You can add html or text here

Archives

ইংরেজি বিবারন (English Descriptions)

26 Dec 2017

অমৃতসর যেতে হলে আপনাকে কলকাতা থেকে রাজধানী এক্সপ্রেস ট্রেনে দিল্লি যেতে হবে।ভাড়া জনপ্রতি ৩০০০ রুপি এসি থ্রী-টায়ার।কলকাতা থেকে দিল্লি ১৬ ঘন্টায় পৌঁছে যাবেন।দিল্লি থেকে অমৃতসর মেইল ট্রেনে অমৃতসর আসতে হবে।দিল্লি থেকে অমৃতসর পৌঁছাতে সময় লাগবে কমপক্ষে ৮ ঘন্টা। ভাড়া জনপ্রতি ১৩৫০ রুপি এসি থ্রী-টায়ার।এছাড়াও দিল্লি থেকে ভলভো বাসে অমৃতসর যাওয়া যায়।

আমার মতে জীবনে একবার হলেও পাঞ্জাব যাওয়া উচিত।পাঞ্জাবের খাবার আর পাঞ্জাবের মানুষের অমায়িক ব্যবহারের জন্য।যারা খেতে ভালোবাসেন তাদের জন্য পাঞ্জাব ভ্রমন অতি আবশ্যক।পাঞ্জাবের লাচ্ছি একবার খেলে আপনার অন্য কোন লাচ্ছি আর ভালো লাগবে না।শুধু পাঞ্জাবের খাবার খাওয়ার জন্য হলেও সবার একবার পাঞ্জাব যাওয়া উচিত।

ব্রাদারস অমৃতসরী ধাবা নামে একটা রেস্টুরেন্ট আছে গোল্ডেন টেম্পল এর পাশে।খুবই ভালো মানের রেস্টুরেন্ট আর দামও কম। ওখানে খেতে পারেন।সব মজাদার আইটেম পেয়ে যাবেন।

পাঞ্জাবে জিনিষপত্রের দাম অপেক্ষাকৃত কম। এখান থেকে শপিং করতে পারেন। গোল্ডেন টেম্পল এর চারপাশে ছোট ছোট অসংখ্য দোকান। অনেকটা ঢাকার চকবাজারের মতো। এই মার্কেটটার নাম গুরু বাজার। অমৃতসর থেকে এমব্রয়ডারী, কাঠের উপর সুক্ষ কাজ, উলেন পোশাক ও গহনা কিনতে পারেন।ঢাকার চেয়ে অনেক কম দামে কিনতে পারবেন।

অমৃতসরে যা যা দেখবেন:-

১) গোল্ডেন টেম্পল।

২) জালিয়ানওয়ালা বাগ।

৩) ওয়াগা বর্ডার।

৪) ইন্ডিয়া গেট/ ওয়ার মেমোরিয়াল।

৫) হাতি গেট।

৬) দুরজিয়ানা টেম্পল।

৭) গোবিন্দগড় ফোর্ট ।

৮) মহারাজা রনজিত সিং প্যানারোমা।

৯) মহারাজা রনজিত সিং মিউজিয়াম।

১০) রামবাগ গার্ডেন।

১১) ভাটিন্ডা ফোর্ট।

গোল্ডেন টেম্পল:-

অমৃতসরের প্রধান আকর্ষণ স্বর্ণমন্দির। ১৫০২ খ্রিস্টাব্দে লাহোর থেকে মাত্র ২৫ কিলোমিটার দূরে জি টি রোডের ধারে এক প্রকাণ্ড জলাশয়ের ধারে, শিখ ধর্মের প্রতিষ্ঠাতা গুরুনানক একটি মন্দির গড়ে তোলার স্বপ্ন দেখেন। এই সময় তিনি এই জলাশয়ের নাম রাখেন অমৃত সায়র। তার থেকেই শহরের নাম হয় অমৃতসর। গুরু নানক জীবদ্দশায় তাঁর এই স্বপ্ন বাস্তবায়িত হয়নি। ১৫৮৮ খ্রিস্টাব্দে শিখ গুরু অর্জুন সিং অমৃত সায়র-এর ধারে স্বর্ণ মন্দিরের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন। ষষ্ঠ গুরু হরগোবিন্দ সিং-এর সময় ৪০০ কেজি সোনার পাতে মুড়ে ফেলা হয় মন্দিরের উপরিভাগ।

