Daily Archives

Tuesday, April 9, 2019

9 Apr 2019

স্থানীয় ভাবেই একে নীল পানির লেক বলা হয়। এছাড়া চীনা মাটির পাহাড় ও ঠিক এটার সাথেই। ওখানে গেলে একসাথে দুটোই দেখা হবে।পাহাড়ের উপর কষ্ট করে ওঠার পর লেক টা দেখলে মন ভালো হয়ে যায়। ছুটির দিনগুলো ছাড়া সাধারণত পুরো পাহাড় ই জনশূন্য থাকে।গম্ভীর কষ্টসাধ্য পাহাড়ে এই লেক শান্তির পরশ দেয়।

ঢাকা থেকে দূর্গাপুরের সরাসরি বাস আছে, দূর্গাপুর গিয়ে অটোবাইক বা রিকশা নিয়ে এই লেক ঘুরে আসতে পারেন। ওই এলাকায় আরো আছে গারো পাহাড়, কমলা বাগান, একটু দূরেই সাত শহীদের মাজার।

থাকার জন্য YMCA গেস্ট হাউস বেস্ট। এছাড়াও অনেক গুলো ছোট বড় রেস্ট হাউস আছে।

আর গেলে অবশ্যই গারো পাহাড়ে উঠার সময় বিখ্যাত মালাই চা টেস্ট করতে ভুলবেন না।

হ্যাপি ট্রাভেলিং 💚

ভিডিও লিংক-

 

9 Apr 2019

কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের পাহাড়ঘেষা গ্রামটিই পাতলাবন। নামেই বৈচিত্র্য নামেই ভিন্নতা। ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের কোলঘেষে প্রাকৃতিক নিসর্গে গড়ে উঠা পাতলাবন নামের এই গ্রামটি।

পাহাড়, নদী, বালুচর মিলে এক প্রকৃতির নৈসর্গিক রূপের মিশ্রন পাতলাবন। যাতায়াত দূরাবস্থা আর সম্প্রচার মাধ্যমে দৃষ্টিগোচর হয়নি বলে এখনো অনাবিস্কৃত এ পাতলাবনে এই জায়গাটি।
প্রতিটি বিকেল এখানে সবুজ মাঠ অার বালুচরে ভ্রমণ পিপাসীরা ভিড় করে।

বিছানাকান্দির নাম শুনেছি, তার সৌন্দর্যে পাগল হয়ে ছুটে গিয়েছি কিন্তু জন্মভূমি কলমাকান্দার পাতলাবনের অাবেদন এখনো সকল জায়গার চেয়ে বেশি।

মেঘালয় পাহাড় থেকে বয়ে অাসা নদী মহাদেও এর কূলবর্তী যে অবারিত সবুজ মাঠ, বালুচর, সবুজ ধানক্ষেত মিলে পাতলাবন এই গ্রামটি। সীমান্তে বাংলাদেশ অংশের কিছু কিছু টিলা এতে ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

পাশেই আদিবাসী গারোদের বাস। সন্ধ্যা হলেই অাদিবাসীদের সংস্কৃতি, রীতি নীতি, ডোলের মাদল অাপনাকে ভিন্ন একটি জাতিসত্তার সাথে পরিচয় ঘটাবে। টিলার উপরে বিলুপ্ত প্রায় মাচাঙ ঘরে তাদের বাস। পাহাড় থেকে নদীতে বয়ে অাসা বড় বড় পাথর অার মাচাঙ ঘর এই তাদের ঐতিহ্য।

গারোদের অকৃত্রিম সরলতা, পাহাড়ের নিরবতা, নদীর বহতা, বালুচরের জোছনা আর দুই পাশের গ্রামীণ জনপদ অাপনাকে নিটোল চিত্রের সাথে আলাপ করিয়ে দিবে।

সময় অার ঋতুর সাথে পাতলাবনের রুপ বদলায়। বর্ষায় পাহাড়ি ঢল মহাদেও দুকূল ছাপিয়ে দেয় জলে। অার বৈশাখ মাসে সেখানে হাটু জলে নদী ছড়ায় পরিণত হয়। পাহাড়ি ঝর্নাধারা থেকে বয়ে অাসা সেই স্বচ্ছ জলে অবগাহনে অানন্দ মিলে। যেখানের স্বচ্ছ জলে ছোট ছোট মাছেরা খেলা করে। ছুটে চলা সে মাছ ধরার মজাই আলাদা। পড়ন্ত বিকেলে ছোট ডিঙায় করে ঘুরে বেড়ানোর সুযোগও রয়েছে।

আধুনিক নাগরিক সুবিধা তথা বিজলির আলো পর্যন্ত পৌঁছায়নি এলাকাটিতে। অজপাড়া গাঁ বলতে যা বুঝায়। কিন্তু অভাব নেই প্রাকৃতিক মুক্ত আলো বাতাস আর নৈসর্গিকতর। তবে আধুনিক শিক্ষার আলোয় আলোকিত পাতলাবন।

