Daily Archives

Wednesday, April 24, 2019

24 Apr 2019

শান্তি ও নির্মলতার জন্য নাগাল্যান্ড ভ্রমণ পর্যটন প্রেমীদের জন্য একটি চমৎকার বিকল্প হতে পারে। হিমালয়ের পাদদেশের অভ্যন্তরে প্রতিপালিত নাগাল্যান্ড ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত এক সবচেয়ে সুন্দর রাজ্য। নাগাল্যান্ড পর্যটন বিভিন্ন পর্যটন গন্তব্যস্থল জুড়ে পর্যটকদের একটি বিস্ময়কর সফরের জন্য আহ্বান জানায়।

নাগাল্যান্ডের সংস্কৃতি কিংবদন্তী এবং ইতিহাসের একটি সংমিশ্রন। নাগাল্যান্ডে পর্যটকরা ভারতীয় নাগা সম্প্রদায়ের জাতিগত সংস্কৃতির একটি ঝলক পেতে পারেন। নাগাল্যান্ড ২৫ ডিগ্রী ০৬ মিনিট থেকে ২৭ ডিগ্রী ০৪ মিনিট উত্তর অক্ষাংশ এবং ৯৩ ডিগ্রী ২০ মিনিট থেকে ৯৫ ডিগ্রী ১৫ মিনিট পূর্ব দ্রাঘিমাংশের মধ্যবর্তী স্থানে অবস্থিত। ১৬.৫২৭ বর্গ কিলোমিটার এলাকা দ্বারা আচ্ছাদিত নাগাল্যান্ড একটি স্বাস্থ্যপ্রদ জলবায়ুর আশীর্বাদপ্রাপ্ত। নাগাল্যাণ্ড পর্যটনের ক্ষেত্রে নাগাল্যাণ্ডের মনোরম জলবায়ুর ব্যাপক অবদান রয়েছে।

এই প্রসঙ্গে কিছু গুরুত্বপূর্ণ গন্তব্যস্থলের একটি বিশেষ উল্লেখ দেওয়া হল :–

1.শংগন্যু গ্রাম।
2.কোহিমা গ্রাম।
3.বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ সমাধিক্ষেত্র।
4.জাপফু চূড়া।

এছাড়াও নাগাল্যাণ্ড একটি উন্নত সড়ক ব্যবস্থা দ্বারা ভারতের গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলির সাথে সুসংযুক্ত। সড়ক যোগাযোগ ছাড়াও নাগাল্যাণ্ডে বিমানপথ ও রেলপথের একটি চমৎকার সংযোগ রয়েছে। নাগাল্যাণ্ডের নিজস্ব বিমানবন্দর রয়েছে ডিমাপুরে যা ভারত তথা বিশ্বের বিভিন্ন অংশের বিভিন্ন গন্তব্যের সাথে নিয়মিত বিমান দ্বারা সংযুক্ত। এছাড়াও নাগাল্যান্ডের রেল স্টেশন ডিমাপুরে অবস্থিত। ডিমাপুরের মধ্যে রেলপথ গুয়াহাটির সঙ্গে সংযুক্ত যা ভারতের সকল প্রধান শহরের সাথে সংযুক্ত।

নাগাল্যান্ড পৌঁছানোর উপায়:
গাল্যাণ্ড আসতে ইচ্ছুক পর্যটকরা কিভাবে এখানে পৌঁছবেন সেটা নিয়ে অত্যন্ত উদ্বিগ্ন থাকেন। তবে, এটা উল্লিখিত যে নাগাল্যাণ্ড পরিবহনের একটি চমৎকার মাধ্যম দ্বারা সংযুক্ত। যদিও নাগাল্যাণ্ড হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত, তবে নাগাল্যান্ডে ভ্রমণ সমতলভূমিতে ভ্রমণ করার মতই সহজ।

