Daily Archives

Tuesday, April 30, 2019

30 Apr 2019

মালয়েশিয়ার ফেডারেল সরকারের রাজধানী হিসেবে কুয়ালা লামপুরের জায়গায় পুত্রজায়াকে বেছে নেয়া হয় সেই দেশের অর্থনীতি দ্রুত চাঙ্গা হয়ে ওঠার পর। কুয়ালা লামপুরের ঠিক বাইরেই পুত্রজায়া অবস্থিত এবং এর নামকরণ হয়েছে মালয়েশিয়ার প্রথম প্রধানমন্ত্রী টুঙ্কু আবদুর রহমান পুত্রা এর নামানুসারে। পুত্রজায়াকে এখন প্রাথমিকভাবে মালয়েশিয়ার প্রথম ইন্টেলিজেন্ট গার্ডেন সিটি নামে অভিহিত করা হয় এর স্থাপত্য শিল্পের কারণে। মালয়েশিয়াতে হাজারও পর্যটক প্রতি বছর ঘুরতে যায় এবং পুত্রাজায়ার সৌন্দর্য তাদের মুগ্ধ করে। আজ পুত্রাজায়ার সব বিখ্যাত স্থান গুলোর গল্পই শুনাব।

পুত্রা মসজিদ:

মসজিদ পুত্রা হিসেবেই মসজিদটি অধিক পরিচিত। শহরের এই প্রধান মসজিদের নির্মাণ কাজ ১৯৯৯ সালে শেষ হয়। এটা পারদানা পুত্রা এবং পুত্রাজায়া হ্রদের পাশেই অবস্থিত। রাতে এখানে জ্বালান হয় অসাধারণ বাতি যা এই মসজিদটির সৌন্দর্য বহুগুণে বাড়িয়ে দেয়।

আলামান্ডা পুত্রজায়া:

কোন শহরই সম্পূর্ণ হতে পারে না যদি না সেখানে বিশ্ব মানের শপিং মল না থাকলে। আলামান্ডা পুত্রাজায়া শপিং কমপ্লেক্স শহরে নির্মিত প্রথম শপিং কমপ্লেক্স যেখানে আছে বিভিন্ন ধরনের দোকানপাট, রেস্তোরাঁ, বৌল খেলার পথ, মুভি থিয়েটার এবং একখানি ফুড কোর্ট।

“পুত্রাজায়া – আলামান্ডা”

মিলেনিয়াম মনুমেন্ট:

মালয়েশিয়ার পুত্রজায়ায় অবস্থিত মিলেনিয়াম মনুমেন্ট ঠিক ওয়াশিংটন ডিসির ওয়াশিংটন মনুমেন্টের আদলে তৈরি করা হয়েছে। পুত্রজায়ার জাতীয় মনুমেন্ট হিসেবে বিবেচিত এই মনুমেন্ট একটা ধাতুনির্মিত চতুষ্কোণ স্মৃতিস্তম্ভ। ধাতব প্লেটে চিত্রাঙ্কন করা শ্রীমণ্ডিত এই স্মৃতিস্তম্ভ মালয়েশিয়ার জাতীয় ইতিহাস ও মূহুর্তের ছবি শোভিত রয়েছে।

পুত্রা সেতু:
শহরের অন্যতম প্রধান পুত্রা সেতু ইরানের খাজু সেতুর অনুকরণে তৈরি করা হয়েছে। ৪৩৫ মিটার দীর্ঘ পুত্রা ব্রিজ সরকারের সাথে মিশ্র উন্নত শহর উপকণ্ঠকে যুক্ত করেছে সেইসাথে যুক্ত করেছে পুত্রা স্কোয়ার ও শহরের প্রধান সড়ককে। তিনটি স্তরে এই সেতু নির্মিত হয়েছে। একটিতে মনোরেল, একটিতে যানবাহন ও অন্যটিতে পথচারীরা চলাচল করে।

পুত্রাজায়া হ্রদ:

