You can add html or text here

Archives

খবর (News)

26 Dec 2017

ট্রাভেল এজেন্সি নিয়ে আমার কিছু মিশ্র অভিজ্ঞতা হল এই ট্যুর এ।
আমি প্রথমে ঢাকায় একটা ট্রাভেল এজেন্সির সাথে কথা বলি প্রথমে। সেখানে প্যাকেজ এর দাম বলা হয় ৮৫০০ টাকা পার পারসন। আমরা ছিলাম ৩ জন। মা, বাবা আর আমি। আমাদের কে প্রথমে বলা হয় ডিসকোভার লঞ্চে ৪ জন এর রুম দেয়া হবে এটাচড বাথ সহ। এখানেই কথা শেষ, পেমেন্টও ক্লিয়ার করে দেয়া হয়। এখান থেকে আমাদেরকে খুলনার একজনের নাম আর ফোন নাম্বার দেয়া হয়। বলা হয় খুলনায় গেলে উনিই সব ম্যানেজ করে দিবে।

খুলনায় পৌঁছে আমরা ওই লোকের সাথে যোগাযোগ করি। উনি বলেন আমাদেরকে ডিসকোভার লঞ্চে না দিয়ে বনবিলাস লঞ্চে দেয়া হয়েছে ৩ জনের রুমে। কারন হিসেবে বলা হয় ডিসকোভারে ব্যাচেলর বেশি আর বনবিলাসে ফ্যামিলি। আর আমরা যেহেতু ফ্যামিলি, তাই আমাদেরকে বনবিলাসে দেয়া হয়। ভালো, আমরা আর কোন আপত্তি জানাই নি। আমরা তখন রুম সম্পর্কে জানতে চাইলে বলা হয় একটা কাপল বেড, মাঝে স্পেস তারপর একটা সিঙ্গেল বেড। তবে এটাচড বাথ নেই, কমন বাথ ব্যাবহার করতে হবে, এবার আমরা আপত্তি জানাই, তারা বলে যে ডিসকোভার লঞ্চে বেড ট্রেন এর কেবিন এর মত বাথ সিস্টেম এর। কিন্তু বনবিলাসে হোটেল এর মত। ট্রেন এর মত উপর নিচে না। তাই আমাদের একটু কনসিডার করতে হবে। আমরা এটাও কনসিডার করলাম ( আসলে আমার বাবা আর কোন ঝামেলায় যেতে চান নাই, তাই আমিও আর কিছু বলি নাই)।

লঞ্চে উঠার পর আরেক কাহিনী। গিয়ে দেখি ওই লঞ্চে আমাদেরকে যে ধরনের রুমের কথা এতক্ষন বলা হল এমন কোন রুম এর অস্তিত্বই নাই। রুমগুলো সেই ট্রেন এর কেবিন এর মত বাথ সিস্টেম এরই। তার উপর রুমটা প্রচণ্ড ন্যারো। এবার তো মেজাজ আরও খারাপ। এবার লঞ্চ এর ক্যাপ্টেন আর লঞ্চ মালিক এসে আমাদের ভুগিচুগি বুঝ দিতে লাগলেন, আমরা নাকি বুঝতে ভুল করেছি, আমরা যে লোকের সাথে কথা বলেছি তার নাকি শর্ট টাইম মেমরি লস হয়, সে নাকি ভুল বলেছে, এটাচড বাথ সহ রুম এর মূল্য নাকি ১২০০০ টাকা, তাদের অন্য সব রুম নাকি বিক্রি হয়ে গেছে, আমরা অন্য আরেকটা রুম চাইলে বলা হয় ৩ জনের আর কোন রুম নাই, সব ২ জনের, এরপর আমরা ২ জনের একটা রুম চাইলে বলা হয় আমরা নাকি লাখ টাকা দিলেও তারা রুম দিতে পারবে না, তারা নাকি এক কথার মানুষ, যাকে যে রুম এর কথা বলে তাই নাকি দেয়া হয়, তাই অন্য রুম দেয়া যাবে না। এরকম আরও অনেক কিছু। মেজাজ তো এই সময় যে কারোরই খারাপ হবার কথা। এর মধ্যে আবার লঞ্চ মালিক লঞ্চ থেকে চলে যায়, আমরা কিছু বললে লঞ্চের ক্যাপ্টেন বলে লঞ্চ মালিক জানে সব। এবভাবেই আমাদের সব কথা এড়িয়ে যাওয়া হয়।

এরপর আমাদের লঞ্চের গাইড যিনি উনি আসেন, উনিই একমাত্র ভদ্র অথরিটি ততক্ষন পর্যন্ত। উনি এসে আমাদের কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চান। আর আশ্বস্ত করেন যে উনাদের সার্ভিসে আমরা অসন্তুষ্ট হব না। উনার আশ্বাসে ক্ষোভ থাকা সত্ত্বেও আমরা পরে ওই রুমেই উঠি।

এখানে আমার কিছু উপলব্ধি আপনাদের সাথে শেয়ার করি,
লঞ্চ মালিক আর ট্রাভেল এজেন্সি গুলা আসলে ট্যুর পরিচালনা করে না, এরা হল মধ্যস্ততাকারী। এরাই যত রকম ফন্দি ফিকির করা যায়, করে। এদের মুখের কথার কোন দাম নাই, ২ মিনিট এর মধ্যেই এরা বলা কথা ঘুরায় ফেলতে সক্ষম। তাই এদের সাথে আপনারা কথা বললে সব কিছু লিখিত নিয়ে আসবেন। হ্যাঁ, সব ট্রাভেল এজেন্সিই যে এরকম তা হয়তো নয়, তবে আপনার টাকা, আপনার ট্যুর তো, তাই সাবধান হওয়া ভালো, নাহলে পরে একমোডেশন নিয়ে আমাদের মত ঝামেলায় পরতে পারেন। এজন্য আমার মতে, আপনারা এইসব ট্রাভেল এজেন্সিগুলার কাছ থেকে একমোডেশন সংক্রান্ত সব তথ্য লিখিত নিয়ে আসবেন। এটাই সেফ।

এতটুকু পর্যন্তই আসলে ক্ষোভ। এরপরে আসলে ট্যুর গাইড, লঞ্চ এর সার্ভিস বয় দের ব্যাবহার আমাদের হতাশ করে নি। আমাদের গাইড যিনি ছিলেন তার কথাবার্তা অনেক মার্জিত ছিল, উনি অনেক হেল্পফুলও ছিলেন, কারো কোন কোশ্চেনে আমি উনাকে বিরক্ত হতে দেখি নি, বরং উনি খুব ই উৎসাহ নিয়ে আমাদের অনেক হেল্প করেছেন। উনাকে ধন্যবাদ দিতেই হয়। বত্ব, উনার নাম ছিল আলম সাহেব। এছাড়া আমাদের গার্ড যিনি ছিলেন উনিও অনেক রসিক মানুষ, আর খুবই মিশুক। আবুল কালাম নাম উনার। উনাকেও ধন্যবাদ। আর লঞ্চের সার্ভিস বয় রাও ভীষণ হেল্পফুল ছিল। তাই, উনাদের এরকম আন্তরিক ব্যাবহারে, পছন্দসই রুম না পাওয়ার পরেও বলতে পারি যে, ওভারঅল ট্যুর টা ভালোই হয়েছে।

