Daily Archives

Wednesday, July 10, 2019

10 Jul 2019

এটা আমার প্রথম লিখা। ভুল ভ্রান্তি ক্ষমা করবেন। মূলত এই গ্রুপটার প্রতি কৃতজ্ঞতা থেকেই লিখার চেষ্টা। হাম হাম ঝর্নার ব্যাপারে এখানে বেশ কিছু পোষ্ট দেখেছি । এখানে দেখেই আসলে যাওয়ার ইচ্ছাটা তৈরী হয়েছে। যেই ব্যাপার গুলো আসলেই জেনে যাওয়া দরকার তার হলো জোঁকের ব্যাপারটা। এককথায় জোঁকের সর্গরাজ্য বলা চলে এই রাজকান্ধি বন কে। জোঁকের ব্যাপারে কি কি প্রস্তুতি নেওয়া দরকার তার প্রায় সবটাই নিয়ে যাই। আর একটা ব্যাপার যেটা গ্রুপ থেকে জানতে পারি তা হলো ঝড়-বৃষ্টি শুরু হলে পথটা কতটা ভয়াবহ হতে পারে তা আসলেই কেউ না দেখলে বিশ্বাস করবেন না। সবকিছু মাথায় রেখেই হামহাম দেখতে যাওয়ার প্ল্যান করি।

প্ল্যান অনুযায়ি বুধবার রাতে আমরা সায়েদাবাদ থেকে হানিফে রউনা দেই। যেহেতু বুধবার উপবন এক্সপ্রেস বন্ধ তাই আমাদের বাসেই যেতে হয়। ঢাকা থেকে মৌলভিবাজার হানিফ/শ্যামলি ভাড়া ৩৮০/= তাছাড়া এনা (মহাখালী থেকে) ভাড়া ৪০০/=
রাত ১২ টায় রউনা দিয়ে পরদিন সকাল ৫ টায় শ্রীমঙ্গল পৌছে যাই। বাস থেকে নামতেই চান্দের গাড়ি দেখতে পাবেন। ভাড়া ঠিক করে নিবেন সারাদিনের জন্য। আমরা ৭ জন ছিলাম, নামার পর আরো ৫ জনের একটা গ্রুপের সাথে দেখা হয় উনারা একটা চান্দের গাড়ি ঠিক করেছে। আমাদের যোগ দিতে বললে আমরাও রাজি হলাম। কিন্তু উনাদের আর একজন আসবেন তাই ২ ঘন্টা দেরি করতে হবে। এতটা দেরি আমাদের কারো সহ্য হলো না। আমরা একটা গাড়ি থিক করে নিলাম ১৮০০ টাকায় সারাদিনের জন্য। বৃহস্পতিবার বলে এত কমে পেয়েছি। ড্রাইভার মামা অনেক ভালো ছিল (খোরশেদ মামা- ০১৭১২৫৩৪০৭১)। সকাল বেলায় খাওয়ার জন্য আমরা চলে যাই পাঁচভাই রেস্টুরেন্ট এ। এখানেও মোটামটি সিলেটের মত করেছে। ৪০ টাকা প্লেট খিচুরি ভিতরে একটা মুরগির পিস সাথে জল্পাই এর একটা চাটনি দিয়ে চমৎকার খাওয়া হয়ে গেল। তারপর যাত্রা শুরু করলাম কলাবন পাড়ার উদ্দেশ্যে। সেখানে পৌছাতে সময় লাগলো ২ ঘন্টা। এখানে এসে ড্রাইভার মামাই আমাদের গাইড দেখায় দিলেন পরিচিত কিন্তু আমাদেরকে বললেন টাকাপয়সার ব্যাপারে কথা বলে নিতে। আমরা কথা বলে ৩৫০ টাকায় গাইড মামাকে রাজি করালাম। এরপর খাবার অউরডার দিয়ে রউনা হলাম হাম হাম এর উদ্দেশ্যে। সকাল থেকে বৃষ্টি হয় নি। আকাশ মাঝে মাঝে মেঘলা হচ্ছে । আমরা আশা করছিলাম যেন বৃষ্টি না হয়। টানা দেড় ঘন্টার পাহাড়ি উচুনিচু পথ। জোঁকের ব্যাপারে সচেতন থাকলেউ মাছির ব্যাপারে ধারনা ছিল না। বৃষ্ট না থাকলে এই মাছি গুলো খুব ঝামেলা করে। এদের আচরনে মনে হয় এরা কখনো মানুষ দেখে নাই। নির্ভয়ে এসেই কামর। তাউ বলবো বৃষ্টির ভয়াবহতা থেকে এইটা ভাল। ঝর্ণা দেখতে অবস্যই আসবেন বর্ষাকালে আর দোয়া করবেন বৃষ্টি যেন না হয়। যাই হোক কষ্ট করে হামহাম ঝর্নায় পৌছানোর পর অবস্যই আপনার কষ্ট স্বার্থক মনে হবে। এক মূহুর্তে সব ক্লান্তি দূর হয়ে যাবে। অবস্যই সপ্তাহের মাঝে কোন দিন যাওয়ার চেষ্টা করবেন। ছুটির দিন গুলোতে প্রচুর মানুষ থাকে। মানুষের ভিরে প্রকৃতির সাথে মিশে যেতে পারবেন না। আর মানুষ বেশি থাকলে বন্য প্রানী যেমন বানর, বনমোরগ, হনুমান ও অনেক পাখির দেখা পাবেন না। যা আমাদের সৌভাগ্য হয়েছিল। চাইলে ভিডিও টা দেখে নিতে পারেন। পুরো পথাটা সম্পর্কে ধারনা পাবেন ।