১৬০৪ খ্রিস্টাব্দে এই মন্দিরের শিখদের ধর্মগ্রন্থ গ্রন্থসাহেব স্থাপন করা হয়। মন্দিরের এই অংশের নাম হরবিন্দ সাহিব। হরমন্দির সাহিবে ঢোকার দরজা চারদিকে চারটি। জাতিধর্মবর্ণ নির্বিশেষে সকলের অবারিত দ্বার বোঝাবার জন্যেই নাকি এই চার দুয়ারের নির্মাণ। বর্তমান স্বর্ণমন্দিরটি মোট সাড়ে চার বর্গকিলোমিটার এলাকাজুড়ে। শিখধর্মাবলম্বী ছাড়াও সারা পৃথিবী থেকে পর্যটক এই স্বর্ণমন্দিরটি দেখতে আসেন। প্রতিদিন এখানে প্রায় ৯০ হাজার মানুষের খাবারের আয়োজন করা হয়। এই মন্দিরটি ২৪ ঘণ্টা খোলা থাকে।

কথিত আছে এই মন্দিরে প্রণামী সংগ্রহ হয় প্রতি মাসে প্রায় ৮০ কোটি রুপি। শিখধর্মাবলম্বীর প্রত্যেক যুবককে রণবিদ্যা, আত্মরক্ষা কৌশলবিদ্যা ও যুদ্ধবিদ্যা রপ্ত করতে হয় প্রথা হিসেবে। আদি যুদ্ধের এই কলাকৌশল শিক্ষা দেয়ার জন্য রয়েছে একটি বিশাল মাঠ আছে। মূলত এখান থেকে প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত রণকৌশলীরা এই মন্দিরের নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত। এখনো নিরাপত্তা রক্ষীরা তীর, ধনু, কাতরা, বল্লম, খাজা, খঞ্জনী জাতীয় অস্ত্র ব্যবহার করে।

এই মন্দিরে প্রবেশের আগে নারী পুরুষ নির্বিশেষে মাথা আবৃত করতে হয়। ঢুকেই একটু গিয়ে অমৃত সরোবর, যার চারদিকে মার্বেলে মোড়া রাস্তা। অনেকেই সরোবরের জল পবিত্র মনে করে মাথায় স্পর্শ করান, অনেকে স্নানও করেন। প্রবেশপথ সরোবরের যেদিকে হরমন্দির সাহিব তার বিপরীতে। কাজেই একদিক থেকে যাত্রা শুরু করে হরমন্দির সাহিব দর্শন করে অপর দিক দিয়ে বেরোলে অমৃত সরোবরকে পরিক্রমা করা হয়ে যায়। সরোবরটি যথেষ্ট বড়ো এবং চত্বরটি বিশাল। হরমন্দির সাহিবের আশেপাশে সরোবরের ধার দিয়ে আরো গুরদ্বোয়ারা আছে, সেখানেও সব সময় গুরু গ্রন্থসাহিব পাঠ হয়।

অষ্টাদশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে আফগান আক্রমণের পর মন্দিরের কিছু অংশ ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়, যা ১৭৬৪ সালে পুর্নস্থাপিত হয়। ঊনবিংশ শতকের গোড়ার দিকে, মহারাজা রঞ্জিত সিং স্বর্ণের দ্বারা মন্দিরটিকে সজ্জিত এবং আবৃত করেছিলেন, যার থেকে মন্দিরটি “স্বর্ণ মন্দির” ডাক নামে পরিচিত।