খাওয়া দাওয়া সম্পর্কে একটু বলি,
খাওয়া দাওয়া নিয়ে কোনোরকম সমস্যাই হয় নাই। সকালে নাস্তা ৯ টা থেকে ৯.৩০ এর মধ্যে, এরপর ১১ টায় হালকা স্নাক্স, ১.৩০ থেকে ২ টা এর মধ্যে লাঞ্চ, এরপর সন্ধ্যায় নাস্তা ৫.৩০ থেকে ৬.০০ এর মধ্যে, এরপর ডিনার ৯.৩০ থেকে ১০.০০ এর মধ্যে। সেলফ সার্ভিস ছিল খাওয়া দাওয়া। বুফে ছিল না, তবে কেউ মেইন কোর্স এক্সট্রা চাইলে সাথে সাথেই দেয়া হয়েছে, তাই খাওয়াটা শেষ পর্যন্ত বুফের মতই হয়েছে।

আপনার সাথে যদি কোন শুকনা খাবার নাও থাকে তাও কোন অসুবিধা হবে না আপনার। তবুও জলপথ তো, আমার মতে নিজের সাথে কিছু খাবার রাখা ভাল।

এবার আসি কিছু সিরিয়াস সচেতনতামূলক কথাবার্তায়।
ভাই, সুন্দরবন টা আমাদেরই, তাই না ??
কেন প্লাস্টিকের বোতল, নুডুলস, চিপসের প্যাকেট, জুতা, ব্যাগ, নেট এর ব্যাগ ফেলে নোংরা করছেন জায়গাটা ??
আমাদের সাথেই ২ জন ফরেনার ছিল, একজন জার্মানির, অন্যজন কোরিয়ার। এরা যখন ফিরে গিয়ে বলবে বাংলাদেশ নোংরা, মানুষজন সুন্দরবন এর মত জায়গাকেও নোংরা বানিয়ে ফেলেছে, তখন সেটা কি আমাদের জন্য খুব গর্বের ব্যাপার হবে ??
যারা যেখানে সেখানে ড্রিংকস এর বোতল, চিপস এর প্যাকেট ফেলেন তারা একটু ভাববেন দয়া করে।

Post Copied From:Soumit Saha‎>Travelers of Bangladesh (ToB)

26 Dec 2017

রকেট এক্সপ্রেস নাম শুনলেই মনে হয় রকেটের গতিতে ট্রেন চলবে। বাস্তব তার উলটা। দর্শনার কেরু এন্ড কোং দেখে যখন আশে পাশে কি আছে খুজতেছি তখন এক হোটেলয়ালা মামা বয়ান করেন দর্শনা হল্ট নিয়ে। যে কোন জেলা উপজেলা শহরে গেলে আমার সে এলাকার রেল স্টেশন দেখতে খুব ভাল লাগে। এইটা বলতে গেলে পুরান অভ্যাস। কোন কিছু না ভেবেই চলে আসলাম দর্শনা হল্ট। খুলনা থেকে ঢাকাসহ উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণ বঙ্গে চলাচলকারী ট্রেনগুলোর প্রবেশমুখ এই দর্শনা হল্ট ষ্টেশন। জরাজীর্ণ এই স্টেশনে ঢুকে দেখলাম ব্যাপক মানুষের চাপ। স্বভাব বশত আগে চায়ের দোকান খুজে বের করলাম। গ্রাম্য এই রকম রেল স্টেশনে বসে এক কাপ কড়া লিকারের চা এক অন্য রকম আমেজ এনে দেয়। নিজেকে তখন দার্শনিক বা উপন্যাসের পাতা থেকে উঠে আসা কোন চরিত্র মনে হয়। আমার ভ্রমণ সংগী ইমরান ভাইয়ের আবার স্ট্যাম্প এর বাতিক। আমাদের মধ্যে কথা হচ্ছিলো এই স্টেশন থেকে চুয়াডাঙ্গার যে ট্রেনই পাব উঠে যাব। কারন আলো থাকতে থাকতে ডাকঘরে ঢুকতে হবে। না হলে বিরাট বড় কবিরা গুনাহ হয়ে যাবে। ট্রেনের সময়সূচি চেক করতে গিয়ে দেখলাম খুলনা থেকে রকেট এক্সপ্রেস মেইল ট্রেন ছেড়েছে। টাইম টেবিল ঠিক থাকলে ১.৪৫ এর মধ্যে দর্শনা হল্ট পৌছে যাবে। এর শেষ গন্তব্য পার্বতীপুর তবে মাঝে অনেক ঘাটের পানি খেয়ে যাবে। আমাদের চুয়াডাঙ্গা নামতে পারলেই হল। টিকেট মাস্টারের কাছ থেকে ১৫ টাকা দিয়ে টিকেট কেটে নিলাম। এখন অপেক্ষার পালা রকেট এক্সপ্রেস কখন আসবে। বাংলাদেশ রেলওয়ে আমাকে কখনও হতাশ করে না। যথারীতি ১০ মিনিট লেট করে ট্রেন আসলো। ট্রেন থামার সাথে সাথেই ক্ষুর্ধাত শিয়াল যেমন খাবারের উপর ঝাপিয়ে পড়ে, যাত্রীরাও সে ভাবে ট্রেনের উপর ঝাপিয়ে পড়লো। ব্যাপক সংগ্রামের পর ট্রেনের ভিতর ঢুকে যখন সিট পেলাম তখন চোখে মুখে এক বিশ্বজয়ী হাসি। ট্রেনে উঠে নানা রকম লোকের সন্ধান পেলাম। সবই গ্রামের আলা ভোলা মানুষ। কেউ চালের বস্তা কেউবা মুরগী কেউবা বাজার করে ট্রেনে উঠেছে। বলতে গেলে ট্রেনটাই আমার কাছে চলন্ত বাজার মনে হল। কিছুক্ষন পরপর ফেরিয়ালা নানা রকমের পসরা সাজিয়ে দোকান নিয়ে এই বগি থেকে ওই বগি ছুটছে। ট্রেন চলা শুরু করলো কিন্তু আমার মনটা খারাপ। জানলার সাইডে সিট পেলাম না। ট্রেন চলছে হেলেদুলে। সারাদিন ক্লান্তির পর মনে হচ্ছে আমাকে যেন কেউ মায়ের মমতায় ঘুম পাড়িয়ে দিচ্ছে। আহ কি ঝিমুনির ফিলিংস। জানলা দিয়ে বাহিরে তাকলাম। মনে হল পুরা চুয়াডাঙ্গাই সবুজের মত সুন্দর। সবুজের প্রকৃতির আলো ছায়ার খেলা দেখতে হলে আসতে হবে চুয়াডাঙ্গা। সকালে করিমন নামে অদ্ভুতুড়ে যানের কল্যানে কার্পাসডাংগা টু দর্শনা আসতে রোড সাইড ভিউ দেখে আমার মন ভরে গেছে। মনে হয় কোন শিল্পী তুলির সুনিপুন আচড়ে ছবি একে রেখেছে। আল্লাহ’র কি কুদরত। কল্পনার জগৎ থেকে ফিরে আসলাম বাস্তবে আমাদের ট্রেন ছুটে চলছে গন্তব্যের উদ্দ্যেশে। তখনও আমি জানি না আমি ৫০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ট্রেনে জার্নি করছি। এক চাচা মিয়ার মুখে যখন শুনলান উনি এই ট্রেনে পাকিস্তান আমলে চড়ছেন তখন একটু খটকা লাগলো। ততক্ষনে এসে পড়েছি আমাদের কাংক্ষিত গন্তব্যে। চুয়াডাঙ্গা নেমে রকেট এক্সপ্রেসের সব কথা গেলাম ভুলে। ঢাকা এসে গুগল মামার কল্যানে জানতে পারলাম এইটা বাংলাদেশ রেলওয়ের ওয়ান অফ দ্যা ওল্ডেস্ট ট্রেন। যার প্রোডাকশন ইয়ার ১৯৬৫। মাঝে মাঝে শর্ট ডেস্টিনেশন গুলা মনের ভিতর গেথে যায়। দর্শনা টু চুয়াডাঙ্গা আমাকে পরিচয় করিয়ে দিয়েছে রকেট এক্সপ্রেসের সাথে। সময় সুযোগ হলে রকেটে চড়ে হয়তো কোন একদিন খুলনা টু পার্বতিপুর চলে যাব। ততদিন মনের ভিতর গেথে থাকুক রকেট এক্সপ্রেস।