৬৫০ হেক্টরের জায়গা জুড়ে এই মনুষ্যনির্মিত হ্রদটি নগরীকে ঠাণ্ডা রাখার উদ্দেশ্যে নির্মিত হয়। এটা এখন বিভিন্ন জলক্রীড়ার অন্যতম প্রধান একটি জায়গায় পরিণত হয়েছে। এখানে বোট চ্যাম্পিয়নশিপ এবং এশিয়ান ডিঙি নৌকা বাইচ চ্যাম্পিয়নশিপ প্রতিযোগিতা আয়োজন করা হয়।

স্বাধীনতা স্কয়ার:

পুত্রাজায়া শহরে একটি ঐতিহাসিক নিদর্শন হল স্বাধীনতা স্কয়ার। এই শহর স্কোয়ার পারদানা পুত্রার পরেই অবস্থিত। বিভিন্ন ছুটির দিন গুলোতে এখানে আনন্দ উৎসব আয়োজনের সাথে সাথে বিভিন্ন দিবসে প্যারেডের আয়োজনও থাকে।

হিবিস্কাস গার্ডেন :

হিবিস্কাস গার্ডেন মালয়েশিয়া দেশটির জাতীয় ফুলের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তৈরি করা হয়েছে। এখানে আপনি ২,০০০ বিভিন্ন জাতের হিবিস্কাস পুষ্পগাছ পাবেন। প্রকৃতির অসাধারণ বৈচিত্র্যে হারিয়ে যাবার জন্য এটি যেন এক আদর্শ জায়গা।

Source: https://travelbd.xyz/%E0%A6%AE%E0%A6%BE%E0%A6%B2%E0%A7%9F%E0%A7%87%E0%A6%B6%E0%A6%BF%E0%A7%9F%E0%A6%BE-%E0%A6%AD%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%AE%E0%A6%A3-%E0%A6%AA%E0%A7%81%E0%A6%A4%E0%A7%8D%E0%A6%B0%E0%A6%9C%E0%A6%BE%E0%A7%9F/

30 Apr 2019

বৈশাখের ভিমরুলীঃ

ভিমরুলী বাজার ভাসমান পেয়ারা বাজারের জন্য বিখাত। অগাস্ট-সেপ্টম্বর মাসে পেয়ারা মৌসুমে এখানে প্রচুর পর্যটক ঘুরতে আসে।
সে সময়কার ভিমরুলীর রুপ আমরা মোটামোটি সবাই জানি। একটা কাজে বরিশাল যেতে হবে বিধায় ভাবলাম বৈশাখে কেমন অবস্থা থাকে তা দেখে আসি।

ঝালকাঠি নেমে অটোতে কীর্ত্তিপাশা বাজার। সেখান থেকে আরেক অটোতে করে ভিমরুলী বাজার। ভিমরুলীতে নেমে আমি অবাক। গ্রীষ্মের প্রতাপে ভিমরুলীকে চেনাই যাচ্ছে না।

খালে তেমন পানি নেই। তেমন কোন বাজারও নেই। দুপুর ১১টার সময় কেমন স্তব্ধ, নিরব চারিদিক। এক দোকানে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলাম, এটাই কি ভিমরুলী বাজার? লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে বললো, জ্বি।

কিছু সময় এদিক-ওদিক ঘুরে চলে গেলাম জমিদার বাড়ি।

কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়িঃ

কীর্ত্তিপাশা জমিদার যেতে ভিমরুলী থেকে অটোতে উঠলাম। জমিদার বাড়ি এখন স্কুল হিসেবে ব্যবহৃত হয়। শুক্রবার হওয়ায় কোন মানুষ নেই। অজানা কোন কারনে বাড়ি প্রাঙ্গণে ঢুকেই গা ছমছম করছিলো। ভয়ে ভয়ে পুরো চারপাশ ঘুরে দেখলেও ভিতরে বা ছাদে যাওয়ার সাহস হলো না। বাইরে থেকেই কয়েকটা ছবি তুলে বাজারে চলে আসলাম।

কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়ির ইতিহাস সম্পর্কে কিছুটা জানা যাক, (বাংলা উইকিপিডিয়া থেকে)

“কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়ি প্রতিষ্ঠিত হয় প্রায় একশতক বছর আগে। বিক্রমপুর জমিদারের বংশধরের কিছু অংশ প্রায় ১৯ শতকের শেষ সময়ে ঝালকাঠি জেলার কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯ শতকের প্রথম দিকে বিক্রমপুর জমিদার বংশের রাজা রাম সেনগুপ্ত এই কীর্ত্তিপাশা গ্রামে আসেন। এখানে তিনি তার দুই ছেলের জন্য দুইটি বাড়ি নির্মাণ করেন। বড় ছেলের জন্য পূর্ব বাড়ি যা ছিল ১০ আনা বড় হিস্যা জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত। আর ছোট ছেলের জন্য পূর্ব বাড়ি যা ৬ আনা ছোট হিস্যা জমিদার বাড়ি নামে পরিচিত ছিল। ছোট ছেলের জমিদার বাড়ি অনেক আগেই ধ্বংস হয়ে গেছে। আর বড় ছেলের জমিদার বাড়ির কিছু অংশ টিকে আছে। এই জমিদার বাড়ির জমিদারপুত্রকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়। এবং তার স্ত্রীও তার সাথে মৃত্যুবরণ করেন। পরে তাদেরকে একসাথে সমাধি করা হয়। এখানে এখনো একটি নাট মন্দির, হল ঘর, ছোট ও বড় মন্দির আছে। এই জমিদার বংশের দুজন বিখ্যাত ব্যক্তি হচ্ছেন রোহিনী রায় চৌধুরী ও তপন রায় চৌধুরী।”

গাবখান সেতু দর্শনঃ

গাবখান সেতু সম্পর্কে প্রথম জানতে পারি রকেট স্টীমার লঞ্চ জার্নি নিয়ে বিস্তারিত পড়ার সময়। পিরোজপুরের সন্ধ্যা ও ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীকে সংযোগ করেছে ১৮ কিলোমিটার দৈর্ঘের গাবখান চ্যানেল। বলা হয়ে থাকে, গাবখান চ্যানেল দেশের অন্যতম সুন্দর নৌরুট। সেই লোভ থেকেই সেতু দেখার শখ জাগে। সেতু নিয়ে তাই নেটে আরো ঘাটাঘাটি করে জানতে পারি, সেতুটি অনেক উঁচু এবং সেতুর উপর থেকে অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়।

অটোতে করে সেতুতে উঠার সময়ই টের পেলাম আসলেই অনেক উঁচু। বেশ অনেক সময় ধরে উপরে উঠতে হলো। সেতুর পাশে থাকা বিশাল সব রেইন ট্রি (কড়ই গাছ) একসময় সেতুর উচ্চতার কাছে হার মানলো। সেতু ভালোভাবে দেখার জন্য সেতু পার হয়ে অটো থেকে নেমে পড়লাম, হাঁটা দিলাম সেতুর দিকে।

পায়ে হেঁটে চারপাশ দেখতে দেখতে উঠছিলাম আর অবাক হচ্ছিলাম। দেশের বিভিন্ন জায়গায় কত লুকানো সৌন্দর্য আছে অথচ আমরা তার কিছুই জানি না। ব্রিজে দাঁড়িয়ে জাহাজ ও নৌকার চলাচল দেখলাম। অত উঁচু থেকে দেখতেও বেশ লাগছিলো। ছবি তুলে, ভিডিও করে বাসে উঠতে ব্রিজের এইপাড়ে চলে আসলাম।

যানবাহন নিয়ে ব্রিজে উঠতে টোল দিতে হয়। কয়েকটি ছেলে রাস্তায় দাঁড়িয়ে যানবাহন থামিয়ে টোল আদায় করছে। অনেকেই টোল না দিয়ে চলে যাচ্ছে। টোল তোলার কাহিনী দেখতে দেখতে বরিশালগামী বিআরটিসি বাস চলে আসলো। ঝালকাঠি জেলা ঘোরার সমাপ্তি টেনে চললাম বরিশালে।

যাতায়াতের উপায়ঃ

দেশের যেকোন স্থান থেকে বরিশাল বা ঝালকাঠি। ঝালকাঠি বাসস্ট্যান্ড থেকে কীর্ত্তিপাশা জমিদার বাড়ি/ভিমরুলী বাজার/গাবখান সেতু যাওয়ার অটো পাওয়া যায়। না পেলে লোকাল অটোতে করে কলেজ মোড় চলে যাবেন। সেখান থেকে অটো পাবেন।