সরোবরটিতে একটি দুঃখ ভঞ্জনি বেড়ি নামে অলৌকিক স্থান রয়েছে। পট্টি শহরের এক ধনী জমিদার দূনি চাঁদ খত্রী এই কিংবদন্তী বেড়ীর সঙ্গে সংযুক্ত ছিলেন, এঁনার পাঁচটি কন্যা ছিল। একদিন তিনি তাদেরকে জিজ্ঞাসা করলেন যে, তাদেরকে খাবার কে দেয়। তাদের মধ্যে বড় চার কন্যা উত্তর দিল, তাদের পিতাই তাদের অনুগ্রহকারী বা পৃষ্ঠপোষক এবং তাদের খাবার তিনিই দেন। কিন্তু রজনী নামের কনিষ্ঠতম কন্যাটি বলল ঈশ্বরই সমস্ত জীবকে বাঁচিয়ে রাখেন। দূনী চাঁদ এই কথা শুনে ক্রুদ্ধ হয়ে, সেই কন্যাকে একজন কুষ্ঠরোগীর সঙ্গে বিবাহ দেন। তিনি তাঁর স্বামীকে ভালোবাসতেন এবং তার যত্নও করতেন। সেই সময় গুরু রাম দাস জী অমৃতসরে একটি নতুন শহর নির্মাণ করছিলেন। রজনী তাঁর স্বামীকে অমৃতসরে নিয়ে আসেন। তিনি গুরুর ভক্তদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, তাঁরা রজনীর অবস্থার প্রতি করুণা করে থাকার জন্য একটি কক্ষ প্রদান করেন। তাঁকে সর্বসাধারণ রান্নাঘরের মধ্যে খাবার রান্নার দায়িত্ব দেওয়া হয়। তিনি যখন তার কর্মে যোগ দিতে আসতেন তখন সঙ্গে করে তাঁর স্বামীকে নিয়ে আসতেন। স্বামীকে একটি গাছের ছায়ার নীচে বসিয়ে রান্নাঘরে ঢুকতেন। একদিন সে তার স্বামীকে একটি বেড় গাছের নীচে ছেড়ে যান। তাঁর স্বামী, লক্ষ্য করেন যে সেখানকর কিছু কাক পুকুরের জলে ডুব দিচ্ছে এবং তারা কালো থেকে সাদায় রূপান্তরিত হয়ে যাচ্ছে। তিনি তখন বুঝতে পারলেন যে এটি কোনও সাধারণ জল নয়। তিনি পুকুরটির সামনে গেলেন এবং জলের মধ্যে ডুব দিলেন। তিনি সুস্থ হয়ে উঠলেন এবং তিনি আর কুষ্ঠরোগী রইলেন না। তিনি পুনরায় সেই গাছের তলায় এসে বসে রইলেন। রজনী তাকে সনাক্ত করতে সক্ষম হচ্ছিলেন না। সেই যুবক তাঁকে বিশ্বস্ত করালেন এবং এই দম্পতি পুকুরটি সম্পর্কে গুরু রাম দাস জীকে বলে গেলেন। এটি শ্রবণের পর গুরু রাম দাস জী এই কথা মন্দিরের প্রধান পুরোহিত বাবা বুদ্ধ জী-কে বলেন। তিনি বলেন যে এই পুকুরটি এমন একটি স্থান যেটি গুরু অমর দাস জী-র পূর্ব প্রতীক্ষায় ছিল। বৃক্ষটি কষ্ট এবং যন্ত্রণার উপশম হিসাবে, এটি দুঃখ ভঞ্জনি বেড়ী হিসাবে পরিচিত ছিল।

মন্দিরটির সরলতার প্রতীকস্বরূপ, মন্দিরটিতে চারটি প্রবেশপথ আছে; যা জীবনের সমস্ত দিক ও পথ থেকে আসা মানুষকে স্বাগত জানায়। গোল্ডেন টেম্পল বা স্বর্ণ মন্দিরটি শিখদের জন্য একটি পবিত্র স্থান ও উপাসনার একটি জায়গা।

শিখ ধর্মে বিশ্বাস করা হয় যে দুনিয়ার সবাই সমান। ধনী, গরিব, শিক্ষিত, অশিক্ষিত, ধর্ম-কর্ম করা না করা লোক, সবাই-ই সমান। এইটাই মূলনীতি।

টেম্পলে একটা লংগরখানা আছে, যেখানে দিন রাত ২৪ ঘন্টা সবাইকে ফ্রী খাওয়ানো হয়। যে কেউ, যখন তখন গিয়ে সেখানে খেতে পারবে। “রাব নে বানা দে জোড়ি” মুভির একটা গানের শ্যুটিং এখানে হয়েছিল।হারমিন্দার সাহিব/ গোল্ডেন টেম্পেল এরিয়ার ভিতরেই রয়েছে আকাল তাকত এবং তারা তারান সাহিব।