আমি সব সময় একটা কথা বলি Hope for the best prepare for the worst. We were prepared for the worst situation but luckily got the best weather.
খরচঃ
ঢাকা থেকে শ্রীমঙ্গল বাস = ৩৮০
চান্দের গাড়ি জনপ্রতি পরেছে = ২৬০
গাইডের খরচ জনপ্রতি পরেছে = ৫০
খাবার তিন বেলা জনপ্রতি = ৩০০
রাতে ঢাকা ফেরা পরবে = ৪০০
মোট = ১৩৯০ /=

Source: Rysul Hasan <Travelers of Bangladesh (ToB)

10 Jul 2019

বরিশাল বিভাগ এর পিরোজপুর জেলায়

খরচ যা হয়েছে ঃ- ঢাকা – বরিশাল বাস ৫০০ টাকা

বরিশাল ১ রাত অবস্থান করে পরের দিন ভোর সকালে নুথুল্লাবাদ থেকে বাসে করে সরূপকাঠি ৫০ টাকা ভাড়া

বাস স্ট্যান্ড থেকে ২০ টাকা রিক্সা ভাড়া সরূপকাঠি বাজার এ

বাজার থেকে ২০ টাকা অটো ভাড়া কুড়িয়ানা গ্রামে।

বাজারে নেমে ইঞ্জিন ছাড়া নৌকা ঘন্টায় ২০০ টাকা দরে ভাড়া করে নিলাম আমরা ৩ জন ছিলাম

ঘুরা শেষে কূড়িয়ানা বাজারের ঘরোয়া হোটেলে খেয়ে নিলাম

খাওয়া শেষে অটো করে আটঘর বাজারে চলে এলাম। ভাড়া ২০ টাকা

আটঘর থেকে লেগুনা দিয়ে চলে আসি বরিশাল এর চৌমাথা, নুথুল্লাবাদ। ভাড়া ৪৫ টাকা।

তারপর আমি চলে গেলাম কুয়াকাটা। কিন্তু কেউ চাইলে ৪০০-৫০০ টাকায় লঞ্চের সোফায় করে বরিশাল থেকে ঢাকায় ফিরে আসতে পারবে।

থাকা আর খাওয়া খরচ ছাড়া এই হলো আমার ভাড়া বাবদ খরচ।

আমি আমার ফ্রেন্ড এর বাসায় ছিলাম তাই থাকার টাকা বেচে গেছে। আর কেউ হোটেলে থাকতে চাইলেও চেস্টা করবেন বরিশাল সদর এ থাকার।

তবে থাকা আর খাওয়া খরচ ছাড়া ৩ জনের ৪৫০০ টাকা মতো খরচ হয়েছে মানে জনপ্রতি ১৫০০ টাকা প্রায়

কিছু টিপস ঃ বাজার এর সময় সকাল ৭-১১ টা। এর পর আর ভাসমান বাজার থাকে না।তাই যত সকালে সম্ভব যেতে হবে।

জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পেয়ারার সিজন আর তার পরের কয়েক মাস আমড়ার সিজন। সব চেয়ে ভালো বরষার সিজন এ।

কূড়িয়ানা বাজার এ দুপুরের খাবার খেতে পারেন। খুব চিপ। আমরা ঘরোয়া হোটেলে কই মাছ, ভাত,ডিম আর করলা ভাজি দিয়ে খেয়েছি। ৩ জনের বিল হয়েছে ২৮০ টাকা। খাবার ও ভালো।

ওখান কার পেয়ারা বাগান এর পার্ক আছে প্রবেশ মুল্য ৩০ করে জনপ্রতি। তবে মাঝি মামা কে দিয়ে টাকা দেওয়াবেন উনি কমিয়ে দিয়ে পারবে কথা বলে

আর হ্যা পেয়ারা বাগান এ ঢুকে যত খুশি পেয়ারা নিজের হাতে পেরে খেতে পারেন। কিন্তু আনতে পারবেনা।

সবশেষে গুরুত্বপূর্ণ কথা অবশ্যই ইঞ্জিন ছাড়া নৌকা নিবেন। নইলে জাওয়ার আসল স্বাদ টাই পাবেন না। কারণ ট্রলার বাগান এর এত অল্প পানিতে ভিতরে যেতে পারে না। আপনি নৌকায় করে ঘুরতে চাইলে আমি যে নৌকায় সেটা বেস্ট ছিল। যেমন মাঝি মামার মন আর ব্যবহার টা ভালো তেমন শৈল্পিক ডিজাইন তার নৌকাতে। কেউ যেতে চাইলে কল দিয়ে উনাকে ভাড়া করতে পারেন। নাম ঃকামরুজ্জামান
মোবাইল ঃ০১৭৫৮৭৫৪৯৭২

সব শেষে নুথুল্লাবাদ থেকে ১০ টাকা অটো ভাড়ায় লঞ্চ ঘাট এ এসে খাবার খেয়ে লঞ্চে উঠে পড়ুন। মনে রাখবেন ৯ টার মধ্যে ঢাকার সব লঞ্চ ঘাট থেকে ছেড়ে আসে।

Source: মোঃ সাইফুল ইসলাম‎ <Travelers Of Bangladesh (TOB)

10 Jul 2019

ভারতের মেঘালয় রাজ্যেরা রাজধানী শিলং বেশ জনপ্রিয় একটি পর্যটন শহর। প্রায় ৬,০০০ ফিট উচ্চতায় অবস্থিত শিলং শহর এবং তার আশেপাশে দেখার জন্য অনেক সুন্দর জায়গা আছে। বিশেষত যারা পুরো পরিবার নিয়ে স্বল্প খরচে দেশের বাইরে ঘুরতে যান তারা শিলংকে বেছে নিতে পারেন। বাংলাদেশের সিলেট জেলার সাথেই মেঘালয়ের অবস্থান। পৃথিবীর ২য় সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত হয় চেরাপুঞ্জিতে, যা মেঘালয় রাজ্যের অন্তর্গত। যারা মেঘ, পাহাড়-পর্বত এবং ঝরণা ভালোবাসেন তাদের জন্য মেঘালয় আদর্শ গন্তব্য।

কিভাবে যাবেন:
বিআরটিসির-শ্যামলী বাস: ঢাকা থেকে বিআরটিসি শ্যামলীর গাড়ী ছাড়ে প্রতি বৃহস্পতি বার রাতে এবং ফিরে আসে সোমবার রাত ১০টায়। শিলং যাবার জন্য এটাই শিলং যাবার সবচেয়ে সহজ পদ্ধতি। গাড়ী ভাড়া ৪,০০০ টাকা (রিটার্ন)। এছাড়াও ভিসা ফি ৬০০ টাকা+সার্ভিস চার্জ ৫০০ টাকা। বর্তমানে চার্জ মোট ৫,৬০০ টাকা শ্যামলীতে জমা দিয়ে ভারতের ১-৬ মাসের ভিসা নিতে পারেন। এক্ষেত্রে সুবিধা হচ্ছে ইটোকেন নিতে হবেনা। তবে ৫ কর্মদিবস সময় লাগবে ভিসা পেতে। এছাড়া আপনার যদি ভিসা নেয়া থাকে ডাউকি হয়ে, আপনি শুধু বাসের টিকেট কেটেই যেতে পারেন। মনে রাখবেন ট্রাভেল ট্যাক্স ৫০০ টাকা দিতে হবে, সেটা রওনা দেয়ার আগে সোনালী ব্যাংক থেকে দিয়ে যাওয়াই ভালো।