Post Copied From:Ashik Sarwar>Travelers of Bangladesh (ToB)

21 Dec 2017

রামিড দেখতে প্রথমবার মিশরে গিয়েছিলাম ২০০৮ সালে। নয় বৎসর পর আবার গেলাম। অনেক পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমাদের দেশের মতই অবস্থা! সময়ের সাথে সাথে উন্নতি না হয়ে অবনতিই হইছে!!
পতেঙ্গা আর কক্সবাজার সি-বিচের মত চিপস, চকোলেট আর প্লাস্টিকের বোতলের ছড়াছড়ি পুরা এলাকা জুড়ে।
হকার, ফটোগ্রাফার আর উটওয়ালাদের উপদ্রুপ বেশ বিরক্তিকর :/

যারা নিজেরা ঘুরতে যাবেন তাদের জন্য কিছু পরামর্শঃ
১) কায়রো হোটেল থেকে ট্যাক্সি/লিমুজিন সার্ভিস নিলে ধরা খাবেন নির্ঘাত! তারচেয়ে হোটেল থেকে বেড় হয়ে uber কল করবেন; কায়রোতে ঘুরার জন্য uber is best in terms of service and cost.

২) গিজায় পিরামিড দেখতে ট্যুরগাইড ম্যান্ডাটরি না; কিন্তু হোটেল থেকে আপনাকে বলবে ট্যুর গাইড নেয়ার জন্য। গাইডেড ট্যুরের জন্য আপানার কাছে ২০০-৩০০ USD চেয়ে বসবে Taxi Fare ছাড়াই, ইজিপ্সিয়ানরা টুরিস্টদের পকেট ফাকা করতে উস্তাদ!

৩) মানি এক্সচেঞ্জের জন্য ব্যাংক এ যাবেন অথবা ATM থেকে লোকাল কারেন্সি তুলতে পারবেন; মানি চেঞ্জারের দোকানে রেট বেশ কম।

৪) গিজা এলাকাটা খুব বড় না, হেটে হেটে ১.৫ ঘণ্টায় পুরা এলাকা দেখতে পাবেন। ঘোড়ার গাড়ী আর উট পাওয়া যায়; ঊটের পিঠে বেশীক্ষণ বসে থাকা যায় না, কোমর ব্যাথা হয়ে যায়। ঘোড়ার গাড়ী বেটার কিন্তু ভাড়া চাইবে অনেক বেশি, দামাদামি করলে ২০ ডলারে পেয়ে যাবেন (এরা ডলার এক্সেপ্ট করে :p)

৫) উটওয়ালা আর ফটোগ্রাফারদের থেকে সাবধান! আপনাকে ভুলায় ভালায় একবার উটের উপরে তুলতে পাড়লে টাকা না দেয়া পর্যন্ত আর নামাবে না 😉

৬) গিজায় খাবারের দাম অনেক বেশি; ওখানে না খেয়ে কায়রোতে এসে কমদামে শাহী ভোজ দিতে পারবেন (এখানে কাবাব বিখ্যাত)

ব্যাক্তিগতভাবে আমি ইজিপ্সিয়ানদের লাইক করি না। গুগুল মামার হেল্প নিয়ে আমি নিজে নিজেই কায়রোতে ঘুরেছি। রাজনৈতিক কিছু ঝামেলা যদিও আছে সিকিউরিটি রিলেটেড কোন ঝামেলায় পড়তে হয় নাই।

হ্যাপি ট্রাভেলিং!

Post Copied From:Fakhrul Islam Hemon>Travelers of Bangladesh (ToB)

20 Dec 2017

আমরা বিভিন্ন প্রয়োজনে এখন ভারতবর্ষ প্রতিনিয়ত ভ্রমণ করে থাকি।স্বল্প খরচে আরামদায়ক ভাবে ভারতবর্ষ ভ্রমণ করার জন্য রেল সবচাইতে জনপ্রিয় বাহন।

#সম্প্রতি ভারতীয় রেল অথরিটি বিদেশি পর্যটক কোঠায় টিকেট প্রাপ্তিতে কিছু নতুন শর্তারোপ করেছে।সে শর্তসমুহ না জানা থাকার ফলে আমার মতো বাজেট ট্রাভেলারদের কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হচ্ছে।

#পরিবর্তিত_নিয়ম_সমুহ
১.সকল ক্লাসের টিকেটের ভাড়া মুল ভাড়া থেকে ১.৫/ দেড়গুণ বৃদ্ধি করা হয়েছে।😞
অর্থাৎ ১ হাজার টাকার ভাড়া ১৫০০ টাকা করা হয়েছে।এভাবে গাণিতিক হারে ভাড়া বৃদ্ধি হতে থাকবে।
২.১.৫ গুণ ভাড়া বৃদ্ধির ফলে রাজধানী, দুরন্ত এবংশতাব্দী ট্রেনে ডায়নামিক ফেয়ার যোগ হবেনা।
৩.যেকোনো ট্রেনের ইস্যুকৃত টিকেট রিটার্ন /রিফান্ড হবেনা।(মানে ততকাল টিকেটের মতো)
৪.অবশ্যই মুল পাসপোর্ট প্রদর্শন করতে হবে।
৫.মুল পাসপোর্ট এর পাশাপাশি যতজন যাত্রীর টিকেট করবেন সবার ভিসা+এন্ট্রি সিলের পেইজ এবং মুল পেইজ আলাদাভাবে ফটোকপি দিতে হবে এটা বাধ্যতামূলক।
৫.উক্ত নিয়ম সমুহ #মৈত্রী এবং #বন্ধন এক্সপ্রেসের জন্য প্রযোজ্য নয়( ৪ নং ব্যতীত) ।
বিঃদ্রঃদেশের সম্মান বজায় রাখবেন তারা কিছুটা স্লো কাজ করে তাই ধর্য হারাবেন না এবং দ্রুত টিকেট ইস্যুর জন্য ঘুষের অফার হতে বিরত থাকবেন।