বস্তুত, নাগাল্যান্ডের বিমানপথ, রেলপথ এবং সড়কপথ এই অঞ্চলে একটি অতুলনীয় পরিষেবা প্রদানের জন্য সুপরিচিত। নাগাল্যাণ্ড পর্যটন একটি উত্তম ও উন্নত সড়ক যোগাযোগের সুবিধাযুক্ত। নাগাল্যাণ্ডের নিজস্ব বিমানবন্দর ডিমাপুরে রয়েছে যা কোহিমা থেকে প্রায় ৭৪ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। ডিমাপুর বিমানবন্দর ভারত তথা বিশ্বের বিভিন্ন অংশের বিভিন্ন গন্তব্যের সাথে নিয়মিত বিমান দ্বারা সংযুক্ত। ভারতীয় বিমানসংস্থা (ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স) এই অঞ্চলে পরিষেবা প্রদান করে। ইন্ডিয়ান এয়ারলাইন্স কলকাতা থেকে কোহিমা পর্যন্ত দৈনিক বিমান পরিচালনা করে। এছাড়াও নাগাল্যান্ডের রেল স্টেশন ডিমাপুরে অবস্থিত। নাগাল্যাণ্ড ভারতীয় রেলওয়ের উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলপথের আওতায় পড়ে।গুয়াহাটি পরিভ্রমণে ইচ্ছুক পর্যটকরা ডিমাপুর থেকে দৈনিক ট্রেন সুবিধা পেতে পারেন। নাগাল্যাণ্ড রাষ্ট্রীয় সীমানার মধ্যে পরিচালিত সবচেয়ে জনপ্রিয় ট্রেন পরিষেবা প্রদান করে শতাব্দী এক্সপ্রেস যা নাগাল্যাণ্ড পৌঁছানোর সমস্যার সমাধান করে।

নাগাল্যাণ্ড এছাড়াও একটি ব্যাপক সড়ক সংযোগের অধিকারী। ডিমাপুর থেকে চলাচলকারী নাগাল্যাণ্ড রাজ্য পরিবহন নাগাল্যাণ্ডের এক সবচেয়ে জনপ্রিয় বাস পরিষেবা। ব্লু হিলস ও ভলভো বাস নাগাল্যান্ডে চলমান কিছু প্রধান বাস পরিষেবা। এই বাসগুলি ছাড়াও সড়ক পরিবহনের অন্যান্য মাধ্যমগুলি হল – মিনি কোচ ও ট্যাক্সি, যা ভ্রমণকারীদের নাগাল্যান্ডের বিভিন্ন গন্তব্যস্থলে পৌঁছাতে সাহায্য করে।

নাগাল্যান্ডের পরিদর্শনমূলক স্থান:
নাগাল্যান্ডের আকর্ষণ তার প্রাকৃতিক অসাধারণ সৌন্দর্যের জন্য সুপরিচিত। নাগাল্যান্ডের বেশীরভাগ পর্যটক আকর্ষণগুলি সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের ধ্বংসাবশেষ এবং সেই স্থানের ঐতিহ্যগত উত্তরাধিকার বহন করে। উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য নাগাল্যান্ড পরিভ্রমণের আদর্শ সময় হল অক্টোবর থেকে মে মাস। নাগাল্যান্ডের খোনোমা দ্বার এই গ্রামের স্থানীয় আদিবাসী বাসিন্দাদের নির্ভীক প্রকৃতিকে প্রতিফলিত করে, যারা ব্রিটিশ অনুপ্রবেশকারীদের থেকে নিজেদের রক্ষা করার জন্য এই বিপুল দ্বার নির্মাণ করেছিলেন। প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যের সাথে অন্বিত খোনোমা দ্বার দূরদূরান্ত থেকে বিভিন্ন পর্যটকদের আকর্ষণ করে।

জুকৌ উপত্যকা প্রকৃতির অনুগ্রহ অনুভব করতে পর্যটকদের একটি চমৎকার সুযোগ প্রদান করে। ২৪৩৮,৪ মিটার উচ্চতায় অবস্থিত জুকৌ উপত্যকা নাগাল্যান্ডের চিত্রানুগ দৃশ্যপটের একটি অসাধারণ দৃশ্য প্রদান করে।

জাপফু চূড়া এই অঞ্চলের উচ্চ পাহাড়ের খাড়া ঢাল স্কেলিং এবং ট্রেকিং-এর জন্য এক আদর্শ গন্তব্য। নাগাল্যান্ডের তুলি শহর তার অনন্য প্রাকৃতিক ঐশ্বর্যের জন্য সুপরিচিত। ভারতের উত্তর পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যের মোককচং জেলায় অবস্থিত,তুলি শহরের নির্মল পারিপার্শ্বিক তার শান্তি ও সতেজতার সাথে দর্শকদের মনকে পুনরুজ্জীবিত করে তোলে।

নাগানিমোরা এই অঞ্চলের বিভিন্ন রোমাঞ্চকর ক্রীড়ার মাধ্যমে পর্যটকদের তাদের সহজাত ক্রীড়া উদ্দীপনা এবং ক্রীড়াবিদ মনোভাব অন্বেষণের একটি সুযোগ প্রদান করে। প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের আশীর্বাদপ্রাপ্ত নাগানিমোরা বিভিন্ন পর্যটকদের আকর্ষণ করে যারা এখানকার মনোরম দৃশ্য দ্বারা শিহরিত হয়।

