বাংলাদেশ-ভারত সীমান্ত ঘেঁষে বৃক্ষ আচ্ছাদিত সুন্দর একটি প্রাকৃতিক পরিবেশে অবস্থিত এই আলতাদীঘি। বাংলাদেশের অনেকেরই এই স্পট সম্পর্কে জানা নেই। গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে সেখানে গিয়েছিলাম।

চারিদিকে শালবনের মাঝে বিশাল এক দীঘি। সেখানে নানা প্রজাতির পাখি ও হাঁসের ঝাঁক দেখে মন ভরে যাবে। দীঘির চারপাশে পাকা সরু পথ ধরে হেঁটে হেঁটে ঘুরে দেখতে পারেন। প্রায় ৪ কিমি এর মতো সেই পথ। জঙ্গলের মাঝে অনেক পুরোনো উঁচু উইপোকার ঢিবি রয়েছে, যা হয়ত আপনি কখনোই দেখেননি।

আলতাদীঘির পাশেই রয়েছে ভারতের সীমান্ত। এছাড়া বোনাস হিসেবে আরো যা দেখতে পাবেন, তা হলো স্পটের পাশেই আদিবাসীদের ছোট গ্রাম। ইচ্ছে হলে ওদের জীবনযাত্রা দেখতে ঢুঁ মারতে পারেন সেখানেও। তবে জঙ্গলময় পরিবেশ হওয়ায় সন্ধ্যার আগেই সেখান থেকে ফিরে আসা ভালো।

যেভাবে যাবেন :
বাংলাদেশের যে কোন জায়গা থেকে আপনাকে বাসে যেতে হবে নওগাঁ অথবা জয়পুরহাট। সেখান থেকে স্থানীয় পরিবহণে ধামুইরহাট। অথবা ট্রেনে রাজশাহী গিয়ে সেখানের রেলগেট মোড় থেকে নওগাঁর ধামুইরহাটের বাস ধরতে পারবেন। তারপর সেখান থেকে অটোতে করে আলতাদীঘিতে পৌঁছে যাবেন। ধামুইরহাট থেকে আলতাদীঘির পথ সরু হলেও পাকা রাস্তা থাকায় যেতে অসুবিধা হয় না। বনের ভেতর দিয়ে ৪ কিমি এর মতো অল্প সেই পথ দিয়ে যাওয়াটা একটা এডভেঞ্চারের মতো লাগবে। মাইক্রোবাস বা প্রাইভেট কার নিয়েও সরাসরি যেতে পারবেন আলতাদীঘি জাতীয় উদ্যানে ।

বি দ্র : অনেকেই চিপসের প্যাকেট বা পানির খালি বোতল ফেলে আসেন বনের ভেতর বা দীঘির পানিতে, যা কোনভাবেই কাম্য নয়। বন ও দীঘির পানিতে আবর্জনা ফেলে পরিবেশ নষ্ট করবেন না।

Source: Sarifur Rahman Hilton <Travelers of Bangladesh (ToB)