#হ্যাপি_ট্রাভেলিং

Post Copied From:Prince Zubo‎>Travelers of Bangladesh (ToB)

20 Dec 2017

অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহনের অভিযোগে টেকনাফ-সেন্ট মার্টিন নৌপথে চলাচলকারী এলসিটি কুতুবদিয়া জাহাজ কর্তৃপক্ষকে আজ মঙ্গলবার এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অতিরিক্ত যাত্রী বহনের অভিযোগে তাৎক্ষণিক ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে জাহাজ কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এক লাখ টাকা জরিমানা আদায় করেন জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট ফারজানা প্রিয়াংকা।

বেলা একটার দিকে চলন্ত অবস্থায় ওই জাহাজ থেকে আরিত্র মো. মজিদ নামের একজন পর্যটক সাগরে পড়ে যান। পরে তাঁকে সাগর থেকে উদ্ধার করা হয়।আজ সেন্টমার্টিন গামী জাহাজ এলসিটি কুতুবদিয়া থেকে সাগরে পড়ে যাওয়া পর্যটক জনাব অরিত্র মোঃ মুজিব, পিতাঃ মোঃ গিয়াস উদ্দিন,ধৌদ্ধা, বোদা, পঞ্চগড়,মোবাইল-০১৭৮৩৬৮২৭৮৪ কে ট্যুরিস্ট পুলিশের এএসআই/৫৯ মোঃ জুমায়েত হোসেন উদ্ধার করে প্রাথমিক চিকিৎ

ছবিতে পর্যটকের লিখিত বক্তব্য।

সা দিয়ে সুস্থ করে তোলেন।

পর্যটকদের অভিযোগ, জাহাজটিতে ধারণক্ষমতার বেশি যাত্রী ওঠানোর কারণে জাহাজে উঠে চেয়ারে বসা তো দূরের কথা, ঠাসাঠাসি করে দাঁড়ানোরও জায়গা না পেয়ে অবাক হন অনেক পর্যটক। এর ওপর ধারণক্ষমতার বেশি টিকিট বিক্রয় করায় নির্ধারিত সময়ের দুই ঘণ্টা দেরিতে জাহাজটি সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে দমদমিয়া ঘাট থেকে রওনা দেয়। এর মধ্যে জাহাজের এক পাশের বারান্দায় দাঁড়াতে গিয়ে একজন পর্যটক সাগরে পড়ে যান।

উপজেলা প্রশাসন সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে টেকনাফের দমদমিয়া জেটিঘাট দিয়ে এলসিটি কুতুবদিয়া জাহাজটি ছেড়ে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ওই জাহাজটির ধারণক্ষমতা ৩০০ জনের স্থলে ৮১৭ জন পর্যটক তোলা হয়। টিকিট আছে, কিন্তু বসার জায়গা না পেয়ে পর্যটকদের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। কিছু পর্যটক টিকিটের টাকা ফেরতের দাবি জানাতে থাকেন। এ নিয়ে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় প্রশাসনের লোকজন এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। প্রশাসনের বাধার মুখে প্রায় দুই ঘণ্টা দেরিতে সেন্ট মার্টিনের উদ্দেশে রওনা দেয় জাহাজটি। প্রায় দেড় ঘণ্টা চলার পর এলসিটি কুতুবদিয়া জাহাজটি সাগরের মাঝপথে শাহপরীর দ্বীপের উল্টো পাশে গেলে জাহাজ থেকে আরিত্র মো. মজিদ নামের এক পর্যটক সাগরে পড়ে যান।

 

 

 

19 Dec 2017

যারা বিছানাকান্দি যাবেন বা যাওয়ার প্ল্যান করছেন তারা কোনভাবেই সন্ধ্যার পর থাকবেন না, দিনের আলো থাকতে থাকতে শহরে ফিরে আসার চেষ্টা করবেন।

আসল ঘটনা : ২ সপ্তাহ আগে আমরা আমাদের university এর বন্ধুরা মিলে বিছানাকান্দি ভ্রমনে যাই । আমরা ২ জন মেয়ে এবং ১০ জন ছেলে ছিলাম । সেখানে নেমে গোসল করে , কিছুক্ষন অপরুপ প্রকৃতি দেখার পর আবার গোয়াইনঘাট ফেরত আসতে আসতেই প্রায় সন্ধ্যা হয়ে যায় , সেখানে আমাদের রিসার্ভ করা মাইক্রোবাস ছিল , যখন আমরা মাইক্রোবাস এ উঠতে যাব তখন আমাদের ড্রাইভার দেখলাম অন্য আর একজন মাইক্রোবাস ড্রাইভার ভাই এর সাথে কথা বলছেন এবং আমাদের কাছে এসে বললেন একটু অপেক্ষা করুন আমরা ২ গাড়ি একসাথে যাব, এদিকে ডাকাতের ভয় আছে । তখন ও আমরা ব্যাপার টা কেও আমলে নেই নাই, কিন্তু তখন ও আমাদের ধারনা তেও আসে নাই সামনে কি অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য । তো আমরা ২ গাড়ি একসাথে বের হলাম শহরের উদ্দেশে। যেতে যেতে সবাই অনেক ক্লান্ত থাকায় বেশিরভাগ মানুষ ই ঘুম এ । আমিও আধো আধো ঘুম ভাব এ বসে আছি গাড়িতে । হটাত গাড়ি ব্রেক করাতে ঘুম ভাব দূর হয়ে দেখি বিপরীত দিক থেকে আসা ১ জন ট্রাক ড্রাইভার ভাই আমাদের মাইক্রোবাস ড্রাইভার ভাই এর সাথে কথা বলছেন । তার কথাটুকু ছিল এরকম : সামনে ডাকোইত আছে , গাড়ি থামাইবা না, ১ টানি চলি যাবা , রাস্তা বন্ধ করি রাখসে , পাশ কাটি চলি যাবা । ব্যাস আমার সহ আর কয়েকজনের ঘুম গায়েব । ২ জন মেয়ে সহ আরও কয়েকজন ছেলে তখন ও ঘুম এ । ড্রাইভার ও বেশ চিন্তায় পড়ে গেলেন । তবুও ঐ ভাঙ্গা রাস্তা তেই উনি সেই রকম জোরে চালাতে লাগ্লেন । সামনে যেতে দেখি আর কয়েকটা গাড়ি দাঁড়ায় আছে একটু দূরে দূরে । তখন সব গাড়ি একসাথে হয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হল । আমাদের গাড়ি ছিল সবার সামনে আর আমাদের যে ২ জন মেয়ে ঘুমিয়ে ছিল তারা ছিল জানালার পাশে তাই তাদের ঘুম থেকে তুলে মাঝখানে বসালাম, তারা কারন জিজ্ঞেস করলে কিছু বলি নাই কারন আবার ভয় পেয়ে যায়। তো সামনে যেতে যেতে ১ টা ছোট ব্রিজ পড়ল, ব্রিজ থেকে নামতেই দেখি রাস্তার মাঝখানে ২ টা বড় বড় পাথর , ড্রাইভার ভাই তার বুদ্ধিতে গাড়ি ডান দিক দিয়ে বের করে নিয়ে গেলেন না থেমেই এবং কিছুদুর সামনে যেতেই দেখি আর ১ টা ব্রিজ এবং এই ব্রিজ থেকে নামার পথেও একি অবস্থা । এবার ও উনি গাড়ি না থামিয়েই ডান দিক দিয়ে গাড়ি কেটে নিয়ে বের হয়ে গেলেন এবং পিছনের গাড়ি গুলো ও একি ভাবে বের হয়ে আসলো । সামনে আর কিছুদুর যাওয়ার পর তখন ও যারা ঘুম এ ছিল তাদের আসল ঘটনা বলা হল , তার কিছু দূর পরেই দেখি বাজার । মনে সাহস পেলাম। আমার জীবনে এই অভিজ্ঞতা এর আগে কখনই হয় নাই, আর হোক সেটাও চাই না । আল্লাহ্‌র অশেষ রহমতে আমরা সেদিন সহিহ সালামত এ বেঁচে ফিরে আসতে পেরেছি । কিন্তু আমরা যখন ফিরে আসছিলাম তখন ও অনেক মানুষ ঘাট এই ছিলেন এবং তারা আমাদের পড়ে শহরের উদ্দেশে রউনা দিয়েছেন, জানিনা তাদের ভাগ্যে কি ঘটেছিল।