বি.দ্র.
১।স্থানীয়দের সাথে এমন কোন আচরন করবো না যেন তারা পরবর্তীতে কোন ট্যুরিস্ট/ট্রাভেলার দেখতে বিরক্ত হয়।
২।লঞ্চে যে ময়লা জমবে চেষ্টা করবেন নিজের কোন পলিথিন বা ব্যাগে জমা রাখতে। লঞ্চের ডাস্টবিনে ফেললে সেগুলো দিনের বেলা নদীতেই ফেলা হয়।

Source: Samiul Hasan Himel‎ <Travelers of Bangladesh (ToB)

30 Apr 2019

ভারত মানেই শত সহস্র বিস্ময়ে পরিপূর্ণ এক দেশ। অনেক ভ্রমণকারীর মত পুরো ভারত ভ্রমণ হয়ে গেলে গোটা বিশ্ব ভ্রমণের স্বাদ পাওয়া যায়। ভারত ভৌগলিক দিক থেকেই বিশাল এক দেশ। এটি আকারে যেমনি বিশাল তেমনি আচারে অনুষ্ঠানে এবং হাজারও বিভিন্নতার মিশেলও ঘটেছে দেশটিতে। পৃথিবীর অন্যতম সাংস্কৃতিক ভাবে সমৃদ্ধ এই দেশটিতে বহু সংস্কৃতির মিলন দেখতে পাওয়া যায়। এখানে প্রতিটি রাজ্যের মানুষের আচার ব্যবহার আলাদা। ভারতের এমনি সেরা সাত সাংস্কৃতিক জায়গা নিয়েই আজকের আয়োজন।

১.ভুবনেশ্বর এবং পুরী

আকর্ষণীয় সব মন্দিরের জন্য ভারতের অন্যতম বিখ্যাত জায়গা হল ভুবনেশ্বর। এখানে রয়েছে প্রায় ৭০০ এর অধিক মন্দির। একাদশ শতকের লিঙ্গরাজ মন্দির, দশম শতাব্দীর মুক্তেশ্বর মন্দির এখানকার সবচাইতে চমৎকার মন্দির, এবং কোন মন্দিরবিহীন অনবদ্য রাজারানি মন্দির। এছাড়াও পুরীর সমুদ্রের ধারে রয়েছে জগন্নাথ দেবের মন্দির। এখানে আয়োজিত রথযাত্রা পুরো ভারত জুড়ে বিখ্যাত। তবে সবচেয়ে নিখুঁতভাবে খোদাই করা মন্দিরটি হল কোণার্ক মন্দির। একটি বিশাল রথের আকারে তৈরি এই মন্দিরটি ইউনেস্কোর ওয়ার্ল্ড হেরিটেজ সাইটের অন্তর্ভুক্ত।

২. ভোপাল

ভোপাল ভারতের এক বিখ্যাত এলাকা। ব্যস্ত পুরোনো বাজার এবং সুন্দর মসজিদের পুরোনো ভোপাল শহর আপনাকে মুঘলদের সময়ে নিয়ে যাবে। মুঘলরা এখানে তৈরি করেছে অসাধারণ সব নিদর্শন। এখানকার গুরুত্বপূর্ণ একটু মসজিদ হল মোতি মসজিদ, যেটি স্থাপত্যের দিক দিয়ে দিল্লীর জামা মসজিদের অনুরূপ। যেটি মূল শহর থেকে ৪০ কিলোমিটার বাইরে ভীমবেটকা এলাকায় অবস্থিত। প্রাচীন রক শেলটার এবং পেণ্টিং এর জন্য বিখ্যাত এটি একটি বিখ্যাত প্রত্নতাত্ত্বিক সাইট।