চাংতংগ্যা এবং মেলুরি নাগাল্যান্ডের বিশিষ্ট পর্যটন গন্তব্য যা সমৃদ্ধ প্রাকৃতিক ঐশ্বর্য দ্বারা অন্বিত। সুনির্মিত সড়ক দ্বারা রাজ্যের সকল প্রান্ত থেকে নাগাল্যান্ডের পর্যটন স্থানগুলি সহজে প্রবেশযোগ্য।

Source: Rashed Khan‎ View Bangladesh The Travelers

24 Apr 2019

এই সময়ে কাশ্মীর যাইয়েন না ভাই, অবস্থা গরম! যাদেরকেই জিজ্ঞেস করেছিলাম এখন কাশ্মীরের অবস্থা কেমন, ভ্রমনে যাওয়া যাবে কিনা, তাদের সবারই ছিলো এই রকম ভাষ্য। মানুষের নিষিদ্ধ বস্তুতে আকর্ষন বেশি! কাশ্মীরে টুরিস্টদের নিরাপত্তা নিয়ে নেটে ঘাঁটাঘাঁটি শুরু করলাম। যতটুকু বুঝলাম কাশ্মীর ভ্রমণকারীদের জন্য নিরাপদ, অনাখাংখিত ঘটনা ছাড়া। সিদ্ধান্ত নিলাম কাশ্মীরেই যাবো। ওঠ ছুড়ি তোর বিয়ে টাইপ সিধান্ত! ধর তক্তা মার পেরেক, কি আছে জীবনে!

বাক্স-পেটরা গুছিয়ে বিমানে উঠলাম। ঢাকা থেকে কলকাতা, কলকাতা থেকে শ্রীনগর। ঢাকার ৩৩ ডিগ্রী থেকে শ্রীনগরের ১২ ডিগ্রী! বিমান থেকেই নেমে গায়ে ঠান্ডা কাঁপুনি দিলো। তার উপর আবার ঝিরিঝিরি বৃষ্টি। বিমান বন্দরের বাইরেই আমাদের গাইড জাভিদ অপেক্ষা করছিলো। গাড়ীতে যেতে যেতেই চারপাশের বাড়িঘরগুলো দেখছিলাম। একটি বাড়ি থেকে অন্য বাড়িটি নির্দিস্ট দুরত্তে বানানো। প্রত্যকটা বাড়ির ছাঁদে টালি বসানো। বিমানবন্দর থেকে আমাদের প্রথমদিন থাকার যায়গা প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে। প্রথমদিন থাকার ব্যাবস্থা শ্রীনগরের বিখ্যাত ডাল লেকের মাঝে নৌকায়! নামেই নৌকা, ছোটখাটো একটা জাহাজ বলা চলে। নৌকায় কাঠের সৌখিন কারুকাজ। থাকার জন্য সব রকমের আধুনিক ব্যাবস্থা। পানির ঢেওয়ে মাঝে মাঝে নৌকাও দুলছে। একটু ফ্রেস হয়েই যাত্রা শুরু করলাম মোঘল গার্ডেনের দিকে। উচু পাহাড়ের উপরে বাগানটি। চারিদিকে মেঘের আড়ালে পাহাড়গুলোর লুকোচুরি। চারিদিকে নানা রঙিন ফুলের সমাহার। উপর থেকে নিচের ডাল লেক আর চারপাশের উচু পাহাড়।

তারপরের যাত্রা কাশ্মীরের বিখ্যাত টিউলিপ বাগানে। এখন বসন্ত ওখানে। যেদিকে তাকাই শুধু লাল, হলুদ, সাদা আরো নানা রঙের টিউলিপ। পাহাড়ের পাদদেশে টিউলিপ বাগানটি আপনার চোখকে আটকে রাখবে। সুবিশাল এই বাগানে এপ্রিলের প্রথম সপ্তাহে টিউলিপ ফেস্টিভ্যাল হয়।

একইদিনে ডাল লেকে শিখারা ভ্রমন মানে নৌকায় করে অপুর্ব ডাল লেকে ভাসমান জীবন দর্শন। নৌকাটা পাংশীর মত। ভিতরে বসার আরামদায়ক সোফা। আশেপাশে ভাসমান বাজারে দোকানীরা পশরা সাজিয়ে বসে আছে। সুন্দর, শুধুই সুন্দর! কয়েক লাইনে লিখে কোন কিছুই বোঝানো যাবেনা।

শেষ বিকেলে, সুর্য যখন গোলাপী আভা ছড়িয়ে পাহাড়ের পিছে চলে যাচ্ছে তখন নৌকা ঘরের বারান্দাতে বসে জীবন্ত ডাল লেক দেখা আর সাথে এক কাপ গরম কফি, বাকিটুকু কল্পনা করে নিন। প্রথম দিন এভাবে স্বপ্নের ঘোরেই শেষ হলো।