যোগাযোগ:
০১৭৪৯৯৩৭৫৪৫ (শ্যামলী কমলাপুর আন্তর্জাতিক টার্মিনাল)
বিকল্প পদ্ধতি: আপনি যদি শ্যামলীর রুটে স্বাচ্ছন্দ বোধ না করেন, অথবা আপনার সাথে সময় না মিলে তাহলে নিজে নিজে ভিন্নভাবে যেতে পারেন। ঢাকা থেকে সিলেট রাতের বাসে চলে যান (ভাড়া নন-এসি ৪৭০ টাকা এসি ১২০০ টাকা) সকালে সিলেট নেমে সিএনজি বা গাড়ী ভাড়া করে চলে যান তামাবিল। বর্ডার পার হয়ে শিলংয়ের জন্য গাড়ী ভাড়া করুন। বড় ট্যাক্সিতে ৩,০০০ থেকে ৩,২০০ রুপি নিতে পারে। এছাড়া ছোট ট্যাক্সিক্যাবও নিতে পারেন যদি সংখ্যায় কম হন।
ভিসা: ভারতের ভিসার সব ডকুমেন্টই (ন্যাশনাল আইডি, ব্যাংক স্টেটমেন্ট/ডলার এনডোর্স/ক্রেডিট কার্ডের ফটোকপি, লেটার অব ইন্ট্রুডাকশন, ইত্যাদী) লাগবে। আর পোর্ট অব এন্ট্রি এক্সিট ডাউকি সিলেক্ট করুন। বিস্তারিত www.ivacbd.comদেখুন।

কখন যাবেন:
মেঘালয় সারা বছরই যেতে পারেন। তবে পূজার সময়টা এড়িয়ে যেতে পারেন। সেসময় খুব বেশী ভিড় থাকে। আর বর্ষার সময় যাবার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুুতি নিয়ে যান যেমন রেইন কোট, ছাতা ইত্যাদী সংগে নেয়া । কারণ চেরাপুঞ্চিতে অনেক বেশী বৃষ্টিপাত হয়। এছাড়াও ছোট-বাচ্চা থাকলে ডিসেম্বর-জানুয়ারী সময়টা এড়িয়ে যেতে পারেন। কারণ তখন তাপমাত্রা ৩-১০ ডিগ্রী থাকে, তবে বরফ পড়েনা।

কোথায় থাকবেনঃ
মেঘালয়ের পুলিশ বাজারের আসে পাশে অনেকগুলো হোটেল আছে। ভাড়া ৫০০-২০০০ রুপি। খোজাখুজি করে উঠে পড়ুন।

কিছু হোটেলের নাম ও ফোন নাম্বার দিলাম (ভিসার ফরম পূরণ করার সময় কাজে লাগবে):

Hotel Blue Mount Nx1
MawdiangdiangNear NEIGRIHMS Hospital
Shillong – 793018
Contact No. +918259062502 | +919856689450
Hotel Eden Residency,Police bazar
Sameer 8794802541
2505360,2505358,9206100701

Source: VISA for Bangladeshi Passport‎ <Travellers Of Bangladesh

10 Jul 2019

মাত্র দুই দিনে যে কোলকাতা শহর পুরোটা ঘোরা সম্ভব না তা গিয়ে বুঝলাম। ভিসার মেয়াদ শেষের দিকে হওয়ায় কোন কিছু চিন্তা না করেই রওনা দিয়েছিলাম। ঢাকা থেকে শ্যামলী এনআর এ শুক্রবার রাত সোয়া দশটায়। কোলকাকায় পৌছালাম সকালে, শনিবার সকাল সোয়া দশ টায় (বাংলাদেশ সময়)। হ্যা, এক্সাক্ট ১২ ঘন্টায়।

হোটেলে উঠলাম। ফ্রেশ হয়ে নাস্তাটা সেরে নিলাম #কস্তুরি হোটেলে। এরপর একটা ট্যাক্সি নিয়ে বের হলাম ঘুরতে। বেশি বিস্তারিত লিখছি না। বিস্তারিত তো গিয়ে দেখবেন।