আপনারা যারা যাবেন অবশ্যই ১ টা জিনিস মাথায় রাখবেন ড্রাইভার কে অবশ্যই বলবেন গাড়ি যেন ভুলেও না থামায় এবং জানালার গ্লাস যেন বন্ধ করে রাখে । আমার যতদূর মনে হয় ডাকাতরা ব্রিজের ঠিক নিচেই অবস্থান করছিলো কারন আমি লক্ষ্য করছিলাম আশে পাশে , সেখানকার ধান খেত সব ফাকা, মাঠ ও শুকনো এবং সেখানে কেও ছিল না ।

পরিশেষে অনেক অনেক ধন্যবাদ সেই অপরিচিত ড্রাইভার ভাই কে যিনি আমাদের এই তথ্য দিয়ে সাবধান করেছিলেন । ভাই আল্লাহ্‌ আপনার মঙ্গল করুক । আর আপনাদের যাত্রা ও যেন শুভ হয় এই দোয়া রইল 🙂

Post Copied From:

Hasan Rahat>Travelers Of Bangladesh (TOB)
19 Dec 2017

শ্রীনগর এয়ারপোর্টেই আমাদের প্রায় ২ ঘণ্টা দেরি হয়ে গেল, প্লেন দেরি করে আসা আর আবহাওয়ার কারনে আরও দেরি করে ছাড়ায়। তার মানে সন্ধ্যার দুরন্ত এক্সপ্রেস মিস হয়ে যাচ্ছে, কারন প্লেন দিল্লী পৌঁছান আর ট্রেন ছাড়ার সময়ের মধ্যে ২:৩০ ঘণ্টার ব্যবধান ছিল। ওদিকে দুইমাস আগেই দুরন্ত এক্সপ্রেসের টিকেট কেটে রেখেছিলাম প্রায় ৩০০০ টাকা করে! কিন্তু সেই চিন্তা করে তো আর লাভ নেই।

তবুও দিল্লীর আকাশে যখন প্লেন এলো নিচে এয়ারপোর্ট, রানওয়ে দেখতে পারছিলাম আবছা আবছা। কিন্তু প্লেন ল্যান্ড করতে পারছেনা, কারন নিচের আবহাওয়া অনেক খারাপ, যেটা উপর থেকে ঠিক বোঝা যাচ্ছেনা। ২০ মিনিট প্লেন আকাশে চক্কর দেবার পরে যখন ল্যান্ড করলো তখন হাতে মাত্র ২০ মিনিট সময় আছে। অথচ আমাদের স্টেশনে যেতে অন্তত ৪০ মিনিট লাগবে জ্যাম না থাকলেও।

আমাদের অবস্থা জেনে একজন পরামর্শ দিলেন, ট্যাক্সি না নিয়ে যেন মেট্রোতে যাই। তাহলে অনেকটা সময় বেঁচে যাবে স্টেশনে পৌছানোর, অন্তত সন্ধ্যায় দিল্লীর ভয়াবহ জ্যামটা এড়ানো যাবে। মেট্রোর খোঁজ নিতে গিয়ে জানলাম সেটাও এই আভ্যন্তরীণ টার্মিনাল থেকে নয়, এখান থেকে ১০ মিনিটের গাড়ি বা বাসের পথ। পড়িমরি করে উঠে পরলাম ছেলে-ছেলের মা আর ব্যাগপত্র নিয়ে দাড়িয়ে থাকা বাসে। কোন রকমে উঠতেই বাস ছেঁড়ে দিল। আর মাত্র ৮ মিনিট চলার পরেই আমাদেরকে মেট্রো স্টেশন নামিয়ে দিল। হাতে সময় আছে ১২ মিনিট, মানে নিউ দিল্লী স্টেশন থেকে দুরন্ত একপ্রেস ছাড়ার। ট্রেন পাবোনা জানি, তবুও মিথ্যে করে হলেও আশাকে বাঁচিয়ে রেখে বাকি পথটুকু চলার অনুপ্রেরণা খোঁজা।

তাড়াহুড়োতে মেট্রোতে ভুল টিকেট কাটা হয়েছিল ট্রেনের পরিবর্তে বাসের! যেটা বুঝতে পারলাম প্লাটফর্মে ঢুকতে গিয়ে, আবার সেই টিকেট ফেরত দিয়ে, মেট্রোর টিকেট কাটা হল, নিচে নেমে দেখলাম ট্রেন আসতে তিন মিনিট বাকি আছে, বড় করে লাগোয়া ট্রেনের টাইম টেবিল সেখানে অনবরত ভেসে চলেছে। ঠিক তিন মিনিট পরে ট্রেন এলো। আমরা উঠে পরলাম।

যথেষ্ট সিট ফাঁকা আছে কিন্তু ট্রেন মিসের দুশ্চিন্তা আর রাতে কোথায় থাকবে সেই টেনশনে সবাই দাড়িয়েই ছিলাম। ২৫ মিনিট পরে মেট্রো নিউ দিল্লী ষ্টেশনের উল্টো পাশে, পুরনো দিল্লীতে নামিয়ে দিল। বুকে তখনও কিছুটা মিথ্যে আশা বেঁধে রেখেছি যদি ট্রেন এক ঘণ্টা লেট হত? কিন্তু না প্লাটফর্মের বাইরে বেরিয়ে কুলিদের জিজ্ঞাসা করাতে জানালো ঠিক ২০ মিনিট আগে একদম সঠিক সময়ে ট্রেন ছেঁড়ে দিয়েছে!