১) এটি প্রতিদিন প্রায় ১,০০,০০০ জন ব্যক্তি দ্বারা পরিদর্শিত হয়।

২) স্বর্ণ মন্দিরের চূড়াটি শুদ্ধ সোনা দ্বারা নির্মিত।

৩) মন্দিরটির যৌথ রন্ধনশালায় প্রায় ৭৫,০০০ জন উপাসক প্রতিদিন লঙ্গর (খাবার) গ্রহণ করে।

জালিয়ানওয়ালা বাগঃ-

১৯১৯ সালে বৈশাখী উৎসবের আগের দিন অনেক মানুষ সেখানে জড়ো হয়। তারা জানত না যে তখন মার্শাল ল চলছিল। সেখানে ব্রিটিশ সেনারা টানা দশ মিনিট এলোপাথারি গুলিবর্ষন করে। পরে একটা কুয়োর ভিতরে হাজারখানেক লাশ পাওয়া যায়। এরিয়াটা অনেক বড় এবং খুবই সুন্দর করে গুছিয়ে রেখেছে। এর পরে গেলাম লাঞ্চ করতে, খেলাম পাঞ্জাবী আর সাউথ ইন্ডিয়ান থালি। ফেরার পথে কুলফি আর লাচ্ছি খেলাম। কুলফিটা মনে হল পুরাই দুধের ক্ষীর! মাত্র ৩০টাকা দাম। আর লাচ্ছিটা ছিল ২৫টাকা কিন্তু একদম অরিজিনাল টক দই। আমার সুগার থাকা সত্বেও পরপর দুবার খেলাম! এখনো স্বাদ মুখে লেগে আছে।

ওয়াগা বর্ডারঃ

সাড়ে তিনটার মধ্যে ওয়াগা বর্ডারের উদ্দেশ্যে রওনা হতে হবে,তা না’হলে ভারতীয় ও পাকিস্তানী সীমান্তপ্রহরীদের যৌথভাবে পতাকা নামানো ও গার্ড বদলের জাঁকজমকপূর্ণ অনুষ্ঠান মিস হয়ে যাবে।
ওয়াগা বর্ডার থেকে লাহোর মাত্র ২৩ কিমি দূর। আর অমৃতসর শহর থেকে ওয়াগা বর্ডার ২৫ কি.মি.।সেখানে প্রতিদিন বিকেলে ভারতীয় এবং পাকিস্তানি কিছু সেনা মিলে কুচকাওয়াজ করে। এটাকে ওরা ফ্রেন্ডলি এক্টিভিটি বলে। বছরের ৩৬৫ দিনই এটা চলে। এই বর্ডার দিয়েই লাহোর দিল্লী বাস যাতায়াত করে। কুচকাওয়াজ ঠিক ৪.৩০ মিনিটে শুরু হয়।৩০ মিনিট হয়।৫ টায় শেষ হয়।প্রচুর লোকের সমাগম হয়।ইন্ডিয়া এবং পাকিস্তান দুই দেশের লোকের মধ্যেই চরম উত্তেজনা বিরাজ করে।দুই দিক থেকেই স্লোগান চলে।

গোবিন্দগড় ফোর্ট (Gobindgarh Fort):-

The foundation of the Gobindgarh Fort was laid in the mid 18th century by the leader of the Bhangi misl (clan). The imposing brick and lime structure, though locally known as the Bhangian Da Kila, derives its formal name from Guru Gobind Singh. Historically, possession of the fort was considered akin to possessing power over Punjab’s religious and political centres. It fell into Maharaja Ranjit Singh’s hands in the early 19th century during his expansionist missions. He further strengthened the walls of the fort and built a moat around it, adding several strong bastions to the structure.