প্রায় ২০-৫০ জন মেধাবী সন্তান পাতলাবনের কোল থেকে উঠে এসে ঢাকা ইউনিভার্সিটি সহ বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে পড়ালেখা করে দেশের উচ্চ পদে থেকে দেশের সেবায় নিয়োজিত।

এছাড়াও প্রতি বছর এখান থেকে ২-৫ জন শিক্ষার্থী বিভিন্ন ইউনিভার্সিটিতে ভর্তি হয়। বলা হয়ে থাকে প্রাকৃতিক অপার এ সৌন্দর্যই এখানকার সবচেয়ে বড় বিদ্যাপীঠ আলোর আধার।

আশেপাশে আরো কিছু দেখার মত জায়গা রয়েছে। যেগুলোর মধ্যে ভুবনের টিলা, জাইগিরপাড়া, চাঁদ সওদাগরের চন্দ্রডিঙা, পাহাড়ের পাশদিয়ে সীমান্ত সড়কে মোটর বাইক রাইড সব মিলিয়ে ভালো লাগার মন মাতানো পাতলাবন আপনার ভালো না লেগে পারেই না। তাই পাতলাবনের সৌন্দর্য উপভোগ করতে আর দেরী কেন, চলে আসুন যেকোন সময়।

যেভাবে যাবেনঃ
নেত্রকোনা জেলা শহর থেকে ৪০ কিমি উত্তরে ভারত সীমান্তবর্তী কলমাকান্দা উপজেলার রংছাতি ইউনিয়নের পাহাড়ঘেষা এই গ্রামটিই পাতলাবন।

ঢাকা থেকে বাসে বা ট্রেনে করে নেত্রকোনা এরপর সিএনজি বা বাসে করে কলমাকান্দা। এমনকি সরাসরি বরুয়াকোনা বাজার কিংবা সরাসরি পাতলাবন যাওয়া যায়।

যদিও স্থানীয়ভাবে পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে উঠেনি বলে থাকতে হবে উপজেলা শহর কলমাকান্দায়। গড়ে উঠলে হয়ত মহাদেও নদীর চরে তাবু টানিয়ে জোছনা রাতে জোছনাবিলাস আর বার-বি-কিউ এর সাথে আদিবাসী নৃত্য ভিন্ন মাত্রা যোগ করবে নিঃসন্দেহে। তবে আমার গৃহে সবসময় আপনাকে সাদর নিমন্ত্রণ।

সতর্কতাঃ
সীমান্তবর্তী হওয়ায় বিজিবি এবং বিএসএফ এর কড়া পাহাড়া চলে সার্বক্ষণিক। তাই ভুলেও সীমানা অতিক্রম করবেন না। প্রকৃতির সৌন্দর্য উপভোগ করুন আইন মেনে। আদিবাসী ছেলেমেয়েরা সাধারণত অপরিচিতদের প্রথমে সহজে আপন ভাবেনা তবে দূরের পর্যটক শুনলে আতিথেয়তায় মুগ্ধ হবেন। তাই একটু সামলে চলুন। আনন্দভ্রমণ আনন্দময় হোক।

Source: Bappy Faysal‎ <Travelers Of Bangladesh (TOB)

9 Apr 2019

রাঙামাটি খুব ই বৈচিত্র্যময় একটা ট্যুরিস্ট স্পট। যতবার যাবেন নতুন মনে হবে। বর্ষার এক রূপ, শীতের আরেক। পাহাড়, ঝর্ণা, নীল পানির লেক, কায়াকিং, রাজবাড়ি, বাঁদরের দুষ্টামি, বৈচিত্র্যময় বিভিন্ন খাবার, 🍍আনারস 🍍, রঙ বেরঙের উপজাতিদের ঝলমলে পোশাক, তাদের জীবনযাত্রা …আরো অনেক কিছু!😆
Ever young Rangamati 😍

এতো কিছুর মধ্যে রাঙামাটি শহরে পুলিশ বিভাগের উদ্যোগে তৈরি হয়েছে নতুন একটি পার্ক, পল ওয়েল পার্ক। শহরের ডিসি বাংলোর সাথেই। ফ্যামিলি, আন্ডা বাচ্চা নিয়ে সময় কাটানোর জন্য ভালো। যদিও আমার কাছে এতটুকু জায়গায় এতো রকম আয়োজন একটু জগাখিচুড়ি টাইপ লেগেছে, জায়গাটার simplicity নষ্ট হয়েছে মনে হয়েছে। তবে সেটা একান্তই আমার ব্যক্তিগত মতামত।
পার্কের বিস্তারিত দেখতে এখানে ইউটিউব ভিডিওর লিংক দেয়া হল –

Source: https://bdtravelerscafegroup