দ্বিতীয় দিন সোনমার্গ যাত্রা। আবহাওয়া আবেদনময়ী! যাত্রা পথে রাস্তার পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে বরফ গলা নদী। রাস্তার দু ধারে বরফের উচু পাহাড়। আহা! কি সুন্দর! মাঝে নাস্তা করার জন্য থামলাম। বরফগলা নদীর পাশে হোটেল, বসার যায়গা পাথুরে নদীর পাশে। কুল কুল করে পানি বয়ে যাচ্ছে পাথরের বুক দিয়ে। নাস্তা কি খাবো, সৌন্দর্জ্য খেয়েই কুল পাচ্ছিলাম না! সোনমার্গে গিয়ে দেখলাম বৃষ্টি। জাভিদ বলল, দিল্লীর ফ্যাশন আর কাশ্মীরের মৌসম, মিনিটে মিনিটে বদলায়! সোনমার্গে বেশি ভিতরে গাড়ি যায়না তাই ঘোড়া ঠিক করতে হলো। জীবনে প্রথম ঘোড়ায় চড়ে নিজেকে বেদের মেয়ে জ্যোৎস্না ছবির ইলিয়াস কাঞ্চন মনে হলো। রাস্তার দুপাশে সাদা বরফের পাহাড় আর পাহাড়ের নিচে দিয়ে বলছে কুল কুল স্রোতে নদী সাথে গুড়িগুড়ি বৃষ্টি। ঘোড়া থামিয়ে বরফ মাঝ দিয়ে হেটে চললাম কিছুক্ষণ। তাপমাত্রা তখন -১৫। হাত পা জমে আইসক্রিম!

তৃতীয় দিন যাত্রা শুরু করলাম পেহেলগামের দিকে। ভাবলাম যা সুন্দর তাতো শ্রীনগর আর সোনমার্গেই দেখে ফেলেছি, নতুন আর কি দেখার আছে! ভুল, একদম ভুল। যাত্রা পথে চারপাশে আপেল, সরিষা আর আখরোট বাগান। পেহেলগামে পৌঁছে ঘোড়া ঠিক করতে হলো। ঘোড়ায় চড়ে পাহাড়ে যাত্রা। এবার বরফের পাহাড় নয়, সবুজ আর সবুজ। যেখানে দেখি সেখানেই মনে হয় আরে এই জায়গাতেতো অমুক ছবির শুটিং হয়েছিলো। মাঝে যাত্রা বিরতি পাহাড়ের মাঝে ঝর্নার পাশে। ঝর্নার পাথরে একবার বসলে মনে হয় বসেই থাকি, উঠার কি দরকার! রাতে থাকার ব্যাবস্থা পাহাড়ি লেকের পাশে একটি রিসোর্টে। পাশের পাথুরে লেকে পার করে দিলাম সারাটা বিকেল, সন্ধ্যা হলো, মনে চায়না উঠি। পরের দিন পেহেলগামেই থাকলাম।

পঞ্চম দিনে যাত্রা গুলমার্গে, বরফের রাজ্যে। সাদা আর সাদা। স্লেজ ঠিক করলাম। বরফের ভিতর দিয়ে স্লেজ দিয়ে যাওয়ার সময়ে ছোটবেলার সুপারির খোলে চড়ার কথা মনে পড়লো। আমাদের থাকার ব্যাবস্থা এমন জায়গাতে ছিলো যেখান থেকে জানালা খুললেই চারিদিকে শুধু বরফ আর বরফ।

ষষ্ঠ দিনে আবার শ্রীনগরে দিকে চললাম। জাভিদ কাশ্মীরি শালের দোকানে নিয়ে গেলো। কিছু কেনাকাটা করলাম। পরের দিন সকালে বিদায় দিলাম কাশ্মীরকে।

আমরা যা দেখেছি তার সিকিভাগও এই লেখায় তুলে ধরতে পারিনি। এই সৌন্দর্জ্য ক্যমেরায় ছবির থেকেও সুন্দর। একেকটা স্পট নিয়ে আলাদা করে কয়েক পর্ব লেখা যায়। কাশ্মীরি খাবার, পোশাক, রীতিনীতি নিয়ে তো কিছুই লিখতে পারিনি।

পরিবেশ সচেতনতাঃ কাশ্মীর খুব নিরিবিলি যায়গা। ওখানে পলিথিন নিষিদ্ধ। রাস্তায় কোথাও চিপস বা সিগারেটের প্যাকেট চোখে পড়েনি। প্রতিটি জায়গায় লেখা ছিলো পরিবেশ আপনার, আপনি এর দেখভাল করবেন।

Source: Masud Rana Travelers of Bangladesh (ToB)