It is said to have housed the Maharaja’s treasury, including the famed Kohinoor diamond within its walls. Legend has it that Ranjit Singh was coveting the legendary cannon Zamzama (which finds mention in Rudyard Kipling’s Kim), reportedly fashioned for Ahmad Shah Abdali out of metal utensils looted from Lahore. It was appropriated by the Bhangis and housed within Gobindgarh fort. Following his annexation of Amritsar, the cannon was transported to Lahore by Maharaja Ranjit Singh for use in subsequent expeditions and today, it stands sentinel outside the Lahore Museum.

One of the most striking and historic edifices of Amritsar, this is the only surviving fort from the times of Maharaja Ranjit Singh. It has had a continuous historical narrative including events from the struggle for independence. This historical layering is also visible in the fort’s distinct military architectural style and layout. It comprises two concentric layers of fortified walls with bastions and is entered through two successive gateways. The inner enclosure includes numerous buildings which have an obvious colonial look and feel about them. Currently under renovation, it will soon be thrown open to public visits.

দুরজিয়ানা টেম্পেল (Durgiana Temple):-

দুরজিয়ানা টেম্পেল গোবিন্দগড় ফোর্ট থেকে হাটা দূরত্বে অবস্থিত। দুরজিয়ানা টেম্পেল ও গোবিন্দগড় ফোর্ট থেকে হাতি গেট কাছেই।

The 16th century Durgiana Temple draws Hindu sages and scholars from all over the country as it is a well known repository of Hindu scriptures. Dedicated to goddess Durga, the temple is modelled on the Golden Temple with its main shrine rising from the midst of a tank, its central dome covered with gold, and the rest of the structure clad in marble. Also known as the Lakshmi Narayan Temple, as a large section of it is dedicated to the Hindu deities Laxmi and Narayan, the intricate carvings of goddess Durga in her various incarnations, are particularly remarkable. The Durgiana temple was rebuilt in the 20th century, and its foundation stone was laid by the freedom fighter Pandit Madan Mohan Malviya, who was also an educationist and founded the Benaras Hindu University.

অমৃতসরে থাকার জায়গাঃ

গোল্ডেন টেম্পল এর আশেপাশে প্রচুর হোটেল আছে।ভাড়াও খুব কম।৫০০ থেকে ৮০০ রুপির মধ্যে ভালো হোটেল পেয়ে যাবেন।গোল্ডেন টেম্পল থেকে অমৃতসর রেলওয়ে জংশন এর দুরত্ব মাত্র ২০-৩০ মিনিটের (গাড়ীতে)।

অমৃতসরে খাওয়াঃ-

১) জালিয়ানওয়ালা বাগে কুলফি আর লাচ্ছি। কুলফিটা মনে হবে পুরাই দুধের ক্ষীর।

২) অমৃতসরি খুলচা (Amritsari Kulcha)

৩) লাচ্ছি chilled Punjabi Lassi (sweetened yogurt)

৪) আলু পরোটা।পান্জাবের আলু পরোটা অসাধারন খেতে।

৫) ফিন্নি।

৬) ভেজিটেবল বিরিয়ানী।অসাধারন খেতে।

৭) চানা মাশালা।

৮) সর্ষে কি শাক।

৯) মাখ্খি দি রুটি।

১০) মাশালা ডোসা।

১১) মেথি মালাই পনির।

১২) ডাল মাখানি।

১৩) কাজু কারি।

১৪) মালাই কোপ্তা।

১৫) রাজমা।

Post Copied FromDip Biswas>Travelers of Bangladesh (ToB)

26 Dec 2017

The breathtaking PARO international airport surrounded by peaks heightening around 5500 m. The airport itself stands on a height of 2000m+ from the sea level.

How to go -> Dhaka-Burimari-Phuentsholling-Paro(by road)
or
Dhaka-Paro (by air)

We went there by road by ourselves, not from any agency. first, we took the transit visa of INDIA as we have to go through their land. After getting visa, we headed for Changrabandha, crossed the border and headed for Jaigaon. Jaigaon is the Indian portion of Bhutan Borderland.
Then completing all the formalities, we hired a taxi for next 5 days for 12000rupee and headed towards Thimpu. we stayed there that night.
Next day completed our THIMPU sightseeing.(the food cost in Thimpu is way to HIGH)
And again the next day we headed for Punakha, visited the Punakha dzong and their suspension bridge. (things here is a bit less expensive then Thimpu). while on route to Punakha we stopped at the do Chula pass. we got our first snow there.
and the next day we went to Paro. it took about 1-1.5 hours to reach there. and the first thing we saw after getting a hotel, is this, airport viewpoint.