মানসিক প্রস্তুতি সবারই ছিল তবুও, সবাই মুহূর্তেই ভেঙে পড়লো, মানসিক ও শারীরিকভাবে। প্রত্যেকে ব্যাগের উপরে বসে পরলো, ভীষণ বিষণ্ণতায়, নিদারুণ মন খারাপ করে। ওদের এই অবস্থা দেখে দিল্লীর দালালরা আমাদেরকে পেয়ে বসলেন। ট্রেনের টিকেট নিয়ে নানা রকম ফন্দি ফিকির শুরু করে দিল। কনফার্ম টিকেট আছে, আগামীকালকের, মাত্র ৫০০ রুপী করে বেশী দিতে হবে, কেউ ৪০০ রুপী আবার কেউ ৩০০ রুপী বেশী দিয়ে ট্রেন টিকেটের নানা রকম প্রলোভন দেখিয়ে যাচ্ছে। ওদের কাছে ছাড়া নাকি আগামী ৭ দিনের কলকাতার কোন টিকেট নেই! এটা শুনে ওরা চারজন আরও মুষড়ে পরলো যেন! দালালদেরকে বললাম আগে নিজ থেকে ফরেন কোটার খোঁজ নেব, তারপর অন্য ভাবনা ভেবে দেখবো। ওরা জানালো বিকেল পাঁচটার পরে ফরেন কোটার অফিস বন্ধ হয়ে যায় আর শুক্রবার বন্ধ থাকে! তবুও বললাম আগে খোঁজ নিয়ে নেই।

আমি তখনও চুপচাপ আছি। ওদেরকে একটা কর্নারে যেখানে সিসি টিভির পুরো ফুটেজ পাওয়া যায় তেমন যায়গায় ব্যাগপত্র নিয়ে বসতে বললাম। এখান থেকে আমি ফিরে না আসা পর্যন্ত যেন এক চুলও কেউ না নড়ে। ওদেরকে নুডলস কিনে দিয়ে প্লাটফর্মের দিকে হাটতে লাগলাম। আমার পিছনে পিছনে দিল্লীর দালাল লেগে আছে। ওরা যে কোন উপায়ে আমাদের টিকেট কেটে দিতে বদ্ধপরিকর।

একই সাথে পিছনে তিনজন দালাল লেগেছে, একজন ট্রেন টিকেটের, একজন হোটেল দেবার আর একজন আমাদের আগামীকাল দিল্লী ঘুরিয়ে দেখাবে পাশাপাশি আজকে রাতে আমাদের তার ট্যাক্সিতে করে এগিয়ে দেবে এবং সেজন্য কোন অতিরিক্ত টাকা নেবেনা। পূর্বে কয়েকবারের দিল্লীর দালালের নানা রকম অভিজ্ঞতা থেকে ওদের সাথে কোন রকম আলোচনা না করে নিজের মত প্লাটফর্মের ভিতরে চলে গেলাম, আর প্লাটফর্মের ভিতরে ঢোকার পরে ওরা নিজ থেকেই নিজেদের কাজে চলে গেল!

১৬ নাম্বার প্লাটফর্মে ঢুকে খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, ফরেন টিকেট দেয়া হয় ১ নাম্বার প্লাটফর্ম থেকে। নিউ দিল্লী স্টেশনে ১৬ টা প্লাটফর্ম! খুব দ্রুত হেটে গেলেও ১৬ থেকে ১ নাম্বার প্লাটফর্মে যেতে হলে কমপক্ষে ২০ মিনিট লাগবে। এতক্ষণে আমার নিজেরও বেশ ক্লান্তি চলে এসেছে, সেটা যতটা না শারীরিক তারচেয়ে বেশী মানসিক। জানেন তো মানসিক ক্লান্তি মানুষকে বেশী দুর্বল করে দেয়।

যাই হোক ১ নাম্বার প্লাটফর্মে গিয়ে খুঁজে খুঁজে ২য় তলায় ফরেন কোটার টিকেট অফিসে গেলাম। দারুণ, আরামদায়ক সোফা আর এসির আরাম আছে সেখানে, সেটা দেখে টিকেট এর খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম, সবার অরজিনাল পাসপোর্ট দেখেই তবে টিকেটের সঠিক তথ্য দিতে পারবে! তার মানে সবাইকে নিয়ে এখানে আসতে হবে। মোবাইলও নেই যে অন্যদের পাসপোর্ট নিয়ে আসতে বলবো, আমাদের তিন জনের পাসপোর্ট আমার কাছেই আছে।

আবারো ছুটতে হল প্লাটফর্ম ১ থেকে ১৬ তে। দুটো অটো নিয়ে সবাই মিলে অনেকটা ঘুরে চলে এলাম ১ নাম্বার প্লাটফর্মে। ব্যাগপত্র নিয়ে ফরেন কোটার অফিসে ঢুকতে ঢুকতে সাবই বিধ্বস্ত। নরম সোফা আর এসির আরমে বসে টিকেটের খোঁজ নিয়ে জানতে পারলাম মাত্র চারটা টিকেটই আছে, সেটাও টু টায়ারের, ভাড়া ৪২০০ রুপী করে! প্লেনের চেয়েও বেশী। তবুও ঝটপট কেটে নিলাম, যেহেতু আর কোন অপশন তখন নেই।

টিকেট কাটার পরে সবাই একটু নিশ্চিন্ত হলাম, এরপর রয়েছে হোটেল খুঁজে বের করার বিশাল ঝামেলার আর একটা কাজ। ওদেরকে ওখানেই বসিয়ে রেখে বের হলাম, যেহেতু দুটো পরিবার তাই যেমন তেমন হোটেল তো নেয়া যাবেনা, তাই অনেক খুঁজে খুঁজে দালালের চক্র থেকে নিজেদের বাঁচিয়ে পেয়েছিলাম মোটামুটি রাত কাটানোর মত ভদ্রস্থ একটা হোটেলের দুটো রুম। তখন রাত ১১ টা। আবার প্লাটফর্মে গেলাম ওদেরকে নিয়ে আসতে।

শেষ হল একটি বিপর্যস্ত সন্ধ্যা আর বিধ্বস্ত রাত ও দিল্লীর দালাল থেকে নিস্তার পাবার গল্প।

শেষ কথা হল, দিল্লীতে ট্রেন টিকেট কাটার জন্য অবশ্যই আগে যাবেন ১ নাম্বার প্লাটফর্মে, যেটা ৭/২৪ (সাত দিন আর ২৪ ঘণ্টাই খোলা থাকে) দালালের চক্করে না পরে আগে নিজ থেকে খোঁজ নিন, তারপর না হয় এজেন্ট বা দালালের ফাঁদে পা দেবেন। কারন ওরা টাকা নেবে, টিকেটও দেবে, কিন্তু সেটার হয়তো সিট নাম্বার থাকবেনা যেটা নিয়ে পরতে হবে নিদারুণ বিড়ম্বনায়। যেটা আমরা দুইবার পরেছিলাম! টিকেট ছিল, কিন্তু সিট ছিলোনা, তাও দিগুণ টাকা দিয়ে কাটা টিকেট!