দিন ১। প্রথমে গেলাম #ইন্ডিয়ান_মিউজিয়ামে, #নিউমার্কেট হয়ে। ৫০০ রুপি করে টিকেট। এরপর গেলাম #ইডেন_গার্ডেন আর #হাওড়া_ব্রিজ দেখতে। হালকা বৃষ্টির সাথে বাতাসও ছিলো, ভালোই লাগলো হাওড়া ব্রিজের বাতাস। #হাওড়া_রেল_স্টেশনে একটা পলক ফেলে চলে এলাম বিখ্যাত #ভিক্টোরিয়া_মেমোরিয়ালে। সেন্ট্রাল ইওরোপ ঘোরার অভিজ্ঞতা থাকায় বুঝলাম, সম্পুর্ণ ইওরোপিয়ান ধাঁচে তৈরি এই স্থাপত্যটি। একদম অসাধারণ। সাদা মার্বেল পাথরের এই প্যালেস আপনার মনে থেকে যাবে আজীবন। সত্যিই সুন্দর। বাংলাদেশিদের জন্য টিকেট ১০০ রুপি করে, গার্ডেন+মিউজিয়াম। ভিক্টোরিয়া থেকে বেড়িয়ে একটু চা টা খেয়ে মার্কেটিং করলাম হালকা। দাম ভালোই সহনিয় সবকিছুর।

দিন ২। সকালের নাস্তাটা করলাম এক কাশ্মীরির হোটেলে (হোটেলের নাম মারিয়া) সদর স্ট্রিট, দি ভোজ কম্পানির পাশে। এবার রওনা হলাম টেক্সিতে করে রবী ঠাকুরের বাড়িতে। #জোড়াসাঁকোর_ঠাকুরবাড়ি, সাথে রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়। টিকেট কেটে ঢুকতে হবে আর ছবি তুলতে হলে আলাদা কুপন করে নিতে হবে। ঘুরে ঘুরে দেখলাম রবীর আলো কতো প্রখড়। এরপর খেয়ে নেয়ে গেলাম #সায়েন্স_সিটিতে, ১০৮ টাকার টিকেটে সিটিতে ঢুকলাম ক্যাবল কারে করে। পরিবার বা বন্ধুদের সাথে গেলে সায়েন্স সিটিতে একবার যাওয়া উচিৎ, খারাপ লাগবেনা।

দিন ৩ঃ সকাল ৬:০০ টার গাড়িতে রওনা দিয়েছি কোলকাতা থেকে (সৌহার্দ্য তে) এসে নামলাম রাত ৯:০০ টায়।

কোলকাতায় আরও যা দেখার ছিলোঃ
১। মিলেনিয়াম পার্ক
২। ইকো পার্ক
৩। নিক্কো পার্ক
৪। ওয়াক্স মিউজিয়াম
৫। আলিপুর চিড়িয়াখানা
৬। দক্ষিনেশ্বর মন্দির সহ আরও কিছু মন্দির
৬। বোটানিকাল গার্ডেন
৭। কফি হাউজ
৮। কলেজ স্ট্রিট
৯। নিজামস
১০। বিদ্যাসাগর সেতু
১১। বেলুর মঠ ইত্যাদি।
১২। বাড়লা প্লানেটেরিয়াম

সর্বপরি যেটা বলতে পারি, নিউমার্কেট থেকে কিছু কিনলে দামদর করে, ধরমতলার হোটেলগুলোতে থাকলে দু একটা হোটেল দেখে আর ট্যাক্সিতে চললে দামদর করে চলা উচিৎ। আর অবশ্যই যে কোন রকম দালাল হতে সাবধান! সে হোটেলেরই হোক আর মানি এক্সচেন্জেরই হোক।

আর অবশ্যই যেখানেই যান যেহেতু আমরা আমাদের দেশকে উপস্থাপন করি, আমাদের উচিৎ হবে সবার সাথে পর্যটকের মত আচরণ করা এবং টুরিস্ট স্পটকে পরিস্কার রাখা। কোলকাতার লোকজন খুব সহজেই বাংলাদেশের মানুষকে চিনে ফেলে তাই অযথা নিজের পরিচয় লুকিয়ে দেশকে ছোট না করা সম্মানের কাজ হবে।

সবাইকে ধন্যবাদ।

Source:  Sharon Reza >Travelers of Bangladesh (ToB)