Truly is an amazing place. Our total cost was around 25k including the up down bus fare to Siliguri from Dhaka.(we also visited Darjeeling)

Post Copied From:Labib Hus’sain‎>Travelers of Bangladesh (ToB

17 Dec 2017

Trip to the Sundarbans forest

Kotka , Kochikhali wildlife Sanctuary Area

(Khulna to Khulna)

Explore Sundarbans forest for (03 days 02 nights)

Day 01:  Early in the morning around 6 o’clock boat in our cruiser from khulna and immediately the boat will start cruising towards the Sundarbans Forest. depends on tide and weather on the way collect forest permission from chandpai / Dhangmari forest office and towards katka / Kochikhali around 05pm (depends on weather and tide) anchor the boat in front  forest office, guide  offer you (if enough time)some activities like jungle walk before sun set Over night stay on boat .

Day 02: Early in the morning guide offer you boat trip inside the canal come back to the boat and breakfast, after breakfast guide offer you beach walk through jungle etc before launch back to the boat and immediately boat cruise towards Katka / kochikhali anchor the boat in front the forest office and guide offer you another activities like jungle trekking, boat trip etc up to sun set back to the boat & enjoy the BAR-B-Q dinner on boat. Over night stay on boat.

Day 03:  Early morning offer you another boat trip with deferent view back to the boat and breakfast immediately boat will cruse towards Khulna on the way back If enough time visit Harbaria. After that cruise towards khulna around 07.30 o’clock at night. After dinner leave from the boat tour will finished.

N B: ভ্রমণকারি.কম(vromonkari.com) reserved the right to cancel / change of any program / reservation schedule without prior notice due to force majors / unavoidable circumstance situation.

Fill free to ask any hesitation

PACKAGE SHALL INCLUDE:

  • Cruise inside the Forest
  • Accommodation on our cruiser on twin sharing basis
  • All meals from breakfast on day 01 to dinner on day 03
  • All activities inside the forest as per itinerary.
  • Small country boat to make trips inside small canals/creeks.
  • Mineral water for drinking during the trip.
  • BAR-B-Q dinner on the last night inside the forest.
  • Forest fees & permission
  • Armed forest guard from the forest department
  • An accompanied Guide during the trip.

PACKAGE EXCLUDES:

  • Drinks both hard & soft (But soft drinks can be purchased from the boat).
  • Items of personal nature
  • Fees for the video camera of the guests.(per day BDT 300)

THINGS TO CARRY: (1) Windbreaker / raincoat / umbrella (2) Snicker shoes for walking. (3) Hat / Cap for Sun protection. (4) Sun-burn lotion & insects spray. (5) Binoculars (6) Camera & films (7) Toothpaste & tooth brush (8) Towels (9) Bath soap (10.) Emergency medicine. (11) Flash light. (12) A sharp eye to locate interesting objects

=============================

Orientation Meeting: Before departing the group we shall arrange an orientation meeting at our office for the participants. It would be very helpful for both of us to run the trip smoothly and the guest will get the clear conception about the forest. We shall

Deposit & Payment:

While making a confirm booking of a tour, a payment amounting to 75% of the tour fee is to be made along with an official letter. The Guests should clear the balance amount before starting for the said tour.

Cancellation & Refund:

If you cancel your trip one week prior to the start of the tour 50% of the tour fee will be charged. If the cancellation is made within less than 3days and more than 2days before the start, 75% of the tour fee will be charged. If the tour is cancelled in less than 2days and more than 24 hours to the commencement of the trip, 100% of the tour fee will be charged.

(This cancellation & refund policy would not be applicable for any natural disaster, emergency & political situation)

Other important information for sundarbans forest TRIP

Meal Time:

Morning Tea: 0530 hrs, Breakfast: 0730-0830 hrs, Morning Snacks & Tea: 1000-1100 hrs

Lunch: 1230-1330 hrs

Afternoon Snacks & Tea: 1530-1630 hrs

Dinner: 1930-2030 hrs

Standard Menu:

Breakfast:

Toast, Butter, Egg-omelet / fry, Jam, Sundarbans honey, tea & coffee, seasonal fruit.