তাই ভাই-বোনেরা যারা আসছে ছুটিতে ভারত যাবেন আর ট্রেন ভ্রমণের কথা ভাবছেন, পারলে টিকেট গুলো আগে করে রাখুন আর হাতে সময় নিয়ে রাখুন পর্যাপ্ত। আর খুব খুব আর খুব সাবধান! যে কোন যায়গায় থাকতে পারে…

দিল্লীর দালাল…!!

১৯ ডিসেম্বর ২০১৭

Post Copied From:

Sajol Zahid>Travelers of Bangladesh (ToB)
18 Dec 2017

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়ে কাবিনামা দেখাতে না পারায় ট্যুরিষ্ট পুলিশের হাতে আবারও নাজেহাল হয়েছেন এক দম্পতি। বিয়ের কোন উপযুক্ত প্রমান দেখাতে নাপারায় ওই দম্পতিকে দীর্ঘক্ষন কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে আটকিয়ে রাখায় ট্যুরিস্ট পুলিশের বিরুদ্ধে জেলা প্রশাসক বরাবরে অভিযোগ করেছেন এক ভুক্তভোগী।

সোমবার দুপুরে এমন অভিযোগ দায়ের করার বিষয়টি স্বীকার করেছেন কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মো. আলী হোসেন।

তিনি বলেন, ‘সমুদ্র সৈকতে বেড়াতে গিয়ে ট্যুরিষ্ট পুলিশের এক কর্মকর্তার কাছে দম্পতি নাজেহাল হওয়ার ব্যাপারে একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ নিয়ে তদন্তপূর্বক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ট্যুরিষ্ট পুলিশের এসপি বরাবরে নির্দেশনা দিয়েছি।’

অভিযোগকারি মো. কায়েদে আজম পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, রোববার রাত ৮ টার দিকে স্ত্রীসহ আমি কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের লাবণী পয়েন্টে বেড়াতে যাই। সেখানে পর্যটক চেয়ারে বসে আমরা সময় কাটাচ্ছিলাম। এক পর্যায়ে ট্যুরিষ্ট পুলিশের কর্মকর্তা এএসআই মো. মাসুদ সহ ৩ জন পুলিশ সদস্য এসে আমরা স্বামী-স্ত্রী কিনা জানতে চান। স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিলে তাৎক্ষণিক কাবিন নামা দেখতে চাওয়া হয়। তা দেখাতে না পারায় আমাদের দীর্ঘক্ষণ আটকিয়ে রাখেন। সমুদ্র সৈকতে অন্যান্য পর্যটকদের সামনে আমাদের স্বামী-স্ত্রীকে নাজেহাল করা হয়। পরে আমাদের সংবাদ পেয়ে কক্সবাজারে অবস্থান করা আমাদের অপর দুই আত্মীয় এসে আমাদের স্বামী-স্ত্রী বলায় ২ ঘন্টা পরে আমাদের ছাড়া হয়।

কায়েদে আজম আরো জানান, দীর্ঘক্ষন আটকিয়ে রাখার এক পর্যায়ে পুলিশ কর্মকর্তা মাসুদ আমাকে বাড়ি থেকে স্বজনদের এনে পরিচয় নিশ্চিত করতে বলেন। অন্যথায় থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হবে বলে তিনি ধমকান।’

ভুক্তভোগী কায়েদে আজম বলেন, ‘পর্যটন নগরীর প্রধান আকর্ষণ কক্সবাজার সমুদ্র সৈকত। পর্যটকদের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা পুলিশের কাছে যদি বেড়াতে আসা লোকজন হেনস্তার শিকার হন, তাহলে পর্যটকরা কক্সবাজার বিমুখ হবেন। এতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে সম্ভাবনাময় পর্যটন শিল্পে।’

এ নিয়ে অভিযুক্ত ট্যুরিষ্ট পুলিশের কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অভিযোগের ব্যাপারে ট্যুরিষ্ট পুলিশ কক্সবাজার অঞ্চলের পুলিশ সুপার ( এসপি ) মো. জিল্লুর রহমান পরিবর্তন ডটকমকে বলেন, এ ধরণের অভিযোগের ব্যাপারে আমি অবগত নই। তবে লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তপূর্বক সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

18 Dec 2017

সুখবর!!!
আপনি কি ঢাকায় থেকে ট্র্যাকিং এর মজা নিতে চান? আপনি কি একজন কর্মজীবী অথবা ছাত্র যে কিনা সময়ের অভাবে পাহাড়ে ট্র্যাক করতে যেতে পারছেন না ? আপনি কি একজন পরিশ্রমী ট্র্যাকিং প্রিয় মানুষ?
তাহলে আপনার জন্য আছে সুবর্ণ সুযোগ 😂
কিছুই না শুধুমাত্র প্রয়োজন মনের অদম্য ইচ্ছা, কল্পনার বিশাল জগত। ইচ্ছা এবং কল্পনাকে কাজে লাগিয়ে একদিন অফিস অথবা ক্লাস এর পর বেরিয়ে পড়ুন, হাঁটতে থাকুন, চারপাশ দেখতে থাকুন,হতে পারে সেটা বিশ্ব রোড থেকে বাড্ডা হয়ে হাতিরঝিল দিয়ে মহাখালি অথবা ধানমন্ডি থেকে মিরপুর হয়ে কালশী! মাঝে মধ্যে দুই একটা ফ্লাইওভার আর ছোটখাটো দুইতিন টা ফুট ওভার ব্রিজ পাড় হয়ে যেতে পারেন গন্তব্য স্থলে অথবা অজানা কোন চিপা গলি বা কোন সুয়ারেজ পাইপের বাঁকে! কিছু শুকনা খাবার আর এক বোতল পানি সাথে নিয়ে দুই থেকে তিন ঘণ্টায় হয়ে যেতে পারে আপনার জীবনের স্মরণীয় ট্র্যাকিং!!!
#travel #xplore #live

Post Copied From:Mohtadi Shahrier Maudood‎>Travelers of Bangladesh (ToB)

