ নাং বিচ এবং রাতে ক্রাবির নাইট মার্কেট ঘুরি।পরের দিন সকালে প্রাইভেট স্পিডবোট ট্যুর সারা দিনের প্যাকেজ নেই।ওরা ০৫.০৬ ২০১৯ সকাল ৯টায় আমাদের ক্রাবি রিসোর্ট থেকে পিক করে প্রাইভেট স্পিডবোটে প্রথমে কো হং (Koh Hong) Island নিয়ে যায়।এরপর লাও লাহডিং (Lao Lahding), কো পাকবিয়া (Koh Pakbia) এবং কো রাই (Koh Rai) আইল্যান্ড হয়ে নিয়ে যায় জেমস বন্ড (James Bond Island) এবং ভাইকিং কেভ (Viking Cave)।সেখান থেকে Phang Nga Bay হয়ে কো পেনি (Ko Panyi)।কো পেনি তে অসাধারন সুন্দর কিছু ভাসমান রেস্টুরেন্ট আছে।কো পেনি থেকে ওরা আমাদের ক্রাবি রিসোর্টে নামিয়ে দেয়।

রাতে ক্রাবি লোকাল মার্কেট ঘুরি এবং পরের দিনের ট্যুর প্যাকেজ নেই।প্রাইভেট স্পিডবোট ট্যুর।ওরা ০৬.০৬.২০১৯ সকাল ৮.৩০ মিনিটে ক্রাবি রিসোর্ট থেকে আমাদের পিক করে।প্রথমে আমরা যাই Bamboo Island এরপর মানকি আইল্যান্ড (Monkey Island)।এরপর মায়া বে (Maya Bay)।মায়া বে তে স্পিডবোট থেকে নামতে পারবেন না।যা দেখার স্পিডবোট থেকেই দেখতে হবে।কোরাল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এই জন্য ২০২১ পর্যন্ত Maya Bay বন্ধ।এরপর Long Beach, Loh Dalam Bay, Bamboo island, Laemtong Beach, Pak Nam Bay, Tonsai Bay, Pileh Bay, Baie de Lo হয়ে কো ফি ফি লে (Koh Phi Phi Leh)।কো ফি ফি লে (Koh Phi Phi Leh) তে আপনি কায়াকিং এবং স্নোরকেলিং করতে পারবেন।এরপর সেখান থেকে আমাদের কো ফি ফি ডন (Koh Phi Phi Don) আইল্যান্ডে স্পিডবোট নামিয়ে দেয়।কো ফি ফি ডন (Koh Phi Phi Don) আইল্যান্ডে আমাদের রিসোর্ট ছিল Phi Phi The Beach Resort.অসম্ভব সুন্দর।পরের দিন কো ফি ফি ডন (Koh Phi Phi Don) বিচ ঘুরে ২.৩০ এর ফেরিতে ফুকেট যাই।ফুকেটে বিগ বুদ্ধা টেম্পল দেখে Phuket Airport যাই।রাতের ফ্লাইটে আবার ব্যাংকক যাই।পরের দিন সকালে ব্যাংকক থেকে ট্যাক্সিতে করে পাতায়া যাই।পাতায়াতে আমাদের ভাসায়া বিচ রিসোর্টে বুকিং ছিল।ঐদিন কোরাল আইল্যান্ড(Koral Island)যাই।বিকেলে The Sanctuary of Truth যাই।অসম্ভব সুন্দর স্হাপনা।এরপর The Sanctuary of Truth থেকে যাই পাতায়া (Pattaya) ফ্লোটিং মার্কেটে।সেখান থেকে এসে রিসোর্টে ফ্রেশ হয়ে চলে যাই বিখ্যাত Walking Street (ওয়াকিং স্ট্রিট)।সারা রাত Walking Street এ ঘুরে পরের দিন সকালে ট্যাক্সি করে টাইগার পার্ক এবং টাইগার জু দেখে ব্যাংকক আসি।ব্যাংককে হোটেল উঠি।সারা রাত ব্যাংকক এর লোকাল মার্কেট ঘুরি।পরের দিন সকালে প্রথমে যাই Damnoen Saduak Floating Market এরপর সেখানে থেকে যাই Muangboran The Ancient City (Siam Purba)।

আসুন ভ্রমনে গিয়ে যেখানে সেখানে ময়লা আবর্জনা ফেলা থেকে বিরত থাকি।

Source: Dip Biswas‎ <Travelers of Bangladesh (ToB)