Chapati, omelet, mixed vegetable, Sundarbans honey, tea & coffee, fresh fruit.

Parata, omelet, lotpoty, Sundarbans  honey, tea & coffee, fresh fruit.

Lunch:

Plain rice, mixed vegetable, thick dal (lintels), fish curry, vorta (smash), salad, dessert.

Plain rice, thick dal, fish curry, mixed vegetable, salad, dessert

Khichuri, potato chop, fried vegetable, mutton curry, salad, dessert

Dinner:

Plain polau, fried vegetable, chicken roast, egg korma, salad, dessert

Fried rice (Noodles), vegetable, Bar-B-Q chicken & fish, salad, dessert

Plain rice, liquid dal, chicken curry, vegetable, salad, tea, dessert

Chef will select the day’s menu from the above items.

Orientation Meeting: Before departing the group we shall arrange an orientation meeting at our office for the participants. It would be very helpful for both of us to run the trip smoothly and the guest will get the clear conception about the forest. We shall fix it up with bilateral conversation.

12 Dec 2017

Bhawal resort that was really amazing. which located in gazipur. Todays i visited that Resort. Just say WOW.
Almost 200 acres land locate only for this resort. i think that this is biggest resort in Bangladesh.

In first comment box, i give a you tube link which make by me that is all of my experience at bhowal resort.

how to go:

By Car: From Airport approximate 1hrs 20 min drive time.
From Dhaka international airport to Gazipur chowrasta (Dhaka Mymensingh highway).
From Gazipur chowrasta to Rajendrapur chowrasta (Dhaka Mymensingh highway).
From Rajendrapur chowrasta to Memberbari (Pach Pir Majar)
From Pach Pir Majar head southeast 2.1KM then turn left 1KM to Bhawal Resort & Spa.

Post Copied From:Maksudur Rahman‎>Travelers of Bangladesh (ToB)

6 Dec 2017

Peace, calm and tranquility- A stay in boat on a full moon night in the middle of haor. Spending a day and night in Tangua haor was a life time experience.Sharing our trip itinerary for more info.
Our tour details
10.pm from Mohakhali Bus stand
Day 01.03.11.2017
Reach 6.00 am Sunamgonj
6.10am Get Tempu
8.am reach Tahirpur and Breakfast
9.40 am boat journey starts for
whole day. Places to
Watch Tower, Tanguar hawor (Swimming), lunch on boat
1:30pm reach Tekerghat
2:00 – Get Motorbike to Jadukati
2:30 – reach barikiatila
2:40pm – 5 min walk to Jadukati River (Swimming)
Back to Niladri lake by Motor Bike
Spend evening at Niladri then 5 min walk to Takerghat
7pm- Back to watch tower. Dinner and over night stay on boat
Day 2 dt. 4.11.17
6.30 am start t
8.30.am Tahirpur
Breakfast
GET tempu…2hrs journey
then hasanrazarbari
Lunch
2.30 pm return bus from Sunamgan
Reach Dhaka by 11pm

Post Copied From:Towhidur Rahman>Travelers of Bangladesh (ToB)

3 Dec 2017

নেপালের একটি গ্রাম। অন্নপুর্ণা রেঞ্জের এই গ্রামটি বিশেষভাবে পরিচিত অন্নপুর্ণা বেইজক্যাম্প ট্রেকিং এর জন্য।

নিচের ছবিটি এই গ্রাম থেকেই তোলা। অন্নপুর্ণা সার্কিট ট্রেকের ইনফো কালেক্টের জন্য গুগলে ঘোরাঘুরি করতে গিয়ে দেখলাম। প্রথমে ভাবছিলাম হয়তো সার্কিট ট্রেকের কোনো গ্রাম হবে। পরে দেখি না এটি এবিসি ট্রেকের অংশ। শুধু এই গ্রাম আর তার আশে পাশের কিছু ছবি দেখে মনে হচ্ছে সার্কিট ট্রেকের আশা বাদ দিয়ে অন্নপুর্ণা বেইজ ক্যাম্পের প্ল্যান করি।
এমন সুন্দর গ্রামে জীবনে একবার না গেলেই নয়

ছবিতে দৃশ্যমান কাছেই তিনটি চুড়ার সবচেয়ে ডানেরটা হলো-

Fishtail বা Machapuchare (6993m)
মাঝখানেরটা হলো Hiunchuli (6441m)
আর একদম বামেরটা হলো Annapurna South (7219m)

আর দূরে আবছা দেখা যাচ্ছে তিনটি চুড়া-

সর্বডানে Annapurna lll (7555m)
মাঝখানে Gangapurna (7455m)
আর বামে খুব সম্ভবত Singu Chuli (6501m)

Ghandruk, Abc, Nepal

(ইনফোতে কোনো ভুল থাকিলে ক্ষমা প্রার্থী, ধরিয়ে দিলে শুধরে নিয়ে কৃতজ্ঞ হইবো।
ছবি গুগল থেকে নেয়া)

Post Copied From:Rizwan Ur-Rahman‎>Travelers of Bangladesh (ToB)

27 Nov 2017

Burimari border from Kalyanpur by Manik Express BDT 800
– Travel tax and border expenses BDT 800
– Auto to Changrabandha junction and local bus from Changrabandha to Siliguri Rs. 90
– Tata sumo from Darjeeling Mor (Siliguri) to Darjeeling Rs. 150

We rented a Bullet 500 Royal Enfield for Rs. 1400 per day from Siliguri!

Bike rental details:
You can rent bikes from Siliguri. We took ours from ‘Darjeeling Riders’. You will get a couple of companies if you google ‘Siliguri Bike Rent’. They take online bookings too. We had to deposit Rs. 10k as safety money for 2 bikes. But this amount is usually negotiable depending on the company and can go as low as Rs. 1-2k. We took one Royal Enfield Bullet 500 and one Avenger 220, but there are cheaper bikes avalable too. International license is NOT needed, Bangladeshi license will do.

Darjeeling is open again after 104 days of strike. Super comfortable weather in October, breathtaking Kanchonjangha, amazing reasonable food in restaurants like Keventer’s and Glenary’s which have been in Darjeeling for 140 years! Want to go there again before my visa expires

Post Copied From:Ishmamul Farhad‎>Travelers of Bangladesh (ToB)

25 Nov 2017
25 Nov 2017

Literally I was out of the world for last 3 days. Today I’ve reached to the ground level. Alhamdulillah. I have been to one of the most high altitude inhabited towns (3500mtr) of the world i.e. Leh within Jammu & Kashmir state of India and not so easy to communicate with outside world unless you are registered with SIM connectivity. Unfortunately last 3 days during my stay, entire town was out of Internet connection and temperature was in between -10 to -13 degree Celsius. So many things to share with my group members when I reach back to my home country. This experience I won’t forget in my lifetime for sure. As a token gift to my TOB members, here is an unforgettable moment that I captured for you. It’s called Sangam Point where Sindhu river and Sindhu river meet. In Ladakhi saying, only the best of the friends and worst of the enemies visit Ladakh.

Post Copied From:S M Sajjad Hossain>Travelers of Bangladesh (ToB)

22 Nov 2017

lhamdulillah, It was a great trip in Sajek Valley, Rangamati. I went there by my car and stayed at Runmoy Resort which is administering by Bangladesh Army and very secured if you prefer to go with family members. Runmoy resort allows everyone to stay there throughout the year by paying advance tariff to book room through their website. Food quality was very good with affordable price. Many of you asked me to take pictures of the room so here I’m uploading few pictures of the room where we stayed. One thing I’d like to inform you all that there is a beautiful waterfall which is kinda 1000-1200 feet below from the ground where Runmoy Resort is located and we had to go down for one hour to find that with the help of local guide. Unfortunately I can not post the pictures of the waterfall now as I forgot to collect them from my friend :/

I’d like to express my gratitude to brother Shaheen Kamal and other members of this group for helping me to arrange this trip successfully. Please feel free to comment below if you need information regarding Sajek valley.

Post Copied From:Zahid Simon‎>Travelers of Bangladesh (ToB)