15 Dec 2017

হঠাৎ বন্ধুরা মিলে প্লান করলেন দেশের বাইরে ঘুরতে যাবেন। মুশকিল হল পাসপোর্টটাই নেই। ঝক্কি-ঝামেলার ভয়ে পাসপোর্ট অফিসেই হয়তো যেতে চান না। তবে এখন অনলাইনেই করে ফেলা যায় পাসপোর্টের ‘কর্ম’। তবে এজন্য আপনাকে বাইরেও যেতে হবে। প্রথমত টাকা জমা দিতে। অবশ্য চাইলে এটাও আপনি অনলাইনেই জমা দিতে পারেন। কয়েকটি নির্দিষ্ট ব্যাংকেও অনলাইনে পাসপোর্টে টাকা জমা দেয়ার ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। যা এ প্রক্রিয়াকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে গেছে।
আসুন জেনে নেয়া যাক পাসপোর্ট করতে গেলে অনুসরণীয় কয়েকটি ধাপ
১ম ধাপ : টাকা জমা
———————-
অনলাইনে পাসপোর্ট করতে হলে প্রথমে টাকা জমা দিতে হবে। কেননা অনলাইনে ফর্ম পূরণ করার সময় টাকা জমা দেওয়ার তারিখ এবং জমা দানের রিসিটের নম্বর উল্লেখ করার প্রয়োজন হয়। তাই ফর্ম পূরণের আগে টাকা জমা দিতে হবে। রেগুলার ফি ৩,৪৫০ টাকা এবং জরুরি পাসপোর্ট করতে হলে তার ফি ৬,৯০০ টাকা।
২য় ধাপ : অনলাইনে ফরমপূরণ
———————————
এটি সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। খুব মনোযোগ দিয়ে অনলাইনের ফরম পূরণ করতে হবে। যেন কোনো ভুল ত্রুটি না হয়। অনলাইনে ফরম পূরণের জন্য প্রথমে পাসপোর্ট অফিসের এ সাইটে যেতে হবে।
তারপর ‘I have read the above information and the relevant guidance notes’ টিক চিহ্ন দিয়ে ‘continue to online enrollment’ এ ক্লিক করতে হবে।
আপনার নাম ও ব্যক্তিগত তথ্যাদি- যেমন : আপনার নাম, পিতা-মাতার নাম। এই নামগুলো যেন শিক্ষাগত সার্টিফিকেট কিংবা জাতীয় পরিচয়পত্রের মতো একই হয়। কোনো তথ্য ভুল হলে পাসপোর্টে হতে সমস্যা হবে।
মেইল অ্যাড্রেস ও মোবাইল নম্বার দেয়ার ক্ষেত্রে অবশ্যই যেটি ব্যবহৃত হচ্ছে সেটি দেয়া উচিত।
টাকা জমা দেয়ার তারিখ এবং রিসিট নম্বর দিতে হবে। পাসপোর্ট টাইপ সিলেক্ট করতে হবে ‘ordinary’। যে অংশগুলো লাল স্টার মার্ক দেয়া রয়েছে, সেগুলো অবশ্যই পূরণ করতে হবে।
Delivery Type অংশে ৩০ দিনের জন্য হলে Regular এবং ১৫ দিনের জন্য হলে Express সিলেক্ট করতে হবে।
সম্পূর্ণ ফরমটি পূরণ হলে পুনরায় এটি চেক করতে হবে। সব তথ্য টিক আছে কি না, তা যাচাই করে পরবর্তী ধাপে যেতে হবে।
সবশেষে পূরণ করা ফরমটি সাবমিট করতে হবে। সফলভাবে সাবমিট করা হলে পূরণ করা ফরমের একটি পিডিএফ কপি যে ই-মেইল অ্যাড্রেস দিয়ে ফরম পূরণ করা হয়েছে, সেখানে চলে আসবে।
৩য় ধাপ : ফর্মের প্রিন্ট এবং সত্যায়ন
—————————————
এবার মেইলে আসা পিডিএফ কপির ২ কপি কালার প্রিন্ট করতে হবে। এতে আবেদনকারীর স্বাক্ষর করার স্থনে সই করতে হবে। এবার নিজের চার কপি ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্রের ফটোকপি এবং পাসপোর্ট ফর্ম নিয়ে পরিচিত কোনো প্রথম শ্রেণির কর্মকর্তার কাছ থেকে সত্যায়িত করে নিতে হবে। পরিচিত কাউকে দিয়ে সত্যায়ন করালে ভাল। কারণ ওই কর্মকর্তার নাম, যোগাযোগ ও ফোন নম্বর এবং জাতীয় পরিচয় পত্রের নম্বর ফরমে লিখতে হয়।
৪র্থ ধাপ : পুরো ফরম রিচেক
——————————
সত্যায়িত ছবি এবং ব্যাংকের রিসিট আঠা দিয়ে ফরমের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। জাতীয় পরিচয়পত্রের সত্যায়িত কপিটিও প্রিন্ট করা ফরমটির সঙ্গে যুক্ত করে দিতে হবে। শিক্ষার্থী হিসেবে আবেদন করলে অবশ্যই স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের ফটোকপি সত্যয়িত করে ফরমের সঙ্গে যুক্ত করতে দিতে হবে। এসব ধাপ শেষ করলে ফর্মটি জমা দেয়ার জন্য প্রস্তুত।
৫ম ধাপ : ফরম জমা এবং ছবি তোলা
—————————————-
অনলাইনে ফর্ম পূরণের জন্য ১৫ দিনের মধ্যে ফর্মের প্রিন্ট কপি, সত্যায়িত ছবি, জাতীয় পরিচয়পত্র এবং স্টুডেন্ট আইডি কার্ডের ফটোকপি নিয়ে যেতে হবে পাসপোর্ট অফিসে।
পাসপোর্ট অফিসে যাওয়ার সময় অবশ্যই সাদা পোশাক পরবেন না। সকালের দিকে পাসপোর্ট অফিসে গেলে ভালো হয়। তখন লাইনে ভিড় কম থাকে। সরাসরি মেইন গেইট দিয়ে মূল অফিসে ঢুকতে হবে। সেখানে দায়িত্বরত সেনা সদস্যকে জিজ্ঞেস করুণ কোন রুমে যেতে হবে। সাইন শেষে জানিয়ে দেয়া হবে ছবি তোলার জন্য কোন রুমে যেতে হবে।
এরপর নির্দিষ্ট রুমে গিয়ে সিরিয়াল আসলে ছবি তোলার জন্য ডাক পড়বে। ছবি তোলার পর ফিঙ্গারপ্রিন্ট দিতে হবে। এবার পাসপোর্ট রিসিভের একটা রিসিট দেয়া হবে। পুলিশ ভেরিফিকেশন সাপেক্ষে, রিসিট পাওয়ার একমাস বা ১৫ দিনের মধ্যেই আপনি পাসপোর্ট পাবেন।
নির্ধারিত দিনে রিসিভটি নিয়ে পাসপোর্ট সংগ্রহ করতে হবে।
(Ref.-Govt Circular Facebook page )