৩. ফোর্ট কোচি

‘গড’স ওন কান্ট্রি অফ কেরালা।’ – প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে পরিপূর্ণ ভারতের এই শহরটি নিয়ে বিখ্যাত একটি লাইন এটি। শহরের ব্যাকওয়াটার থেকে শুরু করে পুরোনো বীচ সর্বত্র অসাধারণতা দেখতে পাওয়া যায়। তবে এখানকার সেরা জায়গাটি হল কোচি দুর্গ। পর্তুগীজ ধাঁচে গড়ে উঠা এই শহরটিতে আপনি সহজেই ঘুরে ঘুরে দেখে নিতে পারবেন সব কিছু। গতানুগতিক ধারার বাইরের শহর বলে এখানে সব কিছুই ভ্রমণ প্রেমীদের আনন্দ দেবে।

“সাংস্কৃতিক দিক থেকে সমৃদ্ধ ভারতের ৭ টি শহর”

৪. মাইশোর

প্রাসাদের শহর বলেই ভারত জুড়ে পরিচিতি রয়েছে মাইশোরের। মাইশোরের দুটি গর্বের বিষয় হল কারুকার্যখচিত মাইসোর প্যালেস, যেখানে রয়েছে একটি আকর্ষণীয় মিউজিয়াম। যেটু সন্ধেবেলা হাজার হাজার আলোর রশনীতে এক অদ্ভুত সৌন্দর্য উপস্থাপন করে। আর অন্যটি হল বিখ্যাত জগমোহন প্যালেস। যদিও এটিকে এখন একটি আর্ট গ্যালারি বানিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই শহরে আরও পাঁচটি অসাধারণ প্যালেস, অনেক গুলো লেক, গার্ডেন এবং মন্দির রয়েছে।

৫. কোলকাতা

ভারতে এমন কোন শহর যদি থেকে থাকে যাকে এক কথায় গ্র্যান্ড ডেম বলা যায় তাহলে সেটি হল কোলকাতা। কোলকাতার অতীত জানতে হলে ঘুরতে হবে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল, সেন্ট. পল’স ক্যাথ্রিডাল এবং গ্রীক ও রোমান স্থাপত্যের মেলবন্ধনের নিদর্শন রাইটার’স বিল্ডিং। কলকাতার চন্দন নগরের প্রাচীন ফরাসী কলোনিতে রয়েছে প্রচুর সুন্দর সুন্দর বাড়ি, মনুমেন্ট এবং নদীতীরবর্তী স্ট্যান্ড।

৬. জয়পুর

গোলাপী শহর বলে খ্যাত জয়পুর অসাধারণ সমস্ত প্যালেস এবং মনুমেন্টে ভরপুর। শহরের বাইরে প্রাত ১১ কিলোমিটার দূরে বিশালাকার আম্বর ফোর্ট এখানকার একটি মূল আকর্ষণ। বিশেষ করে এর সুসজ্জিত প্রবেশ-তোরণ, জটিল জাফরির কাজ এবং বিশাল শীষ মহলের জন্য এটি প্রশংসিত। এছাড়াও হাওয়া মহল, সিটি প্যালেস, নানান বাজার পায়ে হেঁটে ঘুরে দেখতে পারবেন। এই শহরটি ব্লক প্রিন্টিং ইন্ডাস্ট্রি এবং রঙ-বেরঙের বন্ধনীর কাজের জন্য বিখ্যাত।

৭. উদয়পুর

রোমান্টিক লেকের শহর উদয়পুর সবচেয়ে ভালভাবে দেখা যায় লেক পিচোলাতে নৌকায় চড়ে। এই সৌন্দর্যের ওপর আরও সংযোজন হল সিটি প্যালেস কমপ্লেক্স এবং লেকের মাঝে অবস্থিত অসাধারণ জগ মন্দির। লেকের পাশে গঙ্গার ঘাটের বগোড়ী প্যালেসও অসাধারণ। সন্ধ্যাবেলা এখানে লোকনৃত্য পরিবেশিত হয়। উদয়পুর থেকে হিল স্টেশন মাউন্ট আবু একদিনে ঘুরে আসতে পারবেন, এখানে দেখতে পাবেন দিলওয়ারা টেম্পলের মার্বেল পাথরের অদ্ভুত সূক্ষ্ম খোদাইকার্য।
source: https://travelbd.xyz/বিশ্ব-ভ্রমণ-ভারতের